বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

৯/১১ হামলার মূল পরিকল্পনাকারী খালিদ শেখ মোহাম্মদের আপিল খারিজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
৯/১১ হামলার মূল পরিকল্পনাকারী খালিদ শেখ মোহাম্মদের আপিল খারিজ

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত খালিদ শেখ মোহাম্মদ ও তাঁর দুই সহযোগীর আপিল আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট। এর ফলে মৃত্যুদণ্ড এড়াতে তাঁদের করা আইনি আবেদন নাকচ হলো এবং মামলায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান বহাল থাকল।

সোমবার প্রকাশিত সুপ্রিম কোর্টের আদেশের তালিকায় খালিদ শেখ মোহাম্মদ বনাম যুক্তরাষ্ট্র মামলাটি শুনতে অস্বীকৃতি জানানোর সিদ্ধান্ত জানানো হয়। তবে এ সিদ্ধান্তের পক্ষে আদালত কোনো লিখিত ব্যাখ্যা দেননি। সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের প্রশাসনের সময় গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকার কারণে বিচারপতি ব্রেট কাভানা এ মামলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন।

২০২৪ সালে তিন আসামির সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের একটি সমঝোতা হয়েছিল। ওই সমঝোতা অনুযায়ী, তাঁরা অপরাধ স্বীকার করে বিচারপ্রক্রিয়ায় সম্মত হলে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে না। তবে হামলায় নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের তীব্র ক্ষোভ ও আপত্তির মুখে তৎকালীন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন কয়েক দিনের মধ্যেই সমঝোতাটি বাতিল করেন। অস্টিন জানান, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব তাঁর নিজের কাছেই থাকা উচিত।

সমঝোতা বাতিলের পর খালিদ শেখ মোহাম্মদ, ওয়ালিদ বিন আত্তাশ ও মুস্তফা আল-হাউসাউই আইনি লড়াই শুরু করেন। প্রাথমিক পর্যায়ে একটি সামরিক আদালত আসামিদের পক্ষে রায় দিলেও পরে ওয়াশিংটন ডিসি সার্কিটের আপিল আদালত লয়েড অস্টিনের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন। এরপর আসামিরা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন। সর্বোচ্চ আদালত সেই আবেদন শুনতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাঁদের মৃত্যুদণ্ড এড়ানোর আইনি প্রচেষ্টা আরেকটি বড় বাধার মুখে পড়ল।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে আল-কায়েদার সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলায় প্রায় তিন হাজার মানুষ নিহত হন। ওই হামলার পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগে খালিদ শেখ মোহাম্মদ ও তাঁর দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে ২০০৮ সালে প্রথম সামরিক আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। ২০০৬ সাল থেকে তাঁরা কিউবার গুয়ান্তানামো বে-তে অবস্থিত মার্কিন সামরিক কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

দীর্ঘ আইনি জটিলতার কারণে মামলাটির বিচারপ্রক্রিয়া বারবার বিলম্বিত হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৮ সালের জুনে সামরিক আদালতে তাঁদের বিচার শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রায় ২৫ বছর আগে সংঘটিত হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিচার ও সাজা নির্ধারণের প্রক্রিয়া শেষ করতে মার্কিন সরকার দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

কুমিল্লায় কর্ণফুলী কমিউটার লাইনচ্যুত, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
কুমিল্লায় কর্ণফুলী কমিউটার লাইনচ্যুত, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

কুমিল্লার লাকসামে নাওটি রেলওয়ে স্টেশনের আউটারে কর্ণফুলী কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। বুধবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা অভিমুখী আপলাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে ডাউনলাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক আছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।

দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লাকসাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজিব চন্দ্র কর। তিনি জানান, ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

ওসি আরও জানান, লাইনচ্যুত ট্রেনটি উদ্ধারে রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর কাজ শুরু হবে। উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আপলাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে ডাউনলাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

গুজব ও উগ্রতার বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে তরুণদের: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
গুজব ও উগ্রতার বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে তরুণদের: রাষ্ট্রপতি

তরুণ প্রজন্মকে সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গুজব, অপপ্রচার ও ধর্মীয় উগ্রতার মাধ্যমে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সবাইকে দৃঢ় ও আপসহীন থাকতে হবে।

আজ সকালে শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী ২০২৬ উপলক্ষে বঙ্গভবনে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এই দেশ সবার। সবাইকে মিলেই দেশ গড়তে হবে। কোনো অপশক্তিকে বিভেদ সৃষ্টি করে জাতীয় ঐক্য ও অগ্রগতি বিনষ্ট করতে দেওয়া যাবে না। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে নিরাপদ, গণতান্ত্রিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

