শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

কসবায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পুকুরে মাইক্রোবাস, মিলল ৯ বস্তা গাঁজা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কসবায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পুকুরে মাইক্রোবাস, মিলল ৯ বস্তা গাঁজা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে গাঁজাবাহী একটি মাইক্রোবাস পুকুরে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পরে পুকুরে পড়ে যাওয়া মাইক্রোবাসটি থেকে ৯ বস্তা গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে গাড়িতে থাকা চালক ও এক পাচারকারী সাঁতরে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের খিদিরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ মাইক্রোবাস ও উদ্ধার করা গাঁজা জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, বিপুল পরিমাণ ভারতীয় গাঁজা পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সকালে কসবা থানার একটি দল উপজেলার সৈয়দাবাদ-নয়নপুর সড়কে অভিযান চালায়। এ সময় কালো রঙের একটি মাইক্রোবাস পুলিশের অভিযানের এলাকায় প্রবেশ করলে সন্দেহ হয়। পুলিশ গাড়িটিকে থামার সংকেত দিলে চালক সংকেত অমান্য করে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ গাড়িটিকে ধাওয়া করে।

পুলিশের ধাওয়া খেয়ে মাইক্রোবাসটি কসবা-সৈয়দাবাদ সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত আন্দিরপাড়-মনকাশাইর সড়ক দিয়ে দ্রুতগতিতে পালাতে থাকে। একপর্যায়ে খিদিরপুর গ্রাম পার হওয়ার সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে মাইক্রোবাসটি সড়কের পাশের একটি পুকুরে পড়ে যায়।

পুলিশের ভাষ্য, মাইক্রোবাসটি পুকুরে পড়ে যাওয়ার পর গাড়িতে থাকা গাঁজার প্যাকেটগুলো পানিতে ভেসে ওঠে। এ সময় গাড়িতে থাকা চালক ও এক পাচারকারী সাঁতরে পালিয়ে যান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাইক্রোবাসটি জব্দ করে এবং ভেতর থেকে ৯ বস্তা গাঁজা উদ্ধার করে।

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, গাঁজা পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় একটি মাইক্রোবাস ও ৯ বস্তা গাঁজা জব্দ করা হয়েছে। ৯ বস্তায় মোট কত পরিমাণ গাঁজা রয়েছে, তা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সচ্ছলতার আশায় রাশিয়ায়, বিস্ফোরণে প্রাণ গেল ভৈরবের জাকিরের

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
সচ্ছলতার আশায় রাশিয়ায়, বিস্ফোরণে প্রাণ গেল ভৈরবের জাকিরের

রাশিয়ায় একটি গ্যাস কোম্পানিতে বিস্ফোরণে নিহত কিশোরগঞ্জের ভৈরবের জাকির হোসেনের (৩৫) বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে ভৈরবের কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আৎকাপাড়া গ্রামের পরিবেশ। একমাত্র বড় ছেলে ও স্বামীকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে পরিবারটি। জাকিরের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

নিহত জাকির কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আৎকাপাড়া গ্রামের সেলিম প্রধানের বাড়ির মৃত রতন মিয়ার বড় ছেলে। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। তিনি এক কন্যাসন্তানের জনক।

স্বজন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে প্রায় দেড় বছর আগে ধারদেনা করে রাশিয়ায় পাড়ি জমান জাকির। সেখানে আমর এলাকায় অবস্থিত সিনাফেক্স কোম্পানিতে চাকরি নেন তিনি। চাকরি করে প্রতি মাসে দেশে টাকা পাঠাতেন। সেই টাকা দিয়ে ধারদেনা পরিশোধের পাশাপাশি কোনো রকমে সংসারের খরচ চালাচ্ছিলেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর জাকিরের পদোন্নতিও হয়েছিল। এতে পরিবারে কিছুটা আশার সঞ্চার হয়েছিল। স্বজনরা আশা করেছিলেন, এবার হয়তো তাদের সংসারে সচ্ছলতা ফিরবে। কিন্তু সেই আশা বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। কয়েক দিন আগে রাশিয়ার আমর এলাকায় সিনাফেক্স কোম্পানিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্যদের সঙ্গে জাকিরও নিহত হন।

গতকাল তাঁর গ্রামের বাড়িতে মৃত্যুর সংবাদ পৌঁছালে পরিবার ও এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে বাড়ির পরিবেশ। জাকিরের আকস্মিক মৃত্যুতে তাঁর স্ত্রী, সন্তান, মা-ভাইসহ স্বজনেরা গভীর শোকে ভেঙে পড়েছেন।

জাকিরের জেঠা আক্কাস মিয়া বলেন, “জাকির আমার ছোট ভাইয়ের ছেলে। চার ভাইয়ের মধ্যে সে সবার বড়। অভাবের সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে ধারদেনা করে রাশিয়ায় গিয়েছিল। সেখানে চাকরি করে যে টাকা পাঠাত, তা দিয়ে দেনা পরিশোধ করে কোনো রকমে সংসার চলছিল। রাশিয়ায় বিস্ফোরণে সবকিছু শেষ হয়ে গেল। এখন আমাদের দাবি, সরকার যেন আমার ভাতিজার লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করে। আমরা যেন নিজের হাতে তার দাফন করতে পারি।”

স্বজনেরা জানান, বিদেশে যাওয়ার পর জাকির নিয়মিত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। তাঁর পাঠানো অর্থেই পরিবারের আর্থিক সংকট কিছুটা কমছিল। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারটি আবারও চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

এলাকাবাসীও জাকিরের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের ভাষ্য, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য হিসেবে জাকিরের মৃত্যুতে স্বজনেরা বড় ধরনের আর্থিক ও মানসিক সংকটে পড়েছেন।

ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, “আমি বিষয়টি অবগত হয়েছি। আমরা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানিয়ে তাঁর লাশ কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে সর্বাত্মক চেষ্টা করব।”

পরিবার ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সরকারি উদ্যোগে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জাকিরের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। শেষবারের মতো স্বজনেরা তাঁকে দেখতে এবং নিজ হাতে দাফন করতে চান।

চীন-বাংলাদেশ ভোকেশনাল এডুকেশন, ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠায় সমঝোতা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
চীন-বাংলাদেশ ভোকেশনাল এডুকেশন, ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠায় সমঝোতা

‘চীন-বাংলাদেশ ভোকেশনাল এডুকেশন, ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

চীনের জিয়াংসি প্রাদেশিক সরকার ও জিয়াংসি সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি নরমাল ইউনিভার্সিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা বিনিময় সম্মেলনে’ শুক্রবার এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া এবং চীনের পক্ষে জিয়াংসি সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি নরমাল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ঝেং পেংউ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন সহযোগিতা জোরদারে তিনটি বড় সহযোগিতা প্ল্যাটফর্মের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং জিয়াংসি প্রাদেশিক শিক্ষা দপ্তরের উপপরিচালক ফ্যান হংহুই যৌথভাবে ‘চীন-বাংলাদেশ ভোকেশনাল টিচার ট্রেনিং সেন্টার’ উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর পেই হংওয়েই ‘বাংলাদেশ ভোকেশনাল এডুকেশন রিসার্চ সেন্টার’ উদ্বোধন করেন। একই অনুষ্ঠানে সচিব মো. দাউদ মিয়া ও প্রফেসর ঝেং পেংউ ‘বাংলাদেশ চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ+ স্কিল ডেভেলপমেন্ট’ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।

সম্মেলনে বক্তৃতাকালে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠী দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। মানসম্মত কারিগরি শিক্ষা ও আধুনিক প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের বিশ্বমানের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। চীনের আধুনিক অভিজ্ঞতা ও কারিগরি সহায়তায় বাংলাদেশের শিক্ষা খাত নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।”

মন্ত্রী বলেন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা অবশ্যই শিল্প খাত ও কর্মসংস্থানের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকতে হবে।

এ জন্য পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্ব, আধুনিক প্রযুক্তি, ব্যবহারিক শিক্ষা ও কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষায় বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, “আজকের এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন কারিগরি শিক্ষা সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। শিক্ষাকে দক্ষতায়, দক্ষতাকে কর্মসংস্থানে এবং কর্মসংস্থানকে অর্থনৈতিক সুযোগে পরিণত করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।”

সম্মেলনে জিয়াংসি প্রদেশের ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়, কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও শিল্প খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এতে শিল্প-শিক্ষা সংযোগ জোরদার, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, যৌথ গবেষণা ও শিক্ষার্থী বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে টেকসই অংশীদারত্ব গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

নতুন এ সহযোগিতা প্ল্যাটফর্মগুলোর মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষক প্রশিক্ষণ, গবেষণা, ভাষা শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও শিল্প খাতের প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মসংস্থানমুখী প্রশিক্ষণের সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গুজাদিয়ায় দর্গাহ্ কান্দা গোল্ড কাপের ফাইনাল শনিবার, প্রধান অতিথি ড. ওসমান ফারুক

হাবিবুর রহমান বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১০ অপরাহ্ণ
গুজাদিয়ায় দর্গাহ্ কান্দা গোল্ড কাপের ফাইনাল শনিবার, প্রধান অতিথি ড. ওসমান ফারুক

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার গুজাদিয়ায় অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী ‘দর্গাহ্ কান্দা গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’-এর ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামী শনিবার। বিকেল ৪টায় দর্গাহ্ কান্দা মাঠে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে মহিউদ্দিন মাখন ফুটবল একাডেমি ও করিমগঞ্জ ফুটবল একাডেমি। বহুল প্রতীক্ষিত এই ফাইনাল ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

ফাইনাল ম্যাচে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম. ওসমান ফারুক। তাঁর উপস্থিতিকে ঘিরেও স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

টুর্নামেন্টের ফাইনালে শিরোপার জন্য লড়বে দুই শক্তিশালী দল মহিউদ্দিন মাখন ফুটবল একাডেমি ও করিমগঞ্জ ফুটবল একাডেমি। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই ম্যাচে কে শেষ পর্যন্ত শিরোপা ঘরে তুলবে, তা জানতে অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয় ফুটবলপ্রেমীরা।

আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে দর্শকদের ব্যাপক উপস্থিতির প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ম্যাচটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

স্থানীয় ক্রীড়ানুরাগীরা মনে করছেন, দুই দলের লড়াইয়ে জমে উঠবে ফাইনাল ম্যাচ। দীর্ঘ প্রতিযোগিতার পর শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স, দলীয় সমন্বয় ও কৌশলই জয়-পরাজয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

টুর্নামেন্টের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মেজবাহ উদ্দিন টুটুল।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ফাইনাল ম্যাচটি শুধু দর্শকদের বিনোদনই দেবে না, স্থানীয় তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে তরুণ সমাজকে দূরে রাখতে নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজনের গুরুত্বও তুলে ধরেছেন সংশ্লিষ্টরা।

ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে গুজাদিয়া ও আশপাশের এলাকায় ইতোমধ্যে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। শনিবার বিকেলে দর্গাহ্ কান্দা মাঠে স্থানীয় দর্শকদের উপস্থিতিতে টুর্নামেন্টের জমজমাট সমাপ্তি ঘটবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।