রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

নির্বাচিত হলে ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বণ্টনের আশ্বাস হাসনাত কাইয়ুমের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নির্বাচিত হলে ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বণ্টনের আশ্বাস হাসনাত কাইয়ুমের

জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হলে ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বণ্টনের আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম। কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের এই স্বতন্ত্র প্রার্থী শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুরে আয়োজিত এক পথসভায় এসব কথা বলেন।

হাসনাত কাইয়ুম বলেন,
‘আমি নির্বাচিত হলে জলমহাল উন্মুক্ত করে বাজিতপুর-নিকলীকে কৃষি ও প্রাকৃতিক মাছের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলব। একটি সাঁতার ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করব।’

তিনি আরও বলেন, দেশের নদ-নদী, হাওর-বাঁওড়, বিল ও হাটবাজারসহ সব ধরনের ইজারা বাতিল করে স্থানীয় বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন,
‘আপনারা যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন, ভালো মনে করেন—তবে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।’

নির্বাচিত হলে বাজিতপুর-নিকলী এলাকায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অবসান ঘটানোর ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন,
‘হাওরাঞ্চলে কৃষির পাশাপাশি নিরাপদ গরুর বাথান পুনরায় চালু করা, পরিবেশবান্ধব পর্যটনশিল্পের প্রসার এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।’

পরে তিনি উপজেলার বোর্ডবাজার, বাংলাবাজার, সরারচরসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করেন। এসব সভায় বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলাকে সংস্কার ও উন্নয়নের একটি মডেল অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং এ জন্য স্থানীয় জনগণের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

দীর্ঘদিন ধরে ‘রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন’ নামে একটি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন হাসনাত কাইয়ুম। তবে বিভিন্ন কারণে দলটি এখনো নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পায়নি। সে কারণে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

বুধবার তিনি হরিণ প্রতীক বরাদ্দ পান। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার শোভারামপুরে তাঁর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই জারু মিয়ার কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন।

শহীদ জিয়ার অবদান ইতিহাসে অম্লান: কটিয়াদীতে বিএনপির আলোচনা সভা

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৮:২৬ পূর্বাহ্ণ
শহীদ জিয়ার অবদান ইতিহাসে অম্লান: কটিয়াদীতে বিএনপির আলোচনা সভা

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনের প্রণেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, দোয়া মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় কটিয়াদী উপজেলার স্বপ্নকুঞ্জ কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয়। পরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর অবদান, স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠনে তাঁর ভূমিকা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর ঐতিহাসিক অবদান নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জায়দুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান কাঞ্চন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কটিয়াদী পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল সরকার, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম ফারুক চাষী, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান বাচ্চু, সৈয়দ সামসুল আরেফিন তারা ও মো. আতিকুর রহমান আতিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক চাঁন মিয়া মাস্টার, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আজিজুল হক শাহজাহান ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম বাবলু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান মাসুদ ও সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম সেতু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. ইলিয়াস আলী, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মো. জিল্লুর রহমান ও সদস্য সচিব আব্দুল আজিজ প্রিন্স, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মুশফিকুর রহমান উবায়দুর এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তসরিফুল হাসিবসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অনন্য রাষ্ট্রনায়ক। স্বাধীনতার ঘোষণা, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠন, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিকাশে তাঁর অবদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকবে।

বক্তারা আরও বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাল খনন কর্মসূচি, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, যুবসমাজকে কর্মমুখী করে তোলা এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে শহীদ জিয়ার বিভিন্ন পদক্ষেপ আজও দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ নেতা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ছিলেন আপসহীন।

বক্তারা শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে আরও বেগবান করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন জালালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মাসুদুল আলম মাসুদ।

দোয়া মাহফিল শেষে উপস্থিত নেতাকর্মী ও অতিথিদের মাঝে মিষ্টি ও তবারক বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপজেলা ও পৌর বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

‘জিয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছে বিএনপি’- কিশোরগঞ্জে ভিপি সোহেল

রেজাউল হক প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
‘জিয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছে বিএনপি’- কিশোরগঞ্জে ভিপি সোহেল

মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ মে) বিকেল ৫টায় শহরের আখড়া বাজার ব্রিজ সংলগ্ন মুক্তমঞ্চে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান (ভিপি সোহেল)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবন, স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর অবদান, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে তাঁর ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তাঁরা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জিয়াউর রহমানের অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ভিপি সোহেল বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও উন্নয়ন দর্শন আজও দেশের মানুষের কাছে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তাঁর যোগ্য উত্তরসূরি বিএনপির চেয়ারম্যান, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন উন্নয়নমুখী ও জনবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন।”

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি হাওরাঞ্চলের কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় কৃষকরা নগদ সহায়তার চেয়ে খাল খননের দাবি বেশি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন। খাল পুনঃখনন করা গেলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকরা দীর্ঘমেয়াদে উপকৃত হবেন। তিনি বলেন, কৃষিবান্ধব উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ভিপি সোহেল বলেন, “যারা দীর্ঘ ১৭ বছর প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও দলের পাশে থেকেছেন, তাদের অবদান কখনোই মূল্যহীন হবে না। বিএনপি এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করবেন, ইনশাআল্লাহ।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল হুসাইন, জেলা যুবদলের সভাপতি মুশতাক আহমেদ শাহীন, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি রফিকুল ইসলামসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল আমিন উজ্জ্বল, রশিদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সিরাজুল হক, সাধারণ সম্পাদক মুর্শিদ উদ্দীন, যশোদল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জালাল উদ্দিন, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজুয়ানুল আলম জোসেফ, সহ-দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ নেভীন, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

বক্তারা বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশপ্রেম ও উন্নয়ন দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তাঁরা তাঁর আত্মত্যাগ ও কর্মময় জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

কৃষকের পাশে সরকার: কুলিয়ারচরে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সহায়তা বিতরণ

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
কৃষকের পাশে সরকার: কুলিয়ারচরে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সহায়তা বিতরণ

অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হাওরাঞ্চলের কৃষকদের পাশে দাড়িয়েছে সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (২৭ মে) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে চাল ও নগদ অর্থ তুলে দেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপি।

কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে হাওরাঞ্চলের অনেক কৃষক ফসলের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। কৃষকদের সেই দুর্ভোগ লাঘবে সরকার দ্রুত মানবিক সহায়তা কার্যক্রম শুরু করেছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেন, “বর্তমান সরকার সবসময় কৃষকের পাশে রয়েছে। হাওরাঞ্চলের কোনো কৃষক যেন দুর্ভোগে না থাকে, সে লক্ষ্যেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে সহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হচ্ছে। সরকারের এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পর্যায়ক্রমে উপজেলার আরও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে সহায়তা বিতরণ করা হবে।

স্থানীয় কৃষকরা সরকারের এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য এ ধরনের সহায়তা অনেকটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।