রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

২১ মাসের বেতন-ভাতা বকেয়া, ১২ খণ্ডকালীন শিক্ষককে চাকরিচ্যুতির অভিযোগ

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
২১ মাসের বেতন-ভাতা বকেয়া, ১২ খণ্ডকালীন শিক্ষককে চাকরিচ্যুতির অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর সরকারি মডেল পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১২ জন খণ্ডকালীন শিক্ষককে ২১ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ না করেই চাকরিচ্যুতির নোটিশ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধসহ চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন।

জানা যায়, হোসেনপুর পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০১৮ সালে জাতীয়করণের পর অবসরজনিত কারণে বিষয়ভিত্তিক বিভিন্ন শিক্ষকের পদ শূন্য হয়। পরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১২ জনকে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে কলেজ শাখায় দুজন, দিবা শাখায় পাঁচজন এবং প্রভাতী শাখায় পাঁচজন শিক্ষক রয়েছেন। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত ছিলেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষকদের দাবি, নিয়োগের পর প্রথমদিকে নিয়মিত বেতন দেওয়া হলেও পরবর্তীতে দুই-তিন মাস পরপর এক মাসের বেতন পরিশোধ করা হতো। এভাবে দীর্ঘদিন বেতন পরিশোধে অনিয়মের কারণে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত তাঁদের ২১ মাসের বেতন-ভাতা বকেয়া রয়েছে।

শিক্ষকদের অভিযোগ, গত ১৭ ও ১৮ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. খায়রুল ইসলাম একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে ১২ জন খণ্ডকালীন শিক্ষককে চাকরি থেকে অব্যাহতির নোটিশ দেন। তাঁদের দাবি, বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ না করে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন বেতন না পাওয়ায় তাঁদের অনেকেই সংসারের দৈনন্দিন খরচ, সন্তানদের পড়াশোনা, চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন। কেউ কেউ ধার-দেনা করে সংসার চালাচ্ছেন। পাওনা বেতন পরিশোধ না করে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ায় তাঁরা হতাশ ও ক্ষুব্ধ। বিষয়টির সম্মানজনক নিষ্পত্তি না হলে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানিয়েছেন তাঁরা।

চাকরিচ্যুত শিক্ষক মো. ওবায়দুর রহমানসহ কয়েকজন শিক্ষক বলেন, বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ না করে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া অমানবিক। তাঁরা বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধসহ চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।

এ বিষয়ে হোসেনপুর সরকারি মডেল পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, তিনি চলতি বছরের ৪ মার্চ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। খণ্ডকালীন শিক্ষকদের যে বেতন-ভাতা বকেয়া রয়েছে, তা তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের আগের সময়ের। তবে তাঁর সময়কালের বেতন-ভাতা আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে পরিশোধের আশ্বাস দেন তিনি।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আরও বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ ও নিরীক্ষা শাখার পরিচালক মশিউর রহমান তাঁকে সতর্ক করে বলেছেন, প্রতিষ্ঠানের ফান্ড থেকে এসব বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হলে ভবিষ্যতে তাঁর কাছ থেকে ওই অর্থ আদায় করা হবে।

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শামছুন নাহার মাকছুদা বলেন, বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে। খণ্ডকালীন শিক্ষকদের কবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, কতদিন তাঁরা চাকরি করেছেন এবং কবে তাঁদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে—এসব তথ্য তাঁর জানা নেই।

তিনি বলেন, স্কুল ফান্ডে টাকা থাকলে চাকরিচ্যুত করা হলেও সর্বোচ্চ যতটুকু দেওয়া সম্ভব, তা দেওয়া উচিত। বকেয়া বেতন-ভাতার বিষয়ে তিনি বলেন, আগের সময়ে তাঁরা কাজ করেননি—এমন নয়। যিনি অধ্যক্ষের দায়িত্বে থাকবেন, তাঁরই বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দায়িত্ব।

কিশোরগঞ্জের নতুন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জের নতুন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান

দুই এলএনজি টার্মিনাল সচল, তবু কাটছে না গ্যাস-সংকট

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
দুই এলএনজি টার্মিনাল সচল, তবু কাটছে না গ্যাস-সংকট

আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের সংকট কাটছে না। নতুন একটি এলএনজিবাহী জাহাজ দেশে পৌঁছানোর পর গতকাল শনিবার (২২ আগস্ট) থেকে আমেরিকান কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি চালু হয়েছে। তবে একই সময়ে দেশীয় সামিট গ্রুপের ভাসমান টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ কমে প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। ফলে দুটি টার্মিনাল সচল থাকলেও আজ রোববার সকাল থেকে জাতীয় গ্রিডে মোট ৭৪০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ টার্মিনাল দুটির সম্মিলিত সক্ষমতা ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে—এমন প্রত্যাশা ছিল শিল্পকারখানা, আবাসিক গ্রাহক ও পরিবহন খাতসংশ্লিষ্টদের। কিন্তু দুটি টার্মিনাল একসঙ্গে সচল হওয়ার পরও সরবরাহ বেড়েছে সামান্যই। ফলে দীর্ঘদিনের গ্যাস-সংকট থেকে দ্রুত স্বস্তি পাওয়ার যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা পূরণ হয়নি।

