শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

জাতিসংঘে একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে তারেক রহমানের ইতিহাস

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
জাতিসংঘে একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে তারেক রহমানের ইতিহাস

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দিয়ে তাঁর পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে নতুন ইতিহাস গড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ বিতর্কে তিনি প্রথমবারের মতো ভাষণ দেন। সম্পূর্ণ বাংলায় দেওয়া এ ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের আকাঙ্ক্ষার পাশাপাশি বিশ্বশান্তি, মানবাধিকার, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন ও রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যু তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এর আগে একই পরিবারের দুই সদস্য—শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া—ভাষণ দিয়েছিলেন। তারেক রহমানের ভাষণের মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সঙ্গে পরিবারটির চার দশকের বেশি সময়ের সম্পৃক্ততায় নতুন অধ্যায় যুক্ত হলো।

জাতিসংঘের নথি অনুযায়ী, জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দেন। তাঁর বক্তব্যে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বৈষম্য, দারিদ্র্য, ক্ষুধা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার বিষয় গুরুত্ব পায়।

এর ১৩ বছর পর, ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে ভাষণ দেন বেগম খালেদা জিয়া। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে তাঁর প্রথম ভাষণে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলোর অধিকার এবং ন্যায়সংগত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বিষয় উঠে আসে।

এরপর ২০২৬ সালে একই বিশ্বমঞ্চে ভাষণ দিলেন তাঁদের ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একই পরিবারের তিন সদস্যের ভাষণের ধারাবাহিকতা তৈরি হলো।

ভাষণের শুরুতেই পারিবারিক স্মৃতির কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই বিশ্বমঞ্চে তাঁর পিতা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তাঁর মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দেশ ও জনগণের পক্ষে ভাষণ দিয়েছিলেন। একইভাবে তিনিও বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ এবং শান্তিময় বিশ্বসমাজের প্রত্যাশা নিয়ে জাতিসংঘে দাঁড়িয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর এবারের ভাষণের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল, তিনি সম্পূর্ণ ভাষণ বাংলায় দেন। জাতিসংঘের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকার মাতৃভাষায় তুলে ধরেন তিনি।

ভাষণে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন, জবাবদিহিতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, প্রযুক্তি, মানবিক সংকট এবং রোহিঙ্গা ইস্যু গুরুত্ব পায়। রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জন্য জলবায়ু অর্থায়ন ও অভিযোজন সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুবিধা যেন উন্নয়নশীল দেশগুলোর জনগণের কাছেও পৌঁছে যায়, সে বিষয়েও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

১৯৮০ সালে জিয়াউর রহমানের জাতিসংঘ ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া পরিবারের এই ধারাবাহিকতা ১৯৯৩ সালে খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণে অব্যাহত ছিল। ২০২৬ সালে তারেক রহমানের প্রথম ভাষণের মধ্য দিয়ে সেই ধারাবাহিকতায় যুক্ত হলো নতুন অধ্যায়।

জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে তারেক রহমানের এই ভাষণ একই পরিবারের তৃতীয় সদস্যের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার ঘটনা হিসেবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পরিসরে নতুন একটি অধ্যায় হিসেবে সামনে এসেছে। সম্পূর্ণ বাংলায় তাঁর প্রথম জাতিসংঘ ভাষণও এ ঘটনাটিকে আলাদা তাৎপর্য দিয়েছে।

হোসেনপুরে কিন্ডারগার্টেন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে কিন্ডারগার্টেন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন কিশোরগঞ্জ জেলা, হোসেনপুর উপজেলা শাখার বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬-এ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার গোবিন্দপুর চাইল্ড কেয়ার আদর্শ প্রি-ক্যাডেট স্কুল প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হোসেনপুর সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক এবিএম সিদ্দিক চঞ্চল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উজ্জ্বল সরকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন হোসেনপুর উপজেলা শাখা ও মডেল কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তাজুল ইসলাম বুলবুল।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন, এসারডি কলেজ হোসেনপুরের অধ্যাপক সৈয়দুজ্জামান পলাশ, মধ্য গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জুয়েল, রায়পাশা মফিজ উদ্দিন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, ইউপি সদস্য সিদ্দিক হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, চাইল্ড কেয়ারে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এবিএম সিদ্দিক চঞ্চল বলেন, “আজকের এই উপহার যারা পেয়েছ, আগামী দিনে আরও ভালো পড়াশোনা করে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। তোমরাই আগামী দিনের আলোকবর্তিকা। তোমাদের হাত ধরেই এই দেশ এগিয়ে যাবে। তোমাদের মাধ্যমে বাংলাদেশ একদিন সমৃদ্ধশালী ও সুন্দর দেশে রূপ নেবে।”

