ভৈরবে র্যাবের অভিযানে ১৩ মামলার আসামি ইমন গ্রেপ্তার
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে অভিযান চালিয়ে হত্যা, দস্যুতা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা মোট ১৩টি মামলার আসামি এবং একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ইমন (২৫)কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৪, ভৈরব ক্যাম্প।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে ভৈরবের নাটালের মোড় এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার ইমন ভৈরব উপজেলার আড়াই ব্যাপারীর বাড়ি এলাকার বাসিন্দা এবং মাসুদ মিয়ার ছেলে।
র্যাব-১৪ ভৈরব ক্যাম্পের পাঠানো এক লিখিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইমন কিশোরগঞ্জের সদর, কুলিয়ারচর ও ভৈরবসহ আশপাশের এলাকায় সক্রিয় একটি সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দস্যুতা, চাঁদাবাজি ও মাদক-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তি ভৈরব থানার মামলা নং-২২(২)/২৫-এর ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি। মামলাটিতে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩৮৫, ৩৮০, ৪২৭, ১১৪ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা, দস্যুতা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক-সংক্রান্ত একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
র্যাবের তথ্যমতে, গত ১৮ মার্চ ২০২৬ গভীর রাতে কুলিয়ারচর থানার দাড়িয়াকান্দি-কুলিয়ারচর বাজার সড়কের রেলক্রসিং এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র কৌশলে রেলগেটের ব্যারিয়ার ফেলে একটি মাইক্রোবাসের গতিরোধ করে। পরে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে যাত্রীদের মারধর করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নেওয়া হয়।
ওই ঘটনায় অষ্টগ্রাম উপজেলার শান্তিপুর গ্রামের বাসিন্দা শরিফ খান বাদী হয়ে কুলিয়ারচর থানায় একটি দস্যুতা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে ইমন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন বলে র্যাব জানিয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইমনকে কুলিয়ারচর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।