পেট্রোবাংলার ক্রয় বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, দুটি টার্মিনালের পূর্ণ সক্ষমতা অনুযায়ী এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রতি মাসে ১১টি কার্গো প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে আসছে মাত্র পাঁচটি। ফলে আমদানি করা এলএনজির সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে গেছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, পরিস্থিতি এখন বেশ এলোমেলো। কবে নাগাদ এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরবে, তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন।

আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এলএনজি কিনে কক্সবাজারের মহেশখালী উপকূলে থাকা দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করে সরকার। টার্মিনাল দুটি নিজেরা এলএনজি আমদানি করে না। আমদানি করা এলএনজিকে পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করে পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করাই এসব টার্মিনালের মূল কাজ।

এর আগে টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল। পরে ত্রুটি মেরামত করে টার্মিনাল চালু করা হয়। বর্তমানে টার্মিনাল সচল থাকলেও পর্যাপ্ত এলএনজি না পাওয়ায় সরবরাহে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে।

এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল যখন এলএনজি-সংকটে ভুগছিল, তখন সামিটের টার্মিনাল তার সক্ষমতার চেয়েও বেশি—সর্বোচ্চ প্রায় ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট পর্যন্ত—গ্যাস সরবরাহ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সামিটের টার্মিনালও কার্গো-সংকটে পড়েছে। ফলে সরকারি নির্দেশনায় ওই টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) এক কর্মকর্তা জানান, রোববার সকাল ১০টায় এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছিল। টার্মিনালটির সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

অন্যদিকে, সামিটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ কমিয়ে ২৪০ মিলিয়ন ঘনফুট করা হয়েছে। ফলে দুটি টার্মিনাল মিলিয়ে জাতীয় গ্রিডে ৭৪০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, সামিটের টার্মিনাল সচল থাকলেও সাগরে বর্তমানে কোনো এলএনজিবাহী জাহাজ নেই। ফলে বাধ্য হয়েই সরবরাহ কমাতে হয়েছে। নতুন কার্গো না আসা পর্যন্ত এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।

এদিকে এলএনজি কেনার পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, উন্মুক্ত দরপত্র বা তালিকাভুক্ত কোম্পানির মাধ্যমে এলএনজি না কিনে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডিপিএম) অনুসরণ করতে গিয়েই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ডিপিএমের আওতায় অনুমোদিত কোনো এলএনজিবাহী জাহাজও এখন পর্যন্ত দেশে পৌঁছায়নি।

এ অবস্থায় সরকার স্পট মার্কেট থেকে উচ্চমূল্যে এলএনজি কেনার চেষ্টা করছে। তবে সেখান থেকেও কাঙ্ক্ষিত সাড়া মিলছে না। ফলে দুটি ভাসমান টার্মিনাল সচল থাকার পরও জাতীয় গ্রিডে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

গ্যাসের ঘাটতির কারণে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, আবাসিক ও পরিবহন খাতে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দীর্ঘদিনের সরবরাহ সংকটের মধ্যে নতুন করে এলএনজি-সংকট তৈরি হওয়ায় সরকার কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নজরদারি বাড়াচ্ছে মাউশি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ
শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নজরদারি বাড়াচ্ছে মাউশি

ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন শিক্ষক-কর্মচারীদের পোস্ট, মন্তব্য, ছবি, ভিডিওসহ বিভিন্ন কনটেন্ট নতুন পদ্ধতিতে মনিটরিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কমিটি’ নামে একটি কমিটি গঠন করেছে মাউশি।

গত ১৭ আগস্ট মাউশি অধিদপ্তরের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা ও সরকারি আচরণবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালন করা আবশ্যক। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ জারি করা হয়েছে।

মাউশির চিঠিতে আরও বলা হয়, অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষা পরিবারের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে ওই নির্দেশিকা যথাযথভাবে অনুসরণ করছেন কি না, তা পরিবীক্ষণের লক্ষ্যে ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, মাউশির আওতাধীন শিক্ষা পরিবারের কোনো সদস্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি নির্দেশিকা পরিপন্থী, আপত্তিকর, বিভ্রান্তিকর, অসত্য, নেতিবাচক কিংবা দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে—এমন কোনো স্ট্যাটাস, মন্তব্য, ছবি, ভিডিও, পোস্ট বা অন্য কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা প্রচার করলে তা নজরে এলে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

এরপর বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কমিটি’র আহ্বায়ককে ই-মেইলের মাধ্যমে অবহিত করতে বলা হয়েছে।

মাউশির চিঠিতে এ ধরনের কনটেন্টের তথ্য কমিটির আহ্বায়কের ই-মেইলে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হয়েছে।

মাউশির এ উদ্যোগের মাধ্যমে অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষক-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশিকা ও আচরণবিধি যথাযথভাবে অনুসরণের বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

চিঠিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কনটেন্টের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশিকা, দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তির বিষয়টি বিবেচনায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।