রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

হামাস-ইসরায়েল শান্তিচুক্তি, গাজাবাসীর আনন্দ-উৎসব উদযাপন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হামাস-ইসরায়েল শান্তিচুক্তি, গাজাবাসীর আনন্দ-উৎসব উদযাপন

গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধ বন্ধে শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও হামাস। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প লিখেছেন, “ইসরায়েল ও হামাস উভয়ই আমাদের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম পর্যায়ে স্বাক্ষর করেছে। এর অর্থ হলো, খুব শিগগিরই সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হবে এবং ইসরায়েল নিজেদের সেনাদের নির্ধারিত একটি লাইনে সরিয়ে নেবে।”

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই চুক্তিকে ‘ইসরায়েলের জন্য একটি মহান দিন’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি চুক্তিটি অনুমোদনের জন্য বৃহস্পতিবার সরকারের বৈঠক আহ্বান করেছেন।

অন্যদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে হামাস।

শান্তি চুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর গাজা ও ইসরায়েলে উচ্ছ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়। গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, গাজার দেইর আল-বালাহ শহরের আল-আকসা হাসপাতালের বাইরে পুরুষ ও নারী সমবেত হয়ে সঙ্গীতের তালে নাচছেন ও ‘আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি দিচ্ছেন।

গাজার বিভিন্ন স্থানে তরুণদের নাচ-গানের মাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। একইভাবে ইসরায়েলেও অনেককে শান্তি চুক্তির খবর শুনে আনন্দ উদযাপন করতে দেখা গেছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস সব পক্ষকে চুক্তির শর্ত মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এই দুর্ভোগের অবসান ঘটানো এখন জরুরি।”

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার এক বিবৃতিতে বলেন, “এটি একটি গভীর স্বস্তির মুহূর্ত। গাজার জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে একমত হওয়াকে আমি স্বাগত জানাই।”

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজও প্রথম পর্যায়ের এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাত, জিম্মি ও বেসামরিক প্রাণহানির পর এই চুক্তি শান্তির দিকে একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।”

তিনি ট্রাম্পের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং আলোচনায় মিশর, কাতার ও তুরস্কের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

চাঁদা না দেওয়ায় অফিসকক্ষে প্রকৌশলীকে মারধরের অভিযোগ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
চাঁদা না দেওয়ায় অফিসকক্ষে প্রকৌশলীকে মারধরের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জে চাঁদার টাকা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মাহমুদুল ইসলাম (৪০) নামে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির চার কর্মচারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযুক্ত চারজন হলেন—সোয়াইর আহমেদ (৪২), আবু বকর সিদ্দিক (৫৫), জাকির হোসেন (৩৬) ও ইশতিয়াক আহমেদ (৩৮)। তারা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন পদে কর্মরত বলে জানা গেছে।

মাহমুদুল ইসলামের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে একটি কেন্দ্রীয় নেতার সংবর্ধনা আয়োজনের কথা বলে অভিযুক্তরা তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করেন। তবে তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে গালিগালাজ ও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অভিযুক্ত চারজন মাহমুদুল ইসলামের অফিসকক্ষে গিয়ে পুনরায় চাঁদার টাকা দাবি করেন। তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে কিল-ঘুষি দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি করেছেন মাহমুদুল ইসলাম।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অন্য কর্মচারীরা এগিয়ে এসে মাহমুদুল ইসলামকে উদ্ধার করেন। এরপর তাঁকে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা নেওয়ার পর তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেন।

পরে ঘটনার প্রতিকার চেয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেন তিনি।

মাহমুদুল ইসলাম বলেন, “চাঁদার টাকা না দেওয়ায় আমাকে অফিসের ভেতরে মারধর করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”

তবে অভিযুক্ত আবু বকর সিদ্দিক অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। চাঁদা দাবির বিষয়টিও সত্য নয়। সিবিএ নিয়ে মাহমুদুল ইসলামের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি আমার গায়ে হাত তোলেন। পরে ধাক্কাধাক্কি হলে আমি দুজনকে ছাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি। এ সময় তাঁর শরীরে আঘাত লাগতে পারে, তবে আমরা তাঁকে মারধর করিনি।”

তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে অভিযোগ করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুন্সী আমির ফয়সাল বলেন, “ঘটনাটি তদন্ত করে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব। তাঁরা যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সে অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া বলেন, “এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে, ঘটনাটি চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে নাকি কর্মক্ষেত্রের অন্য কোনো বিরোধের জেরে ঘটেছে—তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। পুলিশি তদন্তে অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ আ’লীগের ১১ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ আ’লীগের ১১ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পৃথক চিরুনি অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় দুজন, করিমগঞ্জে একজন, হোসেনপুরে একজন, কটিয়াদীতে তিনজন, ভৈরবে একজন, নিকলীতে দুজন এবং ইটনায় একজন রয়েছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেকান্দর আলী (৪৫), মাইজখাপন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. খোকন মিয়া (৫৫), হোসেনপুরের গোবিন্দপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. দুলাল মিয়া (৫৩), ইটনা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. আবু তালেব (৪৩), করিমগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক মো. প্রান্ত (২৪), নিকলী আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য মোহাম্মদ আলী বিজয় (৪১) ও মো. আলমগীর (৩০), ভৈরবের শ্রীনগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. স্বপন আহমেদ (৪০), কটিয়াদীর ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য মো. মিয়াদ (৪০), আওয়ামী লীগের ইউপি সহসভাপতি মো. গোলাপ মিয়া (৫৮) এবং যুবলীগের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি তোতা মিয়া (৪২)।

জেলা পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পুলিশ আরও জানায়, কিশোরগঞ্জ জেলাকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

তাড়াইলে ৩১০ পিস নিষিদ্ধ জাল জব্দ, জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস

রুহুল আমিন প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে ৩১০ পিস নিষিদ্ধ জাল জব্দ, জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নে অভিযান চালিয়ে ২৮৫ পিস নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ২৫ পিস চায়না দুয়ারী (রিং) জাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা এসব জালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। পরে জব্দকৃত জালগুলো জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাড়াইল সদর বাজারে মাছুম মিয়া নামের এক ব্যবসায়ীর দোকানে অভিযান পরিচালনা করে এসব জাল জব্দ করা হয়। উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন তাড়াইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিসান আলী।

অভিযান চলাকালে উপজেলা ভূমি অফিসসংলগ্ন মেসার্স লাবিব পোল্ট্রি ফিড অ্যান্ড মেডিসিন নামের একটি প্রতিষ্ঠানে লাইসেন্স না থাকায় ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। মৎস্য ও পশুখাদ্য-সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী এ জরিমানা করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

পরে জব্দ করা নিষিদ্ধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারী (রিং) জাল তাড়াইল উপজেলা পরিষদের খোলা জায়গায় নিয়ে জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন তাড়াইল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রাশেদুজ্জামান মিয়া, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন এবং অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মারুফ আকন্দ। তাড়াইল থানার পুলিশ সদস্যরাও অভিযানে সহযোগিতা করেন।

তাড়াইল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন বলেন, দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি রক্ষায় নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিসান আলী বলেন, অবৈধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার জলজ সম্পদ ও প্রাকৃতিক প্রজনন ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক হুমকি। টেকসই মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।