সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকা-১৫ আসনে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ঢাকা-১৫ আসনে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৫ আসনের (মিরপুর-কাফরুল) মিরপুর-১০ এলাকার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভা থেকে তিনি প্রচারণা শুরু করেন।

দুপুর আড়াইটায় শুরু হওয়া এ জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডা. শফিকুর রহমান। সকাল থেকেই হাজারো মানুষ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক হাতে নিয়ে মিছিলসহ জনসভাস্থলে উপস্থিত হতে থাকেন। দুপুরের আগেই জনসভাস্থল লোকারণ্য হয়ে ওঠে এবং দাঁড়িপাল্লার স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।

নির্বাচনী এলাকা জুড়ে ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। সমাবেশ ঘিরে মিরপুর এলাকায় ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান। আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলন, মোবারক হোসাইন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি জাহিদুর রহমান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমীর আব্দুর রহমান মুসা, ঢাকা-১৪ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাশেম, ঢাকা-১৬ আসনের প্রার্থী কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেন, ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামানসহ আরও অনেকে।

আসন পরিচালক আব্দুর রহমান মুসার সভাপতিত্বে এবং ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় জনসভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেন শহীদ আব্দুল হান্নান খানের ছেলে ডা. সাইফ খান।

এ সময় বক্তব্য দেন স্থানীয় জামায়াত নেতা আব্দুল মতিন খান, আনোয়ারুল করিম এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি লস্কর মো. তসলিম।

ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়ম-দুর্নীতি বরদাশত নয়: ডেপুটি স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়ম-দুর্নীতি বরদাশত নয়: ডেপুটি স্পিকার

ফ্যামিলি কার্ড ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জরিপে তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা স্বজনপ্রীতি বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য কায়সার কামাল। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের তালিকায় দলীয় পরিচয় বিবেচনা না করে সমাজের সবচেয়ে প্রান্তিক ও দরিদ্র পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে নিজ দলের নেতাকর্মী হলেও তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদ হলরুমে ফ্যামিলি কার্ড ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জরিপ-২০২৬-এর তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের নিয়ে আয়োজিত নির্দেশনামূলক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় এ সভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এন. এম. আবদুল্লাহ আল মামুন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, বাংলাদেশকে কল্যাণমুখী রাষ্ট্রে রূপান্তর করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এর গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ ফ্যামিলি কার্ড। অতীতে টাকার বিনিময়ে বা স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে সচ্ছল পরিবারের নাম তালিকাভুক্ত এবং প্রকৃত দরিদ্রদের বঞ্চিত করার অভিযোগ ছিল। এবার এ ধরনের সুযোগ দেওয়া হবে না।

তিনি তথ্য সংগ্রহকারীদের ছাপরা ঘর, গৃহহীন ও সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছ থেকে জরিপ কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দেন। সচ্ছল বা পাকা বাড়ির বাসিন্দাদের আগে তালিকাভুক্ত না করারও নির্দেশনা দেন তিনি।

সরকার নির্ধারিত সম্মানী ভাতার বাইরে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার নামে কেউ টাকা দাবি করলে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন কায়সার কামাল। তিনি বলেন, অনিয়ম করলে দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে কেউ পার পাওয়ার সুযোগ পাবে না। স্বজনপ্রীতি বা চাঁদাবাজিতে কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় সীমান্ত এলাকার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী গারো ও হাজং সম্প্রদায়ের জীবনমান ও সততার প্রশংসা করেন তিনি। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী নৃগোষ্ঠীর পানীয় জল, শিক্ষা ও বাসস্থানের সংকট দূর করতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি। তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত নৃগোষ্ঠীর তরুণ-তরুণীদের জন্য শিক্ষাবৃত্তিসহ সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর আশ্বাস দেন।

বিদ্যুৎ সংকট প্রসঙ্গে ডেপুটি স্পিকার বলেন, লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে, যা দুঃখজনক। তিনি দিনের আলো কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের আহ্বান জানান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সমস্যার সমাধান করবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

বক্তব্যের শেষে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে এলাকাবাসীর সেবা করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে কায়সার কামাল বলেন, ‘কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর একটি ফুলের বাগান, আর আমি নিজেকে এই বাগানের একজন মালী মনে করি। আগামী পাঁচ বছর সততার সঙ্গে এই বাগানের পরিচর্যা করে যাব।’

