বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ আব্দুল্লাহর কবরে উপজেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ আব্দুল্লাহর কবরে উপজেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা

মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে তাঁর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার পুমদী ইউনিয়নের বর্শিকুড়া গ্রামে শহীদ আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের কবরে হোসেনপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী নাহিদ ইভা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মহসিন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোজাহিদুল ইসলাম শিহাব, হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এহসানুল হক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আব্দুল আলীম, জুলাই যোদ্ধা মো. রতন ভূঁইয়া, মো. মোস্তাক আহম্মেদ রাব্বী, আল আমিন ভূঁইয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং শহীদের স্বজনরা।

অনুষ্ঠানে শহীদ আব্দুল্লাহ বিন জাহিদসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। একই সঙ্গে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কামনা করে দোয়া করা হয়।

শহীদ আব্দুল্লাহ বিন জাহিদ হোসেনপুর উপজেলার পুমদী ইউনিয়নের বর্শিকুড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। মাত্র ১৭ বছর বয়সী এই শিক্ষার্থী ঢাকার শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাদশ শ্রেণির বাণিজ্য বিভাগের ছাত্র ছিলেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পরিবারের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে তিনি গোপনে আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতেন। গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করার পর রাজধানীর উত্তরা এলাকায় আয়োজিত বিজয় মিছিলে অংশ নেন তিনি। সেদিন দুপুরে পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়ে বিজয়ের আনন্দ ভাগ করে নিতে বাড়ি থেকে বের হলেও সেই যাত্রাই হয়ে ওঠে তাঁর জীবনের শেষ যাত্রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তরার বিজয় মিছিলে গুলিবিদ্ধ হন আব্দুল্লাহ বিন জাহিদ। পরে উপস্থিত লোকজন তাঁকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তাঁর এই আত্মত্যাগ হোসেনপুরবাসীর জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভা বলেন, “শহীদ আব্দুল্লাহ বিন জাহিদসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। তাঁদের এই আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। সরকারের পক্ষ থেকে শহীদ পরিবারের পাশে থাকার সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”

হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, “শহীদদের স্মরণ রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। তাঁদের আদর্শ ও আত্মত্যাগ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা দেশ গঠনে কাজ করে যাব।”

কর্মসূচি শেষে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা শহীদ আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের খোঁজখবর নেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।

‘জামায়াতের অধঃপতনের কারণ তাদের ইতিহাস’- কাদের সিদ্দিকী

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
‘জামায়াতের অধঃপতনের কারণ তাদের ইতিহাস’- কাদের সিদ্দিকী

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক ইতিহাসই দলটির বর্তমান অধঃপতনের প্রধান কারণ। তাঁর দাবি, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের শেষ পর্যায় পর্যন্ত দলটি ব্রিটিশদের পক্ষে অবস্থান নেয় এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ও স্বাধীনতার পক্ষে না দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের পক্ষ নেয়। এ কারণেই দলটি আজকের অবস্থায় এসেছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম তারেকের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, “জামায়াতে ইসলামী একটি দুর্ভাগা দল। তাদের রাজনৈতিক ইতিহাসই তাদের অধঃপতনের প্রধান কারণ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের হৃদয়। যে দল মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, ইতিহাস তাদের সেই অবস্থানের মূল্যায়ন করেছে।”

দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি। এ সময় তিনি সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কঠোর সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, ড. ইউনূস দেশের যে ক্ষতি করেছেন, তা অত্যন্ত গুরুতর। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই দিবসে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ড. ইউনূসকে যে সম্মান দেখিয়েছেন, সেটি রাজনৈতিক শিষ্টাচারের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

বর্তমান সরকারের কার্যক্রম প্রসঙ্গে কাদের সিদ্দিকী বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারকে একই সঙ্গে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এরপরও তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার অধ্যাপক ইউনূসের সময়ের তুলনায় অনেক ভালোভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে।

তিনি বলেন, “জাতীয় সংকট তো আছেই, আন্তর্জাতিক সংকট তার চেয়েও বড়। তারপরও বর্তমান সরকার পরিস্থিতি ভালোভাবে সামাল দিচ্ছে।”

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্ভাব্য দেশে ফেরা নিয়েও মন্তব্য করেন কাদের সিদ্দিকী। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা যদি পরিকল্পিতভাবে দেশে ফেরার ঘোষণা দিতেন, তাহলে দেশের ভেতরে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নতুন করে সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পেতেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন কর্মসূচির ঘোষণার ফলে উল্টো সাধারণ ও নিরীহ নেতাকর্মীরাই বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, যারা কোনো ধরনের অনিয়ম বা অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন, তাঁদের অনেকেই এসব ঘোষণার কারণে আইনি জটিলতায় পড়ছেন এবং কারাগারে যেতে হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, এ ধরনের পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবে দলের জন্য ইতিবাচক নয়।