অনুষ্ঠানের প্রধান আয়োজক ছিলেন চাইল্ড কেয়ার প্রি-কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক মাজহারুল ইসলাম। চাইল্ড কেয়ার আদর্শ প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোছা. লিমা আক্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তির সনদ ও ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়।

বাজিতপুরে ১৯ কেজি গাঁজাসহ চারজন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
বাজিতপুরে ১৯ কেজি গাঁজাসহ চারজন গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে অভিযান চালিয়ে ১৯ কেজি গাঁজাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৪। এ সময় তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

এসআরবি জানায়, বাংলাদেশ সরকারের ‘মাদকবিরোধী’ জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এসআরবি কঠোর ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে মাদক নির্মূল, অস্ত্র উদ্ধার, জঙ্গি দমন ও তালিকাভুক্ত অপরাধীদের গ্রেপ্তারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে সংস্থাটি।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি-২, এসআরবি-১৪, কিশোরগঞ্জের একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. ডালিম (৫০), শিল্পী (৪০), নার্গিস (২০) ও পাবেল মিয়া (২৬)। তাঁদের ঠিকানা কিশোরগঞ্জ জেলায় বলে জানানো হয়েছে।

এসআরবি-১৪ সূত্রে জানা যায়, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ভোর আনুমানিক ৫টা ১৫ মিনিটে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর থানার বাহেরনগর গ্রামে জনৈক ওয়াসিমের বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ওই চারজনকে আটক করা হয়।

অভিযানকালে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা তাঁদের হেফাজতে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা থাকার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে এসআরবি। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে, প্লাস্টিকের বস্তার ভেতরে বিশেষ কায়দায় রাখা ১৯ কেজি অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া অভিযান থেকে তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।

বিশ্ব সাইবার প্রতিযোগিতার ফাইনালে তাড়াইলের মাহি

রুহুল আমিন প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
বিশ্ব সাইবার প্রতিযোগিতার ফাইনালে তাড়াইলের মাহি

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার তরুণ মাহি আলম (রাতুল) এবার আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছেন। বিশ্বখ্যাত সাইবার নিরাপত্তা প্রতিযোগিতা ‘ব্ল্যাক হ্যাট এমইএ ২০২৬ ক্যাপচার দ্য ফ্ল্যাগ (CTF)’-এর ফাইনালে বাংলাদেশের পাঁচটি দলের একটি দলের সদস্য হিসেবে অংশ নেবেন তিনি।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে আগামী ১ থেকে ৩ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতাটির ফাইনাল। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১৫০টি দল সরাসরি এই আন্তর্জাতিক সাইবার প্রতিযোগিতায় মুখোমুখি হবে।

ব্ল্যাক হ্যাট এমইএ ২০২৬ আয়োজনের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নির্বাচিত সাইবার নিরাপত্তা দল অংশ নেবে। প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা অঙ্গনের অন্যতম আলোচিত এই আয়োজনকে ঘিরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে যাওয়া মাহি আলম (রাতুল) ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী। তিনি তাড়াইল সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক আশরাফুল আলম রুবেলের ছেলে।

ব্ল্যাক হ্যাট CTF-এর ফাইনালে অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে বিভিন্ন বাস্তবভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ওয়েব এক্সপ্লয়টেশন, সিস্টেম এক্সপ্লয়টেশন/পিডব্লিউএন, ডিজিটাল ফরেনসিকস, রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং, ক্রিপ্টোগ্রাফি এবং অ্যাটাক হ্যাকিংসহ বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ।

এসব চ্যালেঞ্জে প্রতিযোগীদের ভালনারেবিলিটি ডিসকভারি, এক্সপ্লয়টেশন, সিস্টেম অ্যানালাইসিস, রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং, ফরেনসিক ইনভেস্টিগেশন এবং অফেন্সিভ সিকিউরিটিসংক্রান্ত দক্ষতার পরীক্ষা নেওয়া হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হাজারো প্রতিযোগীর মধ্য থেকে নির্বাচিত ১৫০টি দলের সঙ্গে একই মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ বাংলাদেশের তরুণ সাইবার নিরাপত্তা প্রতিভাদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তাড়াইলের মাহি আলমের এমন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অংশগ্রহণে আনন্দিত তাঁর পরিবার, স্বজন, সহপাঠী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তাঁর এই অর্জনে গর্বিত তাড়াইলবাসীও। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, রিয়াদের আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের মেধা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে বাংলাদেশের পাশাপাশি তাড়াইলের নামও বিশ্বদরবারে তুলে ধরবেন মাহি আলম (রাতুল)।

তাড়াইলের মাটি থেকে রিয়াদের বিশ্বমঞ্চ—বিশ্বের নির্বাচিত ১৫০ দলের সঙ্গে সাইবার লড়াইয়ে এবার বাংলাদেশের হয়ে অংশ নেবেন মাহি আলম।