শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

কুলিয়ারচরে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ, স্কুলছাত্রীর বাড়িতে ঢুকে মারধর

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৫১ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কুলিয়ারচরে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ, স্কুলছাত্রীর বাড়িতে ঢুকে মারধর

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় এক স্কুলছাত্রীর বাড়িতে ঢুকে তাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের মাধবদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী ছাত্রী ওই ইউনিয়নের একটি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

অভিযোগ অনুযায়ী, বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে অনিক মিয়া নামের এক কিশোর লোহার পাইপ নিয়ে ওই ছাত্রীর বাড়িতে ঢুকে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এর এক দিন আগে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে মাধবদী কান্দাপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার সময় ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করা হয় বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার।

অভিযুক্ত অনিক মিয়া মাধবদী কান্দাবাড়ি এলাকার নজরুল মিয়ার ভাগিনা। সে তার নানার বাড়িতে বসবাস করে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পরিবারের অভিযোগ, স্কুলে যাওয়ার পথে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় পরদিন ওই কিশোর লোহার পাইপ নিয়ে তাদের বাড়িতে ঢুকে ছাত্রীটির ওপর হামলা চালায়। এতে ছাত্রীটি আহত হয়। তবে তার আঘাতের ধরন ও চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী ছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা। পরিবারের দাবি, ঘটনার পর ছাত্রীটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে এবং আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। আবারও হামলার আশঙ্কায় পুরো পরিবার উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

এ বিষয়ে কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিন বলেন, ‘ঘটনাটি মৌখিকভাবে শুনেছি। লিখিত অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইয়াসিন খন্দকার বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, ‘কাউকে উত্ত্যক্ত করা ন্যক্কারজনক ঘটনা। আমি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’

ডেঙ্গু সচেতনতায় র‍্যালি, মশার প্রজননস্থল পরিষ্কারে গুরুদয়াল কলেজ বিএনসিসি

শাহীন আলম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৫ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু সচেতনতায় র‍্যালি, মশার প্রজননস্থল পরিষ্কারে গুরুদয়াল কলেজ বিএনসিসি

ডেঙ্গু ও মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে গুরুদয়াল সরকারি কলেজ বিএনসিসি প্লাটুনের উদ্যোগে ‘ডেঙ্গু সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মশক নিধন অভিযান–২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গুরুদয়াল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সিদ্দিক উল্লাহর নির্দেশনায় এবং বিএনসিসি প্লাটুন কমান্ডার মো. মতিউর রহমানের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে গুরুদয়াল সরকারি কলেজের পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ, ওয়ালী নেওয়াজ খান কলেজ ও আজিম উদ্দীন উচ্চবিদ্যালয়ের বিএনসিসির ক্যাডেটরা অংশ নেন।

র‍্যালিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা হয়। এ সময় ক্যাডেটরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরেন।

র‍্যালি শেষে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্থানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল শনাক্ত করে সেগুলো পরিষ্কার করা হয়। শিক্ষার্থী ও বিএনসিসি ক্যাডেটদের সক্রিয় অংশগ্রহণে পুরো কর্মসূচি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

আয়োজকরা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; এ জন্য ব্যক্তি, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত সচেতনতা প্রয়োজন। কোথাও পানি জমতে না দেওয়া, বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

নৈশপ্রহরী দিয়ে পাঠদান, প্রতিবাদ করায় শিশুর ভর্তি বাতিলের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
নৈশপ্রহরী দিয়ে পাঠদান, প্রতিবাদ করায় শিশুর ভর্তি বাতিলের অভিযোগ

সংগ্রহীত ছবি

লালমনিরহাট সদর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকের পরিবর্তে নৈশপ্রহরী দিয়ে পাঠদান করানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রকাশ করায় এক অভিভাবকের ছেলের ভর্তি বাতিল ও হাজিরা খাতা থেকে নাম মুছে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের খোড়াগাছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৈশপ্রহরীকে দিয়ে পাঠদান করানোর দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করেন অভিভাবক কামরুজ্জামান নয়ন মণ্ডল। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর পরপরই ক্ষুব্ধ হয়ে ওই অভিভাবকের ছেলে তাওহীদের (প্রাক-প্রাথমিক, রোল-১৫) নাম হাজিরা খাতা থেকে কেটে ফ্লুইড দিয়ে মুছে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এতে শিশুটির পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে বলে দাবি পরিবারের।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন বাদশা আলম। বিদ্যালয়ে কর্মরত চারজন শিক্ষকের মধ্যে তিনজন নারী। অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের কেউ কেউ নিজ শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে আসেন। এ সময় সন্তানদের দেখাশোনায় ব্যস্ত থাকায় নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হয়। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের পরিবর্তে বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী আহসান হাবীবকে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিতে দেখা যায় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাদশা আলমের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের আরও অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন একই পদে দায়িত্ব পালন করে তিনি নিজের পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়ে ‘পকেট ম্যানেজিং কমিটি’ গঠনের চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