তাড়াইলের ২ এইচএসসি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীপিছু দায়িত্বে ১৭ জন

তাড়াইল প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
তাড়াইলের ২ এইচএসসি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীপিছু দায়িত্বে ১৭ জন

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দুটি এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) অনুষ্ঠিত ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা প্রথম পত্র পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন মাত্র দুজন পরীক্ষার্থী। তবে শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি কেন্দ্রে পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে দায়িত্ব পালন করেছেন ১৭ জন করে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। ফলে দুটি কেন্দ্রেই দেখা গেছে ব্যতিক্রমী চিত্র।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, তাড়াইল মুক্তিযোদ্ধা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ৭০৫ জন। তবে এদিন ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা প্রথম পত্র পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন মাত্র একজন পরীক্ষার্থী। তিনি হাজী মোমতাজ উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নীলগঞ্জের শিক্ষার্থী রাকিব মিয়া। তাঁর বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ এলাকায়।

একজন পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্র করেই শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত বিধি অনুসরণ করে পরীক্ষা পরিচালনা করা হয়। এ কেন্দ্রে হল সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আনেয়ার হোসেন। এছাড়া ছিলেন দুইজন সহকারী হল সুপার, দুইজন কক্ষ পরিদর্শক, পাঁচজন সহায়ক কর্মচারী, তিনজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা আখতার এবং ট্যাগ অফিসার হিসেবে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।

অন্যদিকে তাড়াইল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রেও একই বিষয়ে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশ নেন মাত্র একজন পরীক্ষার্থী। তিনি প্রিয় রঞ্জন বর্মন। তাঁর বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার দামসুর এলাকায়।

এ কেন্দ্রেও শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী একজন পরীক্ষার্থীর জন্য ১৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। পরীক্ষা গ্রহণ, নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের শিথিলতা রাখা হয়নি।

পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার দুটি কেন্দ্রই পরিদর্শন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিসান আলী। তিনি কেন্দ্রগুলোর সার্বিক পরিবেশ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পরীক্ষা পরিচালনার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কম হলেও শিক্ষা বোর্ডের বিধি-বিধান অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কম হওয়ায় কেন্দ্র পরিচালনার নিয়মে কোনো ব্যত্যয় ঘটানো হয়নি।

কুলিয়ারচরে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
কুলিয়ারচরে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাও জব্দ করা হয়। তবে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে অটোরিকশার চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সকাল ৯টার মধ্যে উপজেলার ষোলরশি ও বড় ছয়সূতী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তি মো. সজিব মিয়া (৩৫)। তিনি ভৈরব থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যাত্রী হিসেবে আসছিলেন। পলাতক চালকের নাম মো. জিলানী মিয়া (৩৪)।

কুলিয়ারচর থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওয়ারেন্ট তামিল ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, ভৈরব থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বিপুল পরিমাণ গাঁজা ময়মনসিংহে নেওয়া হচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল উপজেলার ষোলরশি কবরস্থানসংলগ্ন সড়কে অবস্থান নেয়।

সকাল আনুমানিক ৮টা ৫০ মিনিটে সন্দেহভাজন সিএনজিচালিত অটোরিকশাটিকে থামানোর সংকেত দেওয়া হলে চালক নির্দেশ অমান্য করে দ্রুত বড় ছয়সূতীর দিকে পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ ধাওয়া করলে বড় ছয়সূতী এলাকার আরব আলী চক বাজারে অটোরিকশাটি রেখে চালক ও এক যাত্রী পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

এ সময় স্থানীয় লোকজন মো. সজিব মিয়াকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। তবে চালক মো. জিলানী মিয়া পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে অটোরিকশার পেছনের অংশে তল্লাশি চালিয়ে আটটি পৃথক পুটলায় রাখা মোট ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত কিশোরগঞ্জ-থ-১১-০৫১৪ নম্বরের সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, জব্দ করা গাড়িটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক সজিব মিয়া উদ্ধার হওয়া গাঁজা বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের হেফাজতে রাখার কথা স্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে তিনি পলাতক চালক মো. জিলানী মিয়ার সম্পৃক্ততার বিষয়েও তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীন বলেন, এ ঘটনায় আটক ও পলাতক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় কুলিয়ারচর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মাদক নির্মূলে কুলিয়ারচর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41