রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ ১৪৩২
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ ১৪৩২

শহিদুল আলমসহ আটক অধিকারকর্মীদের ইসরায়েলের আশদোদ বন্দরে নেয়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫, ৮:২১ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
শহিদুল আলমসহ আটক অধিকারকর্মীদের ইসরায়েলের আশদোদ বন্দরে নেয়া হয়েছে

ইসরায়েলের আশদোদ বন্দরে নেয়া হয়েছে বাংলাদেশি আলোকচিত্রশিল্পী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলমসহ গাজাগামী জাহাজবহর থেকে আটক অধিকারকর্মীদের। দখলদার ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, বুধবার গাজা উপকূলে পৌঁছানোর আগেই আন্তর্জাতিক জলসীমায় ফ্লোটিলার আটটি জাহাজ আটক করে ইসরায়েলি নৌবাহিনী। এতে প্রায় দেড়শো স্বেচ্ছাসেবীকে আটক করা হয়। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, বর্তমানে সবাই “সুস্থ আছেন” এবং দ্রুত তাঁদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

এই বহরের ‘কনশানস’ নামের জাহাজে ছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। এখন তিনি অন্যান্য মানবাধিকারকর্মীদের সঙ্গে আটক অবস্থায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।

ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি) আয়োজিত নয়টি জাহাজের এই বহরটি দুই সপ্তাহ আগে ইতালি থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। তাদের লক্ষ্য ছিল, গাজা উপত্যকার অবরুদ্ধ জনগণের জন্য চিকিৎসা ও খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়া। নৌবহরটিতে চিকিৎসক, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মীসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিক অংশ নিয়েছিলেন।

ফ্লোটিলা সংগঠকরা এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেন, “আমাদের জাহাজে ইসরায়েলি সামরিক হেলিকপ্টার থেকে হামলা চালানো হয়েছে, আটটি নৌযান অবৈধভাবে আটক ও ছিনতাই করা হয়েছে।”

তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘটনাটিকে “সমুদ্র ডাকাতি ও আন্তর্জাতিক আইনের মারাত্মক লঙ্ঘন” বলে আখ্যা দিয়েছে। দেশটি জানায়, নৌবহরে তুর্কি সংসদ সদস্য ও নাগরিকও ছিলেন। প্রেসিডেন্ট রেজেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেন, “ইসরায়েল এখন হিটলারের চেয়েও ভয়াবহভাবে গণহত্যা চালাচ্ছে।”

প্রসঙ্গত, প্রায় ১৮ বছর ধরে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবরোধ জারি রেখেছে। গত দুই বছরে এই অবরোধ আরও কঠোর করে খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানি প্রবেশ প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। চলমান হামলায় ইতিমধ্যে ৬৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো শহিদুল আলমসহ আটক কর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি ও গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দাবি করেছে।

উদ্ধার হওয়া ৫০টি চোরাই মোবাইল মালিকদের হাতে তুলে দিল কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১:০৪ পূর্বাহ্ণ
উদ্ধার হওয়া ৫০টি চোরাই মোবাইল মালিকদের হাতে তুলে দিল কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ

কিশোরগঞ্জে উদ্ধার হওয়া চোরাই মোবাইলফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছে জেলা পুলিশ। শনিবার (১৪ মার্চ ২০২৬) দুপুর ১২টায় কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব মোবাইলফোন মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেন। তিনি জানান, গত এক মাসে জেলার বিভিন্ন স্থানসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০টি চোরাই মোবাইলফোন উদ্ধার করেছে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর–হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম। পুলিশের এ ধরনের কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অপরাধ দমনে পুলিশের সক্ষমতা বাড়ছে। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান জোরদার করার আহ্বান জানান।

পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেন উদ্ধার অভিযানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত পুলিশ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নাগরিকদের জানমাল রক্ষায় এবং হারিয়ে যাওয়া সম্পদ উদ্ধারে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। এ সময় তিনি বিশেষভাবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান তালুকদারকে সফল অভিযানের জন্য ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিআইও-১ কিশোরগঞ্জ মো. সাইফুল ইসলাম, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া, পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ এবং উদ্ধার হওয়া মোবাইলফোনের মালিকরা।

হারিয়ে যাওয়া মোবাইলফোন ফিরে পেয়ে মালিকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। উপস্থিত অনেকেই বলেন, পুলিশের এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

কিশোরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

কিশোরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে শতাধিক হেফজ বিভাগের মাদরাসার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ভাস্করখিলা এলাকার মিছবাহুল উলুম মাদরাসায় হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে এ দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ইফতারের আগে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো. ফাইজুল ইসলাম এবং জিয়া সাইবার ফোর্স কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মাহফুজুল হক খান জিকু।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আজকের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সাজন আহমেদ পাপন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি খায়রুল ইসলাম এবং সভাপতিত্ব করেন কিশোরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুল আলম নজরুল।

অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কিশোরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ মিয়া এবং বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আসাউজ্জামান জুয়েল।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএমইউজে হোসেনপুর উপজেলা সভাপতি এস. কে. শাহীন নবাব, তাড়াইল উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রিপন, দৈনিক নওরোজ-এর তাড়াইল প্রতিনিধি মজিবুল হক চুন্নু। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহিনন্দ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. উজ্জ্বল, সদস্য হাবিবুর রহমান, দুলাল, বাবুল ও অলিউল্লাহসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

ইফতার মাহফিলে মাদরাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

পরিবেশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান, পাকুন্দিয়ায় র‍্যালি ও মশক নিধন কার্যক্রম

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
পরিবেশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান, পাকুন্দিয়ায় র‍্যালি ও মশক নিধন কার্যক্রম

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুপম দাসের নেতৃত্বে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

পরে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুপম দাস। এরপর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পাকুন্দিয়া থানা এবং পৌরসদর বাজার এলাকায় এ কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজ রিফাত জাহান, পাকুন্দিয়া পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ রোভার স্কাউটের সদস্যরা।