হাইকোর্টের জামিনের পর কারামুক্ত জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান
বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা, কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। এ সময় তাঁকে সংবর্ধনা জানাতে কারাফটকে জড়ো হন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা।
এর আগে গত রোববার বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁকে জামিন দেন। জামিনের আদেশের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার সকালে কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।
গত ২ অক্টোবর সন্ধ্যায় ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরদিন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১ অক্টোবর সৌদি আরবের মদিনা থেকে আসা বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটের যাত্রীদের লাগেজ পেতে বিলম্ব হওয়ায় তাঁদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যান বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ওই সময় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন, ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন এবং মারধরের হুমকি দেন। এ ছাড়া বিমানমন্ত্রীকে নিয়েও অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। তবে ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। এর আগে ২০২২ সালে পঞ্চমবারের মতো তাঁকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।













Disqus comments are not configured yet.