বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

রাড্ডা কাণ্ডে প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ, রাজনৈতিক জবাবদিহির নতুন বার্তা

বিশেষ প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
রাড্ডা কাণ্ডে প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ, রাজনৈতিক জবাবদিহির নতুন বার্তা

রাজনীতিতে জবাবদিহির প্রশ্নটি নতুন নয়। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা বা জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ওঠার পর সংশ্লিষ্ট দল ও রাষ্ট্র কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়, সেটিই শেষ পর্যন্ত সেই জবাবদিহির বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। সাম্প্রতিক রাড্ডা কাণ্ডে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া এবং পরবর্তীতে তাঁর সংসদ সদস্য পদ শূন্য হওয়ার ঘটনা সেই আলোচনাকে নতুন করে সামনে এনেছে। ১ অক্টোবর মিষ্টি পদত্যাগ করেন এবং সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে তাঁর আসন শূন্য হওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।
রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও দখলের চেষ্টার ঘটনায় মিষ্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তবে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষ- এ কথাটিও গুরুত্বপূর্ণ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, তদন্তে অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন, দলীয় ব্যবস্থা ও আইনি ব্যবস্থা দুটি পৃথক বিষয়।
এখানেই প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপটি রাজনৈতিক জবাবদিহির একটি আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কারণ, একজন সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ওঠার পর তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই রাজনৈতিক দায়ের প্রশ্নে দলীয় পর্যায়ে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে; অন্যদিকে আইনের বিচারে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের প্রক্রিয়া আলাদাভাবে চলবে। ফলে দলীয় শাস্তি এবং রাষ্ট্রীয় আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্যটিও পরিষ্কার হয়ে যায়।
তবে একই সঙ্গে সামনে আসে আরেকটি প্রশ্ন- জবাবদিহির এই মানদণ্ড কি সব রাজনৈতিক দলের জনপ্রতিনিধির ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য হচ্ছে?
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে নৈতিক স্খলনের অভিযোগে ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী দল থেকে বহিষ্কার করে। দলীয়ভাবে বহিষ্কারের পরও তাঁর সংসদ সদস্য পদ বহাল রয়েছে। এ বিষয়ে আইন বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য হলো, কোনো সংসদ সদস্যকে দল থেকে বহিষ্কার করলেই তাঁর সংসদ সদস্য পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হয়ে যায়-সংবিধানে এমন সরাসরি বিধান নেই। ফলে দলীয় বহিষ্কার এবং সংসদ সদস্য পদ হারানোর বিষয় দুটি একই আইনি প্রক্রিয়া নয়।
এখানেই রাড্ডা কাণ্ডের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়টির একটি দৃশ্যমান বৈপরীত্য তৈরি হয়েছে। একদিকে অভিযোগের পর রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে একজন সংসদ সদস্যকে পদত্যাগ করতে হয়েছে, অন্যদিকে দলীয় বহিষ্কারের পরও আরেকজন সংসদ সদস্য আইনগত কাঠামোর কারণে তাঁর পদে বহাল রয়েছেন। এই দুই ঘটনার আইনগত প্রেক্ষাপট এক নয়- এটি যেমন সত্য, তেমনি রাজনৈতিক জবাবদিহির মানদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন ওঠাও স্বাভাবিক।
জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুলকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের কথা স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে। তবে তাঁর সংসদ সদস্য পদ শূন্য হওয়ার বিষয়টি নিয়ে আইনি জটিলতা রয়েছে। ফলে এখানে শুধু কোনো একটি রাজনৈতিক দলের সিদ্ধান্তকে প্রশ্ন করার চেয়ে বৃহত্তর যে বিষয়টি সামনে আসে, তা হলো- দলীয় শাস্তি, নৈতিক দায় এবং সাংবিধানিকভাবে সংসদ সদস্য পদ শূন্য হওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে সমন্বয় কোথায় এবং কীভাবে হবে।
রাজনীতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হওয়া উচিত একই ধরনের পরিস্থিতিতে একই ধরনের নীতি ও আইনি কাঠামোর প্রয়োগ। কোনো জনপ্রতিনিধি কোন দলের, কোন পদে আছেন কিংবা তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় কী- তার ভিত্তিতে জবাবদিহির মাত্রা ভিন্ন হলে জনগণের আস্থার প্রশ্নটি সামনে আসবেই।
রাড্ডা কাণ্ডে প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ তাই শুধু একজন সংসদ সদস্যের পদত্যাগের ঘটনা হিসেবে দেখলে এর বৃহত্তর রাজনৈতিক তাৎপর্যটি ধরা পড়ে না। বরং এটি দলীয় জবাবদিহি, রাজনৈতিক দায় এবং আইনের শাসনের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকার বিষয়টি দেখিয়ে দিচ্ছে, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও সাংবিধানিক বিধানের মধ্যে পার্থক্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
তবে কোনো ক্ষেত্রেই অভিযোগকে অপরাধের চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। তদন্ত, প্রমাণ, আইনি প্রক্রিয়া এবং আদালতের সিদ্ধান্তই একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি দায় নির্ধারণের ভিত্তি। রাজনৈতিক দলীয় সিদ্ধান্ত তার নিজস্ব সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার অংশ। এই দুই প্রক্রিয়াকে আলাদা রেখেই জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।
শেষ পর্যন্ত জনগণের প্রত্যাশা খুব সরল- ক্ষমতার পরিচয় যেন আইনের প্রয়োগে বাধা না হয়। দলীয় সিদ্ধান্ত যেমন রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়িত্বশীলতার পরিচয় বহন করে, তেমনি আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলতার পরিচয় বহন করে। রাড্ডা কাণ্ডে যে প্রশ্নটি সামনে এসেছে, তার স্থায়ী উত্তর তখনই মিলবে, যখন একই নীতি, একই আইনি কাঠামো এবং একই জবাবদিহির মানদণ্ড রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সবার ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।

কিশোরগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজাসহ নারী আটক

রেজাউল হক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজাসহ নারী আটক

কিশোরগঞ্জে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ ফাতেমা খাতুন (৪৫) নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ মডেল থানাধীন বিন্নাটি বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ শোয়েব ইবনে রেজার নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় কিশোরগঞ্জ এবং কিশোরগঞ্জ লাইন পুলিশের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স এ অভিযান পরিচালনা করে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত বিন্নাটি বাজার এলাকার ঈসাখা ট্রান্সপোর্ট অফিসের পশ্চিম পাশে সড়কে অভিযান চালিয়ে ফাতেমা খাতুনকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

আটক ফাতেমা খাতুন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামের মৃত শামসুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী। তাঁর বাবার নাম মহিবুল্লাহ এবং মায়ের নাম আছিয়া খাতুন।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ওবায়দুল্লাহ খান বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট ধারায় কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা করেছেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কিশোরগঞ্জের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনায়েত হোসেন এসব তথ্য সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশি আটকের অভিযোগ, সক্রিয় রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
পুলিশি আটকের অভিযোগ, সক্রিয় রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের

রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রায় ১২ ঘণ্টা পুলিশি ‘হেনস্থা’ ও আটকের অভিযোগ তুলে সক্রিয় রাজনীতি থেকে স্বেচ্ছাবসরের ঘোষণা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। বুধবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে কান্নায় ভেঙে পড়ে এ ঘোষণা দেন তিনি।

হুমায়ুন কবীর বলেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আমলে তিনি আর কোনোদিন রাজ্য বিধানসভার অধিবেশনে অংশ নেবেন না। একই সঙ্গে বিধানসভা সম্পূর্ণ বয়কটের ঘোষণাও দেন তিনি।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘যে গণতান্ত্রিক নিয়মে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই একজন বিধায়ককে পুলিশ জোর করে তুলে নিয়ে ১২ ঘণ্টা আটকে রাখতে পারে, সেই গণতন্ত্রকে আমি ঘৃণা করি। শুভেন্দু অধিকারীর মতো পুলিশমন্ত্রীর অধীনে আমি রাজনীতি করতে চাই না।’

মঙ্গলবার রেজিনগর উপনির্বাচন শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে ‘আইন ভঙ্গের’ অভিযোগে পুলিশ তাঁকে আটক করে। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর রাত ৮টার দিকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হেনস্থা দাবি করে হুমায়ুন কবীর অভিযোগ করেন, পুলিশি সহায়তায় নির্বাচনে অবাধে ভোট লুট চালানো হয়েছে।

২০২৬ সালের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে নওদা ও রেজিনগর—দুটি আসন থেকেই জয়ী হয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। পরে রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

হুমায়ুন কবীর জানান, নওদার ভোটারদের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি এলাকায় জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ মানুষের সেবা করে যাবেন। তবে বিধায়ক পদ থেকেও স্থায়ীভাবে সরে দাঁড়াবেন কি না, সে বিষয়ে শিগগিরই এলাকার মানুষের মতামত নেবেন।

এ ছাড়া বিধানসভার সব সংসদীয় কমিটি, যার মধ্যে মাইনরিটি অ্যাফেয়ার্স, হাউস কমিটি ও বিজনেস অ্যাডভাইজরি কমিটি রয়েছে, সেগুলো থেকেও সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি। একই সঙ্গে স্পিকারের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকেও আর অংশ নেবেন না বলে জানান।

ডেঙ্গুতে আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৬০

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৬০

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮৯ জনে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ১ হাজার ৮৬০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুজন, রাজশাহী বিভাগে দুজন, সিলেট বিভাগে একজন এবং বরিশাল বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৪৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে বরিশাল বিভাগে ২০০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১৬, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২১২, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭১, খুলনা বিভাগে ৩৭৬, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১০, রাজশাহী বিভাগে ১৭৬, রংপুর বিভাগে ৩৮ এবং সিলেট বিভাগে ১৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে বুধবার পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই সিটি করপোরেশনসহ শুধু ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১২৯ জন।

এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ৫৭ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৩, বরিশাল বিভাগে ২৫, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫, রাজশাহী বিভাগে ২১, রংপুর বিভাগে ছয় এবং সিলেট বিভাগে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।