শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিদ্রোহী প্রার্থী ও জোটের দ্বন্দ্বে অস্বস্তি: কিশোরগঞ্জ–১ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বিদ্রোহী প্রার্থী ও জোটের দ্বন্দ্বে অস্বস্তি: কিশোরগঞ্জ–১ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ–১ (সদর–হোসেনপুর) আসনে দলের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীকে ঘিরে দুশ্চিন্তায় পড়েছে বিএনপি। ধানের শীষ প্রতীকের বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে রয়েছেন দলেরই এক ‘বিদ্রোহী’ নেতা। অন্যদিকে, প্রচারণা শেষ হলেও ঐক্য প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় স্বস্তিতে নেই ১১-দলীয় জোট। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী প্রত্যাহার করলেও জোটের অন্য দুই শরিক দলের প্রার্থীরা কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। ফলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস মনোনীত দুই প্রার্থীই নিজেদের জোটের প্রার্থী দাবি করে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।

এ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম খান (চুন্নু) স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোরগ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে নেমেছেন। তিনি এর আগে নৌকার বিপরীতে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন। দুই প্রার্থীই সদর ও হোসেনপুর উপজেলায় ভোটারদের কাছে উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন।

১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোসাদ্দেক ভূঁইয়া প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হেদায়েতুল্লাহ হাদী এবং খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ আলী কাসেমী কেউই সরে দাঁড়াননি। দুজনই নিজ নিজভাবে জোটের প্রার্থী দাবি করে মাঠে দৌড়ঝাঁপ চালাচ্ছেন। বিষয়টি সমাধানে কেন্দ্রীয় পর্যায়েও সমঝোতা সম্ভব হয়নি।

রিকশা প্রতীকের প্রার্থী হেদায়েতুল্লাহ হাদীর পক্ষে স্থানীয় জামায়াত সমর্থন জানালেও দেয়াল ঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী আহমদ আলী কাসেমী তা মেনে নিতে নারাজ। আহমদ আলীর দাবি, তিনিও জোটের বৈধ প্রার্থী, সে কারণেই তিনি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে রয়েছেন। এই দ্বন্দ্বের কারণে জামায়াতের মধ্যেও দেখা দিয়েছে বিভ্রান্তি—কাকে সমর্থন দেওয়া হবে, তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছেন সমর্থকেরা।

১১-দলীয় ঐক্যের কারণে জামায়াতের গোছানো সাংগঠনিক মাঠ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জোটের দুই প্রার্থীর টানাপোড়েনে জামায়াতের ভোটারদের মধ্যে হযবরল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা বিরোধীদের জন্য সুবিধাজনক হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১১-দলীয় জোটের এই অস্বস্তির সুযোগে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বিএনপি। ফলে ধানের শীষ ও মোরগ প্রতীকের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলছে। বিএনপি প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম দলীয় কোন্দল অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছেন। দলীয় ভাবমূর্তি রক্ষা এবং বহিষ্কারের আশঙ্কায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বও তাঁর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করছেন।

মনোনয়ন নিয়ে শুরুতে কিছু বিরোধিতা থাকলেও শেষ সময়ে দলের একাংশ নেতা-কর্মী তাঁর পক্ষে এককাট্টা হয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ধানের শীষের প্রার্থীই জয়ী হবেন বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

অন্যদিকে, বিদ্রোহী প্রার্থী রেজাউল করিম খান এলাকার পরিচিত মুখ। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তিনি অল্প সময়ের প্রচারণায় ব্যাপক সাড়া পেয়েছিলেন। সে সময়ের নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় তিনি পরাজিত হলেও এবার ব্যক্তিগত ইমেজের কারণে চমক দেখাতে পারেন বলে মনে করছেন ভোটারদের একাংশ।

ধানের শীষের প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম বলেন, ভোটার ও নেতা-কর্মীদের মধ্যে যে জাগরণ তৈরি হয়েছে, তাতে তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন বলে শতভাগ আশাবাদী।

অন্যদিকে, বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী রেজাউল করিম খান বলেন, দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণির মানুষ তাঁর সঙ্গে রয়েছেন এবং মোরগ প্রতীক নিয়েই তিনি বিজয়ের হাসি হাসবেন।

এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ। অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন—বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকের মো. এনামুল হক, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) কাঁচি প্রতীকের আলাল মিয়া, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আম প্রতীকের তারেক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মই প্রতীকের মো. মাসুদ মিয়া।

সিলেটে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ: কিশোরগঞ্জের দুইজনসহ নিহত ৯

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০৭ অপরাহ্ণ
সিলেটে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ: কিশোরগঞ্জের দুইজনসহ নিহত ৯

সিলেটের ওসমানীনগরে দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নয়জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ২৪ জন। নিহতদের মধ্যে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর ও ভৈরব উপজেলার দুজন রয়েছেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত কিশোরগঞ্জের দুজন হলেন কুলিয়ারচর উপজেলার লক্ষীপুর এলাকার হাজী সাইফুল ইসলাম (৫০) এবং ভৈরব উপজেলার চণ্ডিবর এলাকার বাবুল মিয়ার মেয়ে শিল্পী পেহেলী ভৈরবী (১৭)।

