রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

নিকলী হাওরে নৌকা বাইচ, বৈঠার ছন্দে মুখর হাওরপাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নিকলী হাওরে নৌকা বাইচ, বৈঠার ছন্দে মুখর হাওরপাড়

সংগ্রহীত ছবি

হাওরের বিস্তীর্ণ জলরাশি। চারদিকে থইথই পানি। পানির বুক চিরে ছুটে চলছে একের পর এক নৌকা। একসঙ্গে বৈঠা চালাচ্ছেন মাঝিরা। হাওরের পাড়ে দাঁড়িয়ে দর্শকদের করতালি, হর্ষধ্বনি ও উচ্ছ্বাসে মুখর চারপাশ। নৌকা বাইচকে ঘিরে নিকলী হাওরে ফিরে আসে গ্রাম বাংলার চিরচেনা উৎসবের আবহ।

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার আসানপুর-কাঠালকান্দি এলাকাবাসীর উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে নিকলী হাওরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। আয়োজনকে ঘিরে সকাল থেকেই এলাকায় ছিল উৎসবের আমেজ। দুপুরের পর হাওরের চারপাশে বাড়তে থাকে দর্শনার্থীদের ভিড়।

নিকলীসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট-বড় নৌকা নিয়ে মানুষ ছুটে আসেন প্রতিযোগিতা দেখতে। কেউ নৌকায় বসে হাওরে ভেসে প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন, আবার কেউ হাওরের পাড়ে দাঁড়িয়ে নৌকার ছুটে চলার দৃশ্য উপভোগ করেন। নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণী ও বয়স্কদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা পরিণত হয় আনন্দমুখর মিলনমেলায়।

প্রতিযোগিতা শুরুর সংকেত পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মাঝিরা একযোগে বৈঠা চালাতে শুরু করেন। মুহূর্তেই নৌকাগুলো ছুটে চলে পানির ওপর দিয়ে। একে অপরকে পেছনে ফেলে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে শুরু হয় তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। বৈঠার ছন্দ যত বাড়তে থাকে, দর্শকদের উচ্ছ্বাসও ততই বাড়তে থাকে।

এবারের নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা দুটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়—২০ মাঝির নৌকা ও আনলিমিটেড মাঝির নৌকা। দুই ক্যাটাগরিতেই বিভিন্ন নৌকা অংশ নেয়। প্রতিযোগিতা শেষে ২০ মাঝির ক্যাটাগরিতে মাতাব মাঝির নৌকা এবং আনলিমিটেড ক্যাটাগরিতে সেলিম মাঝির নৌকা বিজয়ী হয়।

প্রতিযোগী মাঝি আমিরুল ইসলাম বলেন, “নৌকা বাইচ আমাদের কাছে শুধু প্রতিযোগিতা নয়, এটি এলাকার ঐতিহ্যের অংশ। বৈঠা হাতে নৌকা নিয়ে পানিতে নামার পর জয়-পরাজয়ের পাশাপাশি আলাদা আনন্দ কাজ করে।”

আরেক প্রতিযোগী হিমেল মিয়া বলেন, “বাইচের সময় পরিবেশটা একেবারেই আলাদা হয়ে যায়। একসঙ্গে অনেক মাঝি বৈঠা চালালে নৌকা দ্রুত ছুটে চলে। দর্শকদের চিৎকার ও করতালিতে আমাদের উৎসাহ আরও বেড়ে যায়।”

বিজয়ী দলের সদস্য রুমান বলেন, “জয়ের জন্য আমরা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। সবাই সমন্বয় করে বৈঠা চালিয়েছি। বিজয়ী হতে পেরে খুব ভালো লাগছে। সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হলো, এত মানুষ নৌকা বাইচ দেখতে এসেছে।”

নৌকা বাইচ দেখতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা করিম বলেন, “আধুনিক বিনোদনের নানা মাধ্যমের ভিড়ে গ্রাম বাংলার অনেক লোকজ ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে। নৌকা বাইচের মতো আয়োজন সেই ঐতিহ্যকে নতুন করে মানুষের সামনে তুলে ধরে। নতুন প্রজন্মও আমাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারছে।”

দর্শনার্থী রাকিব হোসেন বলেন, “অনেক দিন পর নৌকা বাইচ দেখে খুব ভালো লাগছে। হাওরের পানিতে নৌকার ছুটে চলা, মাঝিদের বৈঠার ছন্দ আর মানুষের উচ্ছ্বাস—সব মিলিয়ে দারুণ পরিবেশ তৈরি হয়েছে।”

স্থানীয়দের কাছে নৌকা বাইচ শুধু খেলা বