রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

২০ দিন বাকী নির্বাচনের, প্রচারণায় কি করতে পারবেন প্রার্থীরা: ইসির আচরণবিধি

ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
২০ দিন বাকী নির্বাচনের, প্রচারণায় কি করতে পারবেন প্রার্থীরা: ইসির আচরণবিধি

তফশিল অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর ২০ দিন বাকি। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে সারা দেশে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। এই প্রচারের জন্য ২০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে, অর্থাৎ আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচার চালানো যাবে।

নির্বাচনি প্রচার চলাকালে প্রার্থীরা কী করতে পারবেন এবং কোন বিষয়গুলো এড়িয়ে চলতে হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে ইসি। এছাড়া, ইসির পক্ষ থেকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব প্রার্থী ও সংশ্লিষ্টদের আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রচার ও জনসভাঃ প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার চালাতে পারবেন। তবে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মতো বক্তব্য, বিদ্বেষমূলক প্রচার বা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।

এবারের নির্বাচনে প্রচার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না, যা দেশে প্রথমবারের মতো দেওয়া হয়েছে। তবে নির্বাচনি জনসভা বা সমাবেশ আয়োজন করার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। তবে সভা-সমাবেশ আয়োজনের কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা আগে দিন, তারিখ ও সময় লিখিতভাবে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে সভা-সমাবেশ করা যাবে না।

পথসভা ও যানবাহনঃ সড়ক, মহাসড়ক বা জনপথে জনসভা বা পথসভা করলে ব্যবস্থা নেবে ইসি। প্রার্থীর পক্ষে বিদেশে কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশ আয়োজন নিষিদ্ধ। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী নির্বাচনি প্রচারের অবিচ্ছেদ্য অংশ পোস্টারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। পলিথিন বা রেকসিন ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা।

একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন, যার কোনোটি দৈর্ঘ্যে ১৬ ফুট এবং প্রস্থে ৯ ফুটের বেশি হবে না। নির্বাচনি প্রচারে ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনেও রয়েছে বিধিনিষেধ। ব্যানার সর্বোচ্চ ১০ ফুট বাই ৪ ফুট, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল সর্বোচ্চ এ-ফোর আকৃতির, ফেস্টুন সর্বোচ্চ ১৮ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি হতে পারবে।

প্রচারসামগ্রীর মধ্যে প্রার্থীর ছবি বা প্রতীক ছাড়া অন্য কোনো ছবি বা প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না। প্রার্থীর ছবি হতে হবে শুধুমাত্র পোর্ট্রেট আকারে এবং সর্বোচ্চ ৬০ সেন্টিমিটার বাই ৪৫ সেন্টিমিটার। নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীরা কেবল দলীয় প্রধানের ছবি ব্যবহার করতে পারবেন। প্রতীকের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা উচ্চতা ৩ মিটার ছাড়াতে পারবে না।

ডিজিটাল প্রচার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা(এআই): প্রার্থী, তাদের নির্বাচনি এজেন্ট বা প্রতিনিধি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালাতে পারবেন। তবে প্রচার শুরুর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থী, দল বা সংশ্লিষ্ট পেজের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি ও ই-মেইলসহ শনাক্তকরণ তথ্য জমা দিতে হবে। অসৎ উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার নিষিদ্ধ।

ঘৃণামূলক বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্টঃ ঘৃণাত্মক, মিথ্যা বা বিকৃত তথ্য প্রচার করা যাবে না। প্রতিপক্ষ, নারী, সংখ্যালঘু বা কোনো জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক বা উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার, ধর্মীয় বা জাতিগত অনুভূতি ব্যত্যয়ও নিষিদ্ধ। প্রচার কনটেন্ট প্রকাশের আগে সত্যতা যাচাই করা বাধ্যতামূলক, মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, অশ্লীল বা মানহানিকর কনটেন্ট তৈরি ও শেয়ার করা যাবে না। গুজব ও AI অপব্যবহার প্রতিরোধের জন্য নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

অন্যান্য নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে: বাস, ট্রাক, নৌযান, মোটরসাইকেল বা অন্য যান্ত্রিক বাহন নিয়ে মিছিল, জনসভা বা শোডাউন নিষিদ্ধ। মশাল মিছিলও করা যাবে না। রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে দলীয় প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া হেলিকপ্টার বা আকাশযান ব্যবহার নিষিদ্ধ। ভোটার স্লিপে প্রার্থীর নাম, ছবি বা প্রতীক উল্লেখ করা যাবে না। তোরণ নির্মাণ বা আলোকসজ্জাও নিষিদ্ধ।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা দেড় লাখ টাকা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড প্রযোজ্য। দলের ক্ষেত্রে এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। প্রমাণিত হলে প্রার্থিতাও বাতিল করার ক্ষমতা ইসির হাতে রয়েছে।

অষ্টগ্রামে নদীভাঙন প্রতিরোধে এমপি ফজলুর রহমানের উদ্যোগে শুরু ড্রেজিং কার্যক্রম

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
অষ্টগ্রামে নদীভাঙন প্রতিরোধে এমপি ফজলুর রহমানের উদ্যোগে শুরু ড্রেজিং কার্যক্রম
  • কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামের বাঙালপাড়া ইউনিয়নে ভয়াবহ নদীভাঙন থেকে নোয়াগাঁও গ্রাম ও বাঙালপাড়া-নোয়াগাঁও সড়ক রক্ষায় মেঘনা নদীতে ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের উদ্যোগে কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত বছর আগে বাঙালপাড়া-নোয়াগাঁও সড়কটি ৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়। সম্প্রতি সড়কটির পুনঃসংস্কারের জন্য ১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে সংস্কারকাজ চলাকালে মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙনে লাওড়া ও নোয়াগাঁও গ্রামের মধ্যবর্তী সড়কের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং নোয়াগাঁও গ্রামও হুমকির মুখে পড়ে।
    এ মাসের শুরুতে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ভাঙনপ্রবণ এলাকায় ৮ হাজার জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি সড়ক রক্ষায় নদীর গতিপথ পরিবর্তনের লক্ষ্যে শনিবার (২৩ মে) দুপুর থেকে ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু করা হয়।
    বাঙালপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোর্শেদ-ই কামাল বলেন, বাঙালপাড়া-নোয়াগাঁও সড়কের পাশ দিয়ে প্রবাহিত মেঘনা নদীতে নতুন চর জেগে ওঠায় নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে সড়কভাঙন শুরু হয়েছে। নদীর গতিপথ পরিবর্তন করেই কেবল ভাঙন রোধ সম্ভব বলে তিনি মত দেন।
    উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদ বলেন, ড্রেজিং কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলে নোয়াগাঁও গ্রাম, বাঙালপাড়া-নোয়াগাঁও সড়ক এবং আশপাশের কৃষিজমি নদীভাঙনের কবল থেকে রক্ষা পাবে।
    এ বিষয়ে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেন, “নদীভাঙন সমস্যার সমাধানে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। হাওরবাসীর সব সমস্যা সমাধানে আমি অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।”

 

জেলা পরিষদ প্রশাসকের খামারে চুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
জেলা পরিষদ প্রশাসকের খামারে চুরি

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার রশিদাবাদ ইউনিয়নের বেরুয়াইল এলাকায় অবস্থিত জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খানের মালিকানাধীন ‘কিশোরগঞ্জ এগ্রো বেইজ ফার্ম লিমিটেড’-এ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকার কিছু বখাটে, নেশাগ্রস্ত ও উশৃঙ্খল যুবকদের প্রতি সন্দেহ প্রকাশ করে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, খামারটির তত্ত্বাবধায়ক মো. আ. মতিন মিয়া গত ২৩ মে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে এ অভিযোগ দাখিল করেন। তিনি বেরুয়াইল গ্রামের বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে খামারটির দেখভালের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২২ মে সন্ধ্যায় প্রতিদিনের মতো দায়িত্ব পালন শেষে মতিন মিয়া নিজ বাড়িতে চলে যান। পরদিন ২৩ মে ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে খামারে ফিরে এসে তিনি দেখতে পান, খামারের বিভিন্ন বৈদ্যুতিক তার, সেচ মটরের তারসহ গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক মালামাল চুরি হয়ে গেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, এর আগেও খামারটিতে একাধিকবার ধাপে ধাপে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে- বৈদ্যুতিক তার ও সেচ মটরের তার, চারটি ব্যাটারি যার মধ্যে দুটি সোলার ব্যাটারি এবং চারটি সেচ মটর। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
খামারটিতে নৈশপ্রহরী থাকা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সুযোগে একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্র পরিকল্পিতভাবে এ চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া অভিযোগকারী দাবি করেন, দিনের বেলায় এলাকার কিছু বখাটে, নেশাগ্রস্ত ও উশৃঙ্খল যুবককে খামারের আশপাশে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। তারা মাঝে মধ্যে খামারের ভেতরে প্রবেশ করে ফল-ফলাদি সংগ্রহ করেও খেয়ে থাকে। এসব কারণে তাদের অথবা তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।
অভিযোগে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার পক্ষ থেকে অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।

হোসেনপুরের গোবিন্দপুর ইউনিয়নে বিনামূল্যে ভিজিএফ চাল বিতরণ শুরু

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরের গোবিন্দপুর ইউনিয়নে বিনামূল্যে ভিজিএফ চাল বিতরণ শুরু

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে ভিজিএফ (VGF) খাদ্যশস্য (চাল) বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকারের এ কর্মসূচির আওতায় স্থানীয় দুস্থ, অসহায় ও নিম্নআয়ের পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

গত ২১ মে (বৃহস্পতিবার) থেকে গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ কার্যক্রম আগামী ৫ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত চলমান থাকবে।

এবারের কর্মসূচিতে গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ৭ হাজার তালিকাভুক্ত পরিবারকে জনপ্রতি ১০ কেজি করে বিনামূল্যে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সুশৃঙ্খলভাবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান, হোসেনপুর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে আলম এরশাদ, ৩ নম্বর গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মানিক মিয়া, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিদ্দিক হোসেন মেম্বারসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বিতরণ কার্যক্রম চলাকালে উপকারভোগীদের মাঝে স্বস্তি ও সন্তোষ লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই বলেন, ঈদের আগে এই সহায়তা তাদের পরিবারের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি এনে দিয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিয়মিত তদারকি করছেন।