শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

মেট্রো-জেলা পর্যায়ে শাখা নিয়ে আসছে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৯ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মেট্রো-জেলা পর্যায়ে শাখা নিয়ে আসছে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের জন্য আগামী সপ্তাহে পৃথক ‘সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট’ গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। নতুন এ ইউনিটের নেতৃত্বে থাকবেন একজন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি)। পুলিশ সদর দপ্তরে এ পদ না থাকলে তা নতুন করে সৃষ্টি করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশ পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নতুন সাইবার সিকিউরিটি ইউনিটের শাখা মেট্রো, বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে থাকবে। থানা ও জেলা পর্যায়ে ইউনিটটির আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকবে। জটিল সাইবার অপরাধের তদন্ত ও বিশ্লেষণের জন্য পুলিশ সদর দপ্তর ও বিভাগীয় পর্যায়ে বড় আকারের ফরেনসিক ল্যাব এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা রাখা হবে।

তিনি বলেন, যেসব সাইবার অপরাধ জটিল, সেগুলো কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নেওয়া হবে। আর থানা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিশ্লেষণ করা সম্ভব এমন অপরাধ সেখানেই তদন্ত ও বিশ্লেষণ করা হবে। এ জন্য ইউনিট গঠনের প্রকল্প প্রণয়নের কাজ এগিয়ে নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সাইবার স্পেসকে কেন্দ্র করে অপরাধের প্রবণতা বাড়ছে। আধুনিক অপরাধের একটি বৈশিষ্ট্য হয়ে ওঠা সাইবার ও স্ক্যামভিত্তিক অপরাধ মোকাবিলায় এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, পুলিশের কোনো সদস্য ফ্যাসিবাদী শক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে তথ্য দেওয়া বা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, শৃঙ্খলা ভঙ্গ বা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২২ সেপ্টেম্বর স্বতন্ত্র ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’ গঠনে নীতিগত অনুমোদনের খবরও প্রকাশিত হয়েছে। ওই কাঠামোতে একজন অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে ইউনিটটির কার্যক্রম পরিচালনার কথা জানানো হয়েছিল।

হোসেনপুরে কিন্ডারগার্টেন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে কিন্ডারগার্টেন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন কিশোরগঞ্জ জেলা, হোসেনপুর উপজেলা শাখার বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬-এ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার গোবিন্দপুর চাইল্ড কেয়ার আদর্শ প্রি-ক্যাডেট স্কুল প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হোসেনপুর সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক এবিএম সিদ্দিক চঞ্চল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উজ্জ্বল সরকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন হোসেনপুর উপজেলা শাখা ও মডেল কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তাজুল ইসলাম বুলবুল।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন, এসারডি কলেজ হোসেনপুরের অধ্যাপক সৈয়দুজ্জামান পলাশ, মধ্য গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জুয়েল, রায়পাশা মফিজ উদ্দিন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, ইউপি সদস্য সিদ্দিক হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, চাইল্ড কেয়ারে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এবিএম সিদ্দিক চঞ্চল বলেন, “আজকের এই উপহার যারা পেয়েছ, আগামী দিনে আরও ভালো পড়াশোনা করে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। তোমরাই আগামী দিনের আলোকবর্তিকা। তোমাদের হাত ধরেই এই দেশ এগিয়ে যাবে। তোমাদের মাধ্যমে বাংলাদেশ একদিন সমৃদ্ধশালী ও সুন্দর দেশে রূপ নেবে।”

অনুষ্ঠানের প্রধান আয়োজক ছিলেন চাইল্ড কেয়ার প্রি-কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক মাজহারুল ইসলাম। চাইল্ড কেয়ার আদর্শ প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোছা. লিমা আক্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তির সনদ ও ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়।

বাজিতপুরে ১৯ কেজি গাঁজাসহ চারজন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
বাজিতপুরে ১৯ কেজি গাঁজাসহ চারজন গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে অভিযান চালিয়ে ১৯ কেজি গাঁজাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৪। এ সময় তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

এসআরবি জানায়, বাংলাদেশ সরকারের ‘মাদকবিরোধী’ জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এসআরবি কঠোর ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে মাদক নির্মূল, অস্ত্র উদ্ধার, জঙ্গি দমন ও তালিকাভুক্ত অপরাধীদের গ্রেপ্তারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে সংস্থাটি।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি-২, এসআরবি-১৪, কিশোরগঞ্জের একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. ডালিম (৫০), শিল্পী (৪০), নার্গিস (২০) ও পাবেল মিয়া (২৬)। তাঁদের ঠিকানা কিশোরগঞ্জ জেলায় বলে জানানো হয়েছে।

এসআরবি-১৪ সূত্রে জানা যায়, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ভোর আনুমানিক ৫টা ১৫ মিনিটে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর থানার বাহেরনগর গ্রামে জনৈক ওয়াসিমের বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ওই চারজনকে আটক করা হয়।

অভিযানকালে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা তাঁদের হেফাজতে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা থাকার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে এসআরবি। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে, প্লাস্টিকের বস্তার ভেতরে বিশেষ কায়দায় রাখা ১৯ কেজি অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া অভিযান থেকে তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।

বিশ্ব সাইবার প্রতিযোগিতার ফাইনালে তাড়াইলের মাহি

রুহুল আমিন প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
বিশ্ব সাইবার প্রতিযোগিতার ফাইনালে তাড়াইলের মাহি

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার তরুণ মাহি আলম (রাতুল) এবার আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছেন। বিশ্বখ্যাত সাইবার নিরাপত্তা প্রতিযোগিতা ‘ব্ল্যাক হ্যাট এমইএ ২০২৬ ক্যাপচার দ্য ফ্ল্যাগ (CTF)’-এর ফাইনালে বাংলাদেশের পাঁচটি দলের একটি দলের সদস্য হিসেবে অংশ নেবেন তিনি।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে আগামী ১ থেকে ৩ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতাটির ফাইনাল। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১৫০টি দল সরাসরি এই আন্তর্জাতিক সাইবার প্রতিযোগিতায় মুখোমুখি হবে।

ব্ল্যাক হ্যাট এমইএ ২০২৬ আয়োজনের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নির্বাচিত সাইবার নিরাপত্তা দল অংশ নেবে। প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা অঙ্গনের অন্যতম আলোচিত এই আয়োজনকে ঘিরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে যাওয়া মাহি আলম (রাতুল) ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী। তিনি তাড়াইল সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক আশরাফুল আলম রুবেলের ছেলে।

ব্ল্যাক হ্যাট CTF-এর ফাইনালে অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে বিভিন্ন বাস্তবভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ওয়েব এক্সপ্লয়টেশন, সিস্টেম এক্সপ্লয়টেশন/পিডব্লিউএন, ডিজিটাল ফরেনসিকস, রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং, ক্রিপ্টোগ্রাফি এবং অ্যাটাক হ্যাকিংসহ বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ।

এসব চ্যালেঞ্জে প্রতিযোগীদের ভালনারেবিলিটি ডিসকভারি, এক্সপ্লয়টেশন, সিস্টেম অ্যানালাইসিস, রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং, ফরেনসিক ইনভেস্টিগেশন এবং অফেন্সিভ সিকিউরিটিসংক্রান্ত দক্ষতার পরীক্ষা নেওয়া হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হাজারো প্রতিযোগীর মধ্য থেকে নির্বাচিত ১৫০টি দলের সঙ্গে একই মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ বাংলাদেশের তরুণ সাইবার নিরাপত্তা প্রতিভাদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তাড়াইলের মাহি আলমের এমন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অংশগ্রহণে আনন্দিত তাঁর পরিবার, স্বজন, সহপাঠী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তাঁর এই অর্জনে গর্বিত তাড়াইলবাসীও। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, রিয়াদের আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের মেধা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে বাংলাদেশের পাশাপাশি তাড়াইলের নামও বিশ্বদরবারে তুলে ধরবেন মাহি আলম (রাতুল)।

তাড়াইলের মাটি থেকে রিয়াদের বিশ্বমঞ্চ—বিশ্বের নির্বাচিত ১৫০ দলের সঙ্গে সাইবার লড়াইয়ে এবার বাংলাদেশের হয়ে অংশ নেবেন মাহি আলম।