মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

কিশোরগঞ্জে হাওরজুড়ে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব, ৯ মাসে আক্রান্ত প্রায় ২৫ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কিশোরগঞ্জে হাওরজুড়ে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব, ৯ মাসে আক্রান্ত প্রায় ২৫ হাজার

হাওরবেষ্টিত কিশোরগঞ্জ জেলায় সংক্রামক রোগ ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব চলছে। চলতি বছরের নয় মাসে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিয়েছে ২৪ হাজার ৯৮৩ জন। তাদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার জেলার ১৫টি সরকারি হাসপাতালে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ১৮০ জন রোগী ভর্তি ছিল। এর মধ্যে এক দিনেই ভর্তি হয়েছে ১০৭ জন।

ডায়রিয়ার পাশাপাশি ডেঙ্গু ও হামে আক্রান্ত এবং এসব রোগের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। গতকাল সকালে স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় জেলাজুড়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৪৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৬ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত জেলায় ১ হাজার ৮১১ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ছাড়া চলতি বছর নিশ্চিত হওয়া ২১৫ জন হামের রোগীর মধ্যে একজন এবং সন্দেহভাজন ২ হাজার ৮৮৯ জনের মধ্যে একজন মারা গেছেন।

বর্তমানে জেলার সরকারি-বেসরকারি ১৬টি হাসপাতালে সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত ৩৮০ জন রোগী ভর্তি আছেন। তাঁদের মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ১৩৩ জন, সন্দেহভাজন হামের রোগী ৬৭ জন এবং ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ১৮০ জন।

ডেঙ্গু রোগীর সবচেয়ে বেশি চাপ সামলাতে হচ্ছে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে। সেখানে বর্তমানে ৩২ জন ডেঙ্গু, ২৬ জন হামের এবং ১০ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী ভর্তি রয়েছেন। এ ছাড়া কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ১৭ জন ডেঙ্গু ও ২৬ জন ডায়রিয়া রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।

কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডায়রিয়া রোগী খাদিজা বেগমের স্বামী সাত্তার বলেন, ‘বিভিন্ন ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়। তবে স্যালাইনের কোনো সংকট পাইনি।’

কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন মোহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, ডায়রিয়া মূলত রোটা ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। সরকারের পক্ষ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ডায়রিয়া প্রতিরোধে টিকা দেওয়া হচ্ছে। হোসেনপুর, করিমগঞ্জ ও তাড়াইল উপজেলায় এই টিকা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু ও হামের চিকিৎসাসেবায় কোনো ঘাটতি রাখা হচ্ছে না। ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য কিট এবং প্রয়োজনীয় স্যালাইন ও ওষুধ মজুত রয়েছে।

ভৈরব রুটে ট্রেনে হামলার অভিযোগ, গুরুতর আহত কটিয়াদীর তরুণ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
ভৈরব রুটে ট্রেনে হামলার অভিযোগ, গুরুতর আহত কটিয়াদীর তরুণ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর এক তরুণকে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে ভৈরবগামী এগারসিন্দুর প্রভাতী ট্রেনে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত ওই তরুণকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত তরুণের নাম মো. মামুন মিয়া (২২), ডাকনাম তরিকুল। তিনি কটিয়াদী উপজেলার বনগ্রাম এলাকার হুমায়ুন মিয়ার ছেলে। তরিকুল একটি আইসক্রিম কোম্পানিতে চাকরি করেন। তাঁর কর্মস্থল ভৈরবে।

ভুক্তভোগীর মামা শিব্বির আহমদ (মাসুদ) জানান, মঙ্গলবার সকাল কর্মস্থলে যাওয়ার পথে তরিকুল এগারসিন্দুর প্রভাতী ট্রেনে ভৈরবের উদ্দেশে রওনা হন। আনুমানিক সোয়া ৮টার দিকে জগন্নাথপুর – ভৈরব রেলস্টেশন এলাকায় দুই থেকে তিনজন তরুণ তাঁর ওপর হামলা করে তাঁকে ট্রেন থেকে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় তরিকুল গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

শিব্বির আহমদ (মাসুদ) বলেন, ঘটনার বিষয়ে এখনো কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

রেলপথে প্রতিদিন কর্মজীবী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ভৈরবসহ আশপাশের এলাকায় যাতায়াত করেন। বিশেষ করে কর্মস্থলে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ট্রেন অনেকের নিয়মিত বাহন। চলন্ত ট্রেনে হামলা বা যাত্রীকে ফেলে দেওয়ার মতো অভিযোগ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করে। এমন ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত, ঘটনার কারণ উদ্ঘাটন এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে ১৫ দিন ধরে অচল চুয়েট

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে ১৫ দিন ধরে অচল চুয়েট

উপাচার্য পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অচলাবস্থা ১৫ দিনে গড়িয়েছে। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির কারণে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস-পরীক্ষাসহ একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে কর্মবিরতি পালন করছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও।

অচলাবস্থার কারণে অন্তত ছয়টি বিভাগের বিভিন্ন বর্ষ ও সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে। এসব পরীক্ষার নতুন সময়সূচিও দেওয়া হয়নি। ক্লাস বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম পিছিয়ে যাচ্ছে। অচলাবস্থা দীর্ঘ হলে সেশনজটের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত ১৪ দিন শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চুয়েট ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক থাকলেও মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরের চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন তাঁরা। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯৯ শতাংশই যৌক্তিক ও ন্যায্য দাবি নিয়ে আন্দোলন করছেন।

মানববন্ধনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ আদর্শ সামনে রেখে নতুন ও সমৃদ্ধ দেশ গঠনে যে নবজাগরণের স্বপ্ন দেখানো হয়েছে, চুয়েটের শিক্ষার্থীরা সেই দেশেরই তরুণ প্রজন্ম। তাঁদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রী তাঁদের যৌক্তিক দাবি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল। চুয়েটের প্রায় ৯৯ শতাংশ শিক্ষার্থীর যৌক্তিক দাবিও তিনি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবেন বলে তাঁদের বিশ্বাস।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁদের হুমকি দেওয়ার বিষয়টি এরই মধ্যে সামনে এসেছে।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী, আপনি আমাদের অভিভাবক। একজন অভিভাবক হিসেবে আপনি যেমন আপনার সন্তানের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন, তেমনি দেশের হাজারো শিক্ষার্থীকেও আপনার সন্তানের মতো বিবেচনা করবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

তথ্য অনুযায়ী, গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্যের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে ওই রাতেই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন থেকে শুরু হয় ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি।

পরবর্তী সময়ে লাল কার্ড প্রদর্শন, মশাল মিছিল, মুখোশ মিছিল, চোখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ, অবস্থান ও মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। ৫ অক্টোবর শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনে সংহতি জানান।

যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী যুলকারনাইন মিহাদ বলেন, ‘আজকে আমাদের আন্দোলনের ১৫তম দিন। আমরা ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখতে চাই না। আমাদের শিক্ষাজীবনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে যে দাবিতে আমরা আন্দোলনে নেমেছি, সেটির গ্রহণযোগ্য সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই।’

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘১৫ দিন ধরে ক্যাম্পাস অচল। এতে আমাদের পরীক্ষা পিছিয়ে যাচ্ছে, একাডেমিক ক্যালেন্ডারও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত সমাধান হলে আমরা সবচেয়ে বেশি স্বস্তি পাব। আমরা চাই আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সিদ্ধান্ত আসুক এবং চুয়েটে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসুক।’

বর্তমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও যুক্ত হয়েছেন। শিক্ষক সমিতি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতির সদস্যরা কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। আন্দোলনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে দীর্ঘস্থায়ী স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।

নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম অনলাইনে দায়িত্ব গ্রহণ করলেও আন্দোলনের কারণে ক্যাম্পাসে তাঁর সরাসরি কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।

চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। সমস্যা সমাধানে সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

মিঠামইনে আগুনে বসতঘর-সারের গুদাম পুড়ে কোটি টাকার ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
মিঠামইনে আগুনে বসতঘর-সারের গুদাম পুড়ে কোটি টাকার ক্ষতি

সংগ্রহীত ছবি

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে গ্যাসের চুলা থেকে লাগা আগুনে দুই তলা টিনশেডের একটি বসতঘর ও সারের গুদাম পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় প্রায় ১০ কোটি টাকার মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় মিঠামইন ফায়ার সার্ভিস। খবর পেয়ে মিঠামইন, অষ্টগ্রাম ও ইটনা ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। আগুনে দুই তলা টিনশেডের বসতঘর ও সারের গুদামটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভবনটিতে মোট ১৫টি কক্ষ ছিল।

মিঠামইন ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডিংম্যান তানভীর হাসান বলেন, “রান্নার সময় গ্যাসের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আগুনে দুই তলা টিনশেডের বসতঘর ও সারের গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনটিতে মোট ১৫টি কক্ষ ছিল।”

তিনি আরও বলেন, “আগুনে আনুমানিক ১ কোটি ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তবে প্রায় ১০ কোটি টাকার মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।”