বিজয়া দশমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আজকের এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানে বঙ্গভবনে আপনাদের স্বাগত জানাতে পেরে আমি আনন্দিত।’

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যখন যুদ্ধ, সহিংসতা ও সাম্প্রদায়িক হানাহানি চলছে, তখন বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ উৎসব পালন করছেন। এটি দেশের সবচেয়ে বড় অর্জন। এ সম্প্রীতি বাংলাদেশের শক্তি ও অস্তিত্বের অংশ, যা যেকোনো মূল্যে অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের মানুষ অসাম্প্রদায়িক। হাজার বছর ধরে এ ভূখণ্ডে সব ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে একসঙ্গে বসবাস করে আসছেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধসহ সব গণতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণকে জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, দুর্গাপূজার অন্তর্নিহিত বাণী হলো অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের জয়।

ধর্ম, বর্ণ বা গোষ্ঠীগত পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিক বৈষম্য বা নিপীড়নের শিকার হওয়া গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি। সব ধর্মের মানুষের জন্য সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে একটি জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারও সবার। হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—আমরা সবাই এ দেশের নাগরিক। সংবিধান প্রত্যেককে সমান অধিকার, মর্যাদা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা দিয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।’

সব ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান রাষ্ট্রপতি।

এর আগে বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি উপস্থিত হলে ‘হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট’, ‘বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট’, ‘বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ’ এবং ‘মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি’র নেতারা তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

পরে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে আসা অতিথি ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তাঁর সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন, প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার এবং রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাড়ে ছয় বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রায় ৮ হাজার শিশু

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২২ অপরাহ্ণ
সাড়ে ছয় বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রায় ৮ হাজার শিশু

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিনই ঝরছে শিশুর প্রাণ। ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাড়ে ছয় বছরে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে ৭ হাজার ৯৬৩ শিশু। নিহতদের মধ্যে ৩৭ শতাংশের বেশি ছিল মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী। এ ছাড়া পথচারী হিসেবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ২ হাজার ৮১২ শিশুর।

বুধবার (২১ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, নিহত শিশুদের ৩৪ শতাংশের বেশি প্রাণ হারিয়েছে গ্রামীণ সড়কে। বয়সভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের মধ্যে। এ বয়সসীমায় নিহত হয়েছে ৩ হাজার ৫৪৭ জন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়া-আসার পথেও নিরাপদ নয় শিশুরা। এই সময়ে স্কুল-কলেজে যাতায়াতের পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে ২ হাজার ৫১৩ শিশু। অর্থাৎ, শিক্ষার জন্য ঘর থেকে বের হয়েও অনেক শিশু আর পরিবারের কাছে ফিরতে পারেনি।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, শিশুদের জন্য নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে না পারা, ট্রাফিক আইন সম্পর্কে অসচেতনতা এবং অদক্ষ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকদের কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।

মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী হিসেবে শিশুদের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মৃত্যুর ঘটনা যানবাহন ব্যবহারে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বয়স অনুযায়ী চালনার বিধিনিষেধ কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে। অন্যদিকে, পথচারী হিসেবে ২ হাজার ৮১২ শিশুর মৃত্যু ফুটপাত, নিরাপদ পারাপার ও সড়ক ব্যবস্থাপনার ঘাটতির বিষয়টিও সামনে এনেছে।

গ্রামীণ সড়কে শিশুদের বেশি মৃত্যুর তথ্যও উদ্বেগজনক। সড়কের নকশা, যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত সতর্কসংকেত এবং নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা না থাকলে শিশুদের দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।

শিশুদের সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু কমাতে সড়ক পরিবহন আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন, আইন লঙ্ঘনকারী চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

এ ছাড়া শিশুদের নিরাপদে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত নিশ্চিত করা, অপ্রাপ্তবয়স্কদের মোটরযান চালানো প্রতিরোধ এবং পথচারীবান্ধব সড়কব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সাড়ে ছয় বছরে প্রায় আট হাজার শিশুর প্রাণহানির এই পরিসংখ্যান সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট করে তুলেছে। কার্যকর আইন প্রয়োগ, নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো এবং সম্মিলিত সচেতনতার মাধ্যমে শিশুদের সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো জরুরি।