রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

ঝিনাইগাতীতে চেয়ার দখল নিয়ে সহিংস সংঘর্ষ: হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:০০ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ঝিনাইগাতীতে চেয়ার দখল নিয়ে সহিংস সংঘর্ষ: হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু

শেরপুর-৩ (ঝিনাইগাতী–শ্রীবরদী) আসনে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় গুরুতর আহত জামায়াত নেতা মাওলানা রেজাউল করিম মারা গেছেন।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত ৯টা ২০ মিনিটে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। রাত ১০টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়। নিহত রেজাউল করিমের মরদেহ বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহত মাওলানা রেজাউল করিম শ্রীবরদী উপজেলার গড়জরিপা ইউনিয়নের চাউলিয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মাওলানা আব্দুল আজিজের ছেলে এবং শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ফতেহপুর ফাজিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বুধবার ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চেয়ার দখলকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাগবিতণ্ডা, পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল দুপুর ২টায়। কিন্তু তার আগেই জামায়াতের নেতাকর্মীরা নির্ধারিত চেয়ারগুলো দখল করে নেন। পরে বিএনপি প্রার্থী ও তার নেতাকর্মীরা এসে বসার জায়গা না পেলে বিষয়টি ইউএনওকে জানান। প্রশাসন চেয়ার ভাগাভাগির চেষ্টা করলে জামায়াতের নেতাকর্মীরা এতে আপত্তি জানান।

একপর্যায়ে মঞ্চ থেকে চেয়ার ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকে বারবার পরিস্থিতি শান্ত রাখার আহ্বান জানানো হলেও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, উভয় পক্ষের মধ্যে লাঠি, সোটা ও পাইপ নিয়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন মাওলানা রেজাউল করিম। প্রথমে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল অভিযোগ করে বলেন, “আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকেরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। বিচার না হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”

অন্যদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সংঘর্ষের সূত্রপাত জামায়াত নেতাকর্মীদের আচরণ থেকেই হয়েছে এবং তাদের দুইজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

কুলিয়ারচরে সিএনজি-ট্রলির সংঘর্ষে বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়ল, আহত যাত্রী

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ
কুলিয়ারচরে সিএনজি-ট্রলির সংঘর্ষে বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়ল, আহত যাত্রী

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে সিএনজি অটোরিকশা ও ট্রলির সংঘর্ষে কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের তীব্রতায় সড়কের পাশে থাকা একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে। রোববার (৯ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে কুলিয়ারচর ডাকবাংলো মোড় থেকে বাজারমুখী সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজি অটোরিকশা কুলিয়ারচর বাজারের দিকে যাচ্ছিল। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রলির সঙ্গে সিএনজি অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং এর কয়েকজন যাত্রী আহত হন।

দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে আশপাশের বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে তারা দুমড়েমুচড়ে যাওয়া সিএনজি থেকে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠান।

সংঘর্ষের জোরালো ধাক্কায় সড়কসংলগ্ন একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে যায়। এতে দুর্ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য ওই সড়কে যান চলাচলেও বিঘ্ন সৃষ্টি হয় বলে স্থানীয়রা জানান।

এ দুর্ঘটনার পর কুলিয়ারচরের সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে আবারও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, ভোরের দিকে পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম ছাড়া চালকেরা যানবাহন চালানোর কারণে অনেক সময় একাগ্রতা হারান, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

এ ছাড়া অপ্রাপ্তবয়স্ক, অদক্ষ ও লাইসেন্সবিহীন চালকদের হাতে ট্রলি ও অটোরিকশার নিয়ন্ত্রণ থাকায় সড়কে ঝুঁকি আরও বাড়ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। এসব যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নজরদারিরও দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কুলিয়ারচরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে ট্রলিসহ অবৈধ যানবাহনের চলাচল বন্ধ, চালকদের দক্ষতা যাচাই এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনের দৃশ্যমান পদক্ষেপ দাবি করেছেন।

ভৈরব রেলস্টেশনে চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:১১ পূর্বাহ্ণ
ভৈরব রেলস্টেশনে চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে জংশন স্টেশনে চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় মরিয়ম বেগম (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) রাত আনুমানিক সোয়া ১০টার দিকে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে এ দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহত মরিয়ম বেগম কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মাহবুব মিয়ার স্ত্রী।

রেলওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মরিয়ম বেগম ভৈরব রেলওয়ে জংশন স্টেশনে এগারসিন্দুর ট্রেনের অপেক্ষায় ছিলেন। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ব্রাহ্মণবাড়িয়াগামী তিতাস কমিউটার ট্রেনটি স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করছিল। তখন প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা মরিয়ম বেগম অসতর্কতাবশত চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় রেললাইনে পড়ে যান। এতে ট্রেনের চাকায় তার একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং অপর পায়েও গুরুতর আঘাত লাগে।

পরে স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মমিনুর রহমান বলেন, “মরিয়ম বেগমকে হাসপাতালে আনার পর দেখা যায়, তার একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং অপর পাটিও গুরুতরভাবে জখম হয়েছে। আমরা চিকিৎসা দেওয়ার সময় রাত ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি মারা যান।”

ভৈরব রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হাসান বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে যায়। আহত নারীর উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং তাঁর খোঁজখবর নিতে পুলিশ সেখানে পৌঁছে জানতে পারে, তিনি মারা গেছেন। মরিয়মের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”

১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কিশোরগঞ্জ সফরে মাছের পোনা অবমুক্তসহ থাকছে নানা কর্মসূচি

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কিশোরগঞ্জ সফরে মাছের পোনা অবমুক্তসহ থাকছে নানা কর্মসূচি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সফরকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সফরকালে তিনি উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত, সফল মৎস্য উদ্যোক্তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মাননা প্রদান, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়ার কর্মসূচির উদ্বোধন এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের রাষ্ট্রীয় ভাতা প্রদান কার্যক্রমের সূচনা করবেন।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে মতবিনিময় সভা ও প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সফরের বিভিন্ন কর্মসূচি, প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য উন্নয়নমূলক উদ্যোগ নিয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি তুলে ধরেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরের অন্যতম কর্মসূচি হিসেবে তিনি উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করবেন। এর মাধ্যমে দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হবে।

সফরকালে জাতীয় পর্যায়ে মৎস্যসম্পদে বিশেষ অবদানের জন্য নির্বাচিত দেশের ১৪ জন সফল উদ্যোক্তাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গোল্ড মেডেল প্রদান করা হবে বলেও প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়। মৎস্য খাতে উদ্যোক্তাদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ সম্মাননা দেওয়া হবে।

এ ছাড়া সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়ার কর্মসূচির উদ্বোধন এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের রাষ্ট্রীয় ভাতা প্রদান কার্যক্রমেরও সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের বিষয়টি তুলে ধরা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভা ও প্রেস ব্রিফিংয়ে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে জেলার সার্বিক প্রস্তুতি, নিরাপত্তা, যাতায়াত, অনুষ্ঠানস্থল ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সফর সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে সফরকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন পর্যায়ে প্রস্তুতিও জোরদার করা হচ্ছে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41