ভ্যান্সের চিঠিতে আলোচনার প্রস্তাব, ইতিবাচক দেখছে ইরান
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাঠানো এক চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের সুর ‘সম্পূর্ণ বদলে গেছে’ বলে দাবি করেছেন ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মহসেন রেজাই। মার্কিন কূটনৈতিক প্রস্তাবের বিষয়ে এটিই তেহরানের প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।
কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ভ্যান্সের চিঠিটি মহসেন রেজাইয়ের কাছে পৌঁছেছে। এএনআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিঠিতে জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আলোচনার বিষয়বস্তুর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিও রয়েছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে চিঠিটি তৈরি করা হয়েছে। এটি মূলত দুই দেশের মধ্যে আলোচনার একটি রূপরেখা। চিঠিটি পর্যালোচনার পর সংলাপে বসতে ওয়াশিংটনের উদ্যোগকে ‘ইতিবাচক পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মহসেন রেজাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সুর পুরোপুরি বদলে গেছে। এটি একটি ভালো লক্ষণ এবং এর মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় যে ইরানের জনগণ বিজয় নিশ্চিত করেছে।
আলজাজিরার সূত্রে জানা গেছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কাতারের রাজধানী দোহা অথবা তুরস্কের ইস্তাম্বুলে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হতে পারে। ইরানের একজন প্রতিনিধি ইতোমধ্যে দোহায় অবস্থান করছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে কূটনৈতিক আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হলেও সামরিক সংঘাতের বিষয়ে কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল কোনো সামরিক কিংবা সন্ত্রাসী হামলা চালালে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী ভৌগোলিক সীমারেখার তোয়াক্কা না করে কঠোর জবাব দেবে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান বর্তমানে বড় ধরনের বিপদের মুখে রয়েছে এবং সংঘাত এড়াতে দেশটি সংলাপে বসতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।










Disqus comments are not configured yet.