মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

পাকুন্দিয়ায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, আহত ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
পাকুন্দিয়ায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, আহত ৪

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল ইসলামের (৭৫) বীর নিবাসে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের চর তেরঢেকিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৫০) এবং মো. ইয়াসিন (২০) ও তৌসিন (১৮) আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নুরুল ইসলামের সঙ্গে প্রতিবেশী জসিম উদ্দিনের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে একাধিকবার দেনদরবার করেও সমাধান না হওয়ায় নুরুল ইসলাম আদালতে মামলা করেন। ওই মামলায় নুরুল ইসলাম ডিগ্রি পাওয়ার পর বিরোধপূর্ণ জায়গায় জসিম উদ্দিন জোরপূর্বক নতুন করে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

নুরুল ইসলাম ঘর নির্মাণে বাধা দিলে জসিম উদ্দিন, তাঁর ছেলে মুখছেদ, মানিক মিয়ার ছেলে শান্ত, ফেরদৌস, রাজন, মাহতাব ও ইউসুফ আলীসহ ১০-১২ জন বীর নিবাসে হামলা করেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। এ সময় তাঁরা বাড়ির দরজা-জানালার কাচ এবং ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষতি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

হামলায় আহত নুরুল ইসলাম, তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম, ইয়াসিন ও তৌসিনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে তাঁরা বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জমি নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ দীর্ঘদিনের। এ নিয়ে আদালতে মামলাও হয়েছিল। মামলার বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়ার পরও বিরোধের সমাধান হয়নি বলে তাঁরা জানান।

প্রতিবেশী জজ মিয়া বলেন, “জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। অনেকবার বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধান হয়নি। এরই সূত্র ধরে জসিম উদ্দিনের লোকজন হামলা চালিয়েছে।”

ঘটনার পর থানায় অভিযোগ করা হলে পাকুন্দিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি।

এসআই জাহাঙ্গীর বলেন, “স্থানীয় লোকজন বিষয়টি সমাধান করবেন।”

এ বিষয়ে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান বলেন, “পাকুন্দিয়ায় একজন মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে হামলা হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করেছি। ভাঙচুরের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে বলেছি। তা না হলে আদালতে গিয়ে মামলা করতে বলা হয়েছে। জিডি করলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।”

ভৈরব রুটে ট্রেনে হামলার অভিযোগ, গুরুতর আহত কটিয়াদীর তরুণ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
ভৈরব রুটে ট্রেনে হামলার অভিযোগ, গুরুতর আহত কটিয়াদীর তরুণ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর এক তরুণকে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে ভৈরবগামী এগারসিন্দুর প্রভাতী ট্রেনে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত ওই তরুণকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত তরুণের নাম মো. মামুন মিয়া (২২), ডাকনাম তরিকুল। তিনি কটিয়াদী উপজেলার বনগ্রাম এলাকার হুমায়ুন মিয়ার ছেলে। তরিকুল একটি আইসক্রিম কোম্পানিতে চাকরি করেন। তাঁর কর্মস্থল ভৈরবে।

ভুক্তভোগীর মামা শিব্বির আহমদ (মাসুদ) জানান, মঙ্গলবার সকাল কর্মস্থলে যাওয়ার পথে তরিকুল এগারসিন্দুর প্রভাতী ট্রেনে ভৈরবের উদ্দেশে রওনা হন। আনুমানিক সোয়া ৮টার দিকে জগন্নাথপুর – ভৈরব রেলস্টেশন এলাকায় দুই থেকে তিনজন তরুণ তাঁর ওপর হামলা করে তাঁকে ট্রেন থেকে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় তরিকুল গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

শিব্বির আহমদ (মাসুদ) বলেন, ঘটনার বিষয়ে এখনো কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

রেলপথে প্রতিদিন কর্মজীবী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ভৈরবসহ আশপাশের এলাকায় যাতায়াত করেন। বিশেষ করে কর্মস্থলে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ট্রেন অনেকের নিয়মিত বাহন। চলন্ত ট্রেনে হামলা বা যাত্রীকে ফেলে দেওয়ার মতো অভিযোগ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করে। এমন ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত, ঘটনার কারণ উদ্ঘাটন এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে ১৫ দিন ধরে অচল চুয়েট