বাংলা কিউআর লেনদেনে প্রণোদনা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
বাংলা কিউআর লেনদেনে প্রণোদনা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন উৎসাহিত করতে একুয়্যারিং প্রতিষ্ঠানকে ০.১০ শতাংশ এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানকে ০.২০ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেনের বিপরীতে মাসিক ভিত্তিতে এ প্রণোদনা দেওয়া হবে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে। এতে দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি), পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর (পিএসও) ও আন্তর্জাতিক পেমেন্ট স্কিমকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যক্তিক রিটেইল হিসাবের মাধ্যমে অনবোর্ডকৃত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারী মার্চেন্ট পয়েন্টের পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্যান্য সব মার্চেন্ট পয়েন্টে সম্পন্ন বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক ‘এনপিএসবি’ লেনদেনও এ প্রণোদনার আওতায় থাকবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনের বিপরীতে মাসিক ভিত্তিতে একুয়্যারিং প্রতিষ্ঠানকে ০.১০ শতাংশ এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানকে ০.২০ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া হবে।

এর আগে গত ১০ আগস্ট জারি করা পিএসডি-২ সার্কুলার লেটারের অনুচ্ছেদ ২-এ বাংলা কিউআর লেনদেনের জন্য প্রণোদনার বিধান করা হয়েছিল। নতুন সার্কুলারের মাধ্যমে ওই অনুচ্ছেদটি প্রতিস্থাপন করে প্রণোদনার আওতা বাড়ানো হয়েছে। ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা ও সেবা প্রদানকারীদের পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্যান্য মার্চেন্ট পয়েন্টও এ সুবিধার আওতায় এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন সার্কুলারে প্রতিস্থাপিত অনুচ্ছেদে বর্ণিত শর্ত এবং আগের সার্কুলারের অন্যান্য সব অনুচ্ছেদ অপরিবর্তিত থাকবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২-এর পরিচালক মো. শরাফত উল্লাহ খান স্বাক্ষরিত সার্কুলারটি রোববার সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো হয়েছে।

কিশোরগঞ্জের হত্যা মামলার আসামি ঢাকার উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জের হত্যা মামলার আসামি ঢাকার উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জ সদর থানায় দায়ের করা হত্যা মামলার পলাতক এক আসামিকে ঢাকার উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-১৪-এর একটি আভিযানিক দল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৬ আগস্ট দুপুরে ঢাকার উত্তরা পূর্ব থানার ৬ নম্বর সেক্টর রাজউক মডেল কলেজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আসামি নওশাদ (২০) কিশোরগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। তিনি মামলার ৪ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, জমি বিক্রির পাওনা টাকা নিয়ে মাহতাব (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনা ঘটে। প্রায় তিন বছর আগে প্রতিবেশী ও মামলার ১ নম্বর আসামি মো. বাদল মিয়ার কাছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ২ শতাংশ জমি বিক্রি করেন মাহতাব। জমি দলিলের সময় বাদল মিয়া ৭০ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করলেও বাকি ৮০ হাজার টাকা দিতে তিনি দীর্ঘ তিন বছর ধরে টালবাহানা করছিলেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, গত ২৬ জুলাই বাদল মিয়ার স্ত্রী মাহতাবকে ৩ হাজার টাকা দিয়ে বাকি টাকা পরে দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে ৩ আগস্ট ২০২৬ রাত আনুমানিক ১২টা ৫ মিনিটে বাদল মিয়া ফোন করে মাহতাবকে টাকা নিয়ে যেতে বলেন। মাহতাবের পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, সরল বিশ্বাসে রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে তিনি কিশোরগঞ্জ মডেল থানার কড়িয়াইল এলাকার মতি মিয়ার ধানিজমির কাছে যান।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়, সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওত পেতে থাকা নওশাদসহ অন্যান্য আসামি দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে মাহতাবের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত মাহতাবকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. সুমন (২৭) বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটির নম্বর ৫, তারিখ ৪ আগস্ট ২০২৬। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার পর থেকে নওশাদসহ অন্যান্য আসামি গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় সিপিসি-২, এসআরবি-১৪, কিশোরগঞ্জের একটি আভিযানিক দল ২৬ আগস্ট ২০২৬ দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে এসআরবি-১, সিপিসি-১, উত্তরা, ঢাকার সহায়তায় ডিএমপি, ঢাকার উত্তরা পূর্ব থানার ৬ নম্বর সেক্টর রাজউক মডেল কলেজ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে হত্যা মামলার ৪ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি নওশাদকে গ্রেপ্তার করা হয়।