এ ছাড়া নিহত অন্যরা হলেন ঢাকার বিক্রমপুরের বাসিন্দা ও বর্তমানে সিলেটের চণ্ডিপুর এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের তিন বছর বয়সী মেয়ে জায়ফা এবং সিলেট নগরের সুবহানীঘাট এলাকার উত্তম রায়ের ছেলে সপ্তম রায় প্রিতম (২২)। বাকি পাঁচজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি।

সিলেটের শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান জানান, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই সাতজন নিহত হন। পরে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কাশিকাপন এলাকায় সিলেটমুখী বেঙ্গল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে ঢাকামুখী ইউনিক পরিবহনের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ইউনিক পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় দুই বাসের অন্তত ২৪ জন যাত্রী আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

দুর্ঘটনায় আহত কুলিয়ারচরের ফারুক মিয়া (৫২) সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি জানান, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর থেকে পাঁচ বন্ধু হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করতে সিলেটে গিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে দুজন আগেই উড়োজাহাজে ঢাকায় ফিরে যান। পরে ফারুক মিয়া, হাজী সাইফুল ইসলাম ও আরও একজন ইউনিক পরিবহনের বাসে করে ঢাকায় ফিরছিলেন।

ফারুক মিয়া বলেন, দুর্ঘটনার সময় তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে গেলে নিজেকে আহত অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। দুর্ঘটনায় তাঁর বন্ধু হাজী সাইফুল ইসলাম ঘটনাস্থলেই নিহত হন। সাইফুল ইসলাম পেশায় একজন ঠিকাদার ছিলেন।

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির জানান, দুর্ঘটনায় হতাহত ১৬ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের একজনকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-তে ভর্তি করা হয়েছে এবং অপরজনের অস্ত্রোপচার চলছে। অন্য কয়েকজনের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় তাঁদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর ও ভৈরবে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশেষ করে মাজার জিয়ারত শেষে বাড়ি ফেরার পথে কুলিয়ারচরের বাসিন্দা হাজী সাইফুল ইসলামের মৃত্যু এলাকায় গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে।

কিশোরগঞ্জে মৎস্য খামার থেকে সাবেক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে মৎস্য খামার থেকে সাবেক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

 

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার একটি মৎস্য খামার থেকে অনিক মিয়া (৩৫) নামে পুলিশের সাবেক এক সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে উপজেলার রশিদাবাদ ইউনিয়নের বেরুয়াইল গ্রামে অবস্থিত তাঁর নিজস্ব মৎস্য খামার থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত অনিক মিয়া বেরুয়াইল গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে। কয়েক বছর আগে তিনি পুলিশের চাকরি ছেড়ে নিজ গ্রামে ফিরে মাছ চাষ শুরু করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতিদিনের মতো নিজ খামারের পাশে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যান অনিক মিয়া। তবে সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খামারে গিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

একপর্যায়ে খামারের পাশে কাটা ঘাস এলোমেলো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আশপাশে তল্লাশি চালানো হলে খামারের পানিতে অনিক মিয়ার মরদেহ ভাসতে দেখা যায়।

খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঞা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পাওয়ায় মজিবুর রহমান ভুঁইয়াকে সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ
যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পাওয়ায় মজিবুর রহমান ভুঁইয়াকে সংবর্ধনা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা ও কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার কৃতি সন্তান জি. এম. মজিবুর রহমান ভুঁইয়া (সবুজ)-কে সংবর্ধনা দিয়েছে তাড়াইল উপজেলা যুবদল।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে সিএনজি স্ট্যান্ডসংলগ্ন খোলা জায়গায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মর্তুজা আল কামাল মুস্তাক। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের সভাপতি খসরুজ্জামান শরীফ এবং সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আল মাসুদ সুমন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তাড়াইল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শওকত হোসেন সিদ্দিকী বিপ্লব। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব জিয়াউর রহমান জিয়া।

এ সময় বক্তব্য দেন তাড়াইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ভুঁইয়া শাহীন। আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শরীফুল মাহমুদ শোয়েব, আখলাকুল ইসলাম অংকুর ও আবদুল হাই আজাদ।

বক্তারা বলেন, জি. এম. মজিবুর রহমান ভুঁইয়া (সবুজ) কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় তাড়াইলবাসীর জন্য এটি গর্ব ও আনন্দের বিষয়। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, তাঁর নেতৃত্বে যুবদল আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হবে এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যুবসমাজ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

সংবর্ধনার জবাবে জি. এম. মজিবুর রহমান ভুঁইয়া (সবুজ) বলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাঁর ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছে, তা তিনি সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করবেন। তিনি তাড়াইলসহ সারা দেশের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও গতিশীল করতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ২ নম্বর রাউতি ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আশরাফ আহমেদ, এনামুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক হাদিস মিয়া, এমদাদ হোসেনসহ উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

অনুষ্ঠানের শেষে নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক জি. এম. মজিবুর রহমান ভুঁইয়াকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং সংবর্ধনা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41