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে ১৫ দিন ধরে অচল চুয়েট

উপাচার্য পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অচলাবস্থা ১৫ দিনে গড়িয়েছে। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির কারণে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস-পরীক্ষাসহ একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে কর্মবিরতি পালন করছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও।

অচলাবস্থার কারণে অন্তত ছয়টি বিভাগের বিভিন্ন বর্ষ ও সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে। এসব পরীক্ষার নতুন সময়সূচিও দেওয়া হয়নি। ক্লাস বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম পিছিয়ে যাচ্ছে। অচলাবস্থা দীর্ঘ হলে সেশনজটের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত ১৪ দিন শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চুয়েট ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক থাকলেও মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরের চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন তাঁরা। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯৯ শতাংশই যৌক্তিক ও ন্যায্য দাবি নিয়ে আন্দোলন করছেন।

মানববন্ধনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ আদর্শ সামনে রেখে নতুন ও সমৃদ্ধ দেশ গঠনে যে নবজাগরণের স্বপ্ন দেখানো হয়েছে, চুয়েটের শিক্ষার্থীরা সেই দেশেরই তরুণ প্রজন্ম। তাঁদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রী তাঁদের যৌক্তিক দাবি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল। চুয়েটের প্রায় ৯৯ শতাংশ শিক্ষার্থীর যৌক্তিক দাবিও তিনি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবেন বলে তাঁদের বিশ্বাস।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁদের হুমকি দেওয়ার বিষয়টি এরই মধ্যে সামনে এসেছে।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী, আপনি আমাদের অভিভাবক। একজন অভিভাবক হিসেবে আপনি যেমন আপনার সন্তানের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন, তেমনি দেশের হাজারো শিক্ষার্থীকেও আপনার সন্তানের মতো বিবেচনা করবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

তথ্য অনুযায়ী, গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্যের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে ওই রাতেই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন থেকে শুরু হয় ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি।

পরবর্তী সময়ে লাল কার্ড প্রদর্শন, মশাল মিছিল, মুখোশ মিছিল, চোখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ, অবস্থান ও মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। ৫ অক্টোবর শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনে সংহতি জানান।

যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী যুলকারনাইন মিহাদ বলেন, ‘আজকে আমাদের আন্দোলনের ১৫তম দিন। আমরা ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখতে চাই না। আমাদের শিক্ষাজীবনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে যে দাবিতে আমরা আন্দোলনে নেমেছি, সেটির গ্রহণযোগ্য সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই।’

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘১৫ দিন ধরে ক্যাম্পাস অচল। এতে আমাদের পরীক্ষা পিছিয়ে যাচ্ছে, একাডেমিক ক্যালেন্ডারও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত সমাধান হলে আমরা সবচেয়ে বেশি স্বস্তি পাব। আমরা চাই আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সিদ্ধান্ত আসুক এবং চুয়েটে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসুক।’

বর্তমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও যুক্ত হয়েছেন। শিক্ষক সমিতি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতির সদস্যরা কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। আন্দোলনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে দীর্ঘস্থায়ী স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।

নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম অনলাইনে দায়িত্ব গ্রহণ করলেও আন্দোলনের কারণে ক্যাম্পাসে তাঁর সরাসরি কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।

চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। সমস্যা সমাধানে সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

মিঠামইনে আগুনে বসতঘর-সারের গুদাম পুড়ে কোটি টাকার ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
মিঠামইনে আগুনে বসতঘর-সারের গুদাম পুড়ে কোটি টাকার ক্ষতি

সংগ্রহীত ছবি

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে গ্যাসের চুলা থেকে লাগা আগুনে দুই তলা টিনশেডের একটি বসতঘর ও সারের গুদাম পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় প্রায় ১০ কোটি টাকার মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় মিঠামইন ফায়ার সার্ভিস। খবর পেয়ে মিঠামইন, অষ্টগ্রাম ও ইটনা ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। আগুনে দুই তলা টিনশেডের বসতঘর ও সারের গুদামটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভবনটিতে মোট ১৫টি কক্ষ ছিল।

মিঠামইন ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডিংম্যান তানভীর হাসান বলেন, “রান্নার সময় গ্যাসের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আগুনে দুই তলা টিনশেডের বসতঘর ও সারের গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনটিতে মোট ১৫টি কক্ষ ছিল।”

তিনি আরও বলেন, “আগুনে আনুমানিক ১ কোটি ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তবে প্রায় ১০ কোটি টাকার মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।”