অভিভাবকদের দাবি, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদাধিকারবলে সদস্য-সচিব হয়ে তাঁর বড় ভাইয়ের স্ত্রী রিনা বেগমকে শিক্ষক প্রতিনিধি, বড় ভাই মাহবুবুর রহমান মিঠুকে বিদ্যোৎসাহী সদস্য এবং নিকটাত্মীয় আবুল কালাম আজাদকে সদস্য করার প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসী ও অভিভাবকেরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

ভুক্তভোগী অভিভাবক কামরুজ্জামান নয়ন মণ্ডল বলেন, “শিক্ষকেরা ক্লাসে মনোযোগ না দিয়ে নিজেদের সন্তানদের নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। নৈশপ্রহরী দিয়ে পাঠদানের প্রতিবাদে ফেসবুকে ছবি পোস্ট করায় আমার শিশুর নাম হাজিরা খাতা থেকে ফ্লুইড দিয়ে মুছে দেওয়া হয়েছে। এখন আমার ছেলের পড়ালেখা বন্ধ, তাকে স্কুলেও যেতে দেওয়া হচ্ছে না।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাদশা আলম বিষয়টিকে ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেননি।

লালমনিরহাট সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ফারুক বলেন, “এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

টাইব্রেকারে মারিয়াকে হারিয়ে সদর গোল্ডকাপ জিতল রশিদাবাদ

শাহীন আলম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
টাইব্রেকারে মারিয়াকে হারিয়ে সদর গোল্ডকাপ জিতল রশিদাবাদ

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘উপজেলা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট–২০২৬’-এর ফাইনালে টাইব্রেকার রোমাঞ্চে মারিয়া ইউনিয়নকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রশিদাবাদ ইউনিয়ন দল।

বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে সদর উপজেলার মহিনন্দে অবস্থিত উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম (শোলাকিয়া) মাঠে জমকালো ফাইনাল ম্যাচ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় কোনো দলই গোল করতে পারেনি। গোলশূন্য ড্র থাকায় ম্যাচের ফল নির্ধারণে টাইব্রেকারের আশ্রয় নেওয়া হয়। সেখানে রশিদাবাদ ইউনিয়নের গোলরক্ষক পাভেলের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে জয় নিশ্চিত হয়। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তার একাধিক সেভ রশিদাবাদকে শিরোপা এনে দেয়।

ফাইনালের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে। রশিদাবাদ ও মারিয়া ইউনিয়নের খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে ম্যাচটি ছিল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। তবে দুই দলের রক্ষণভাগের দৃঢ়তা এবং আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের সুযোগ কাজে লাগাতে না পারায় নির্ধারিত সময়ে গোলের দেখা পায়নি কোনো দল।

শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য সমতায় নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হলে টাইব্রেকারে গড়ায় ম্যাচ। সেখানে মারিয়া ইউনিয়নের খেলোয়াড়দের কয়েকটি শট ঠেকিয়ে রশিদাবাদের জয়ের নায়ক হয়ে ওঠেন গোলরক্ষক পাভেল। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে রশিদাবাদ ইউনিয়ন টুর্নামেন্টের শিরোপা নিশ্চিত করে।

ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে মারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হারুন মাসুম, রশিদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জুয়েল মিয়া, মহিনন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, ক্রীড়ামোদী ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খেলা শেষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা চ্যাম্পিয়ন রশিদাবাদ ইউনিয়ন এবং রানার্সআপ মারিয়া ইউনিয়ন দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও প্রাইজমানি তুলে দেন।

ফাইনাল ম্যাচ দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন বিপুলসংখ্যক ফুটবলপ্রেমী দর্শক। তাদের উচ্ছ্বাস ও করতালিতে পুরো মাঠ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। জমজমাট এই ফাইনাল ম্যাচ সদর উপজেলার ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41