হোসেনপুরে অনুষ্ঠিত হলো ‘পার্টনার কংগ্রেস ২০২৬’
“কৃষিই সমৃদ্ধি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘পার্টনার কংগ্রেস ২০২৬’।
প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় এ কংগ্রেসের আয়োজন করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, হোসেনপুর।
সোমবার (১৮ মে) সকালে উপজেলার আসাদুজ্জামান খান অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী এ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (আইএফএডি)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃষি, পুষ্টি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অর্থনৈতিক রূপান্তর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
হোসেনপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মহসিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. সাদিকুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপপরিচালক ইমরুল কায়েস, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মাসুমা আক্তার, কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোফাজ্জল হক, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা আব্দুল আলীম, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোছা. শাহীনা আক্তার, মুদাসিল হায়দার আলমগীর, মো. এনায়েতুল ইসলাম, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আব্দুস সালাম ও সাধারণ সম্পাদক হোসেন আলী প্রমুখ।
কংগ্রেসে বক্তারা বলেন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং বাজার সংযোগ জোরদার করা জরুরি। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃষকদের সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণে উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের আয় বৃদ্ধি, নারী ও যুবকদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ও তথ্যসেবা সহজলভ্য করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, হোসেনপুরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ ধরনের কংগ্রেসের মাধ্যমে কৃষক, উদ্যোক্তা, সরকারি কর্মকর্তা এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় সৃষ্টি হয়। এতে মাঠপর্যায়ের সমস্যা ও সম্ভাবনা সরাসরি উঠে আসে, যা নীতিনির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষক, কৃষাণী, উদ্যোক্তা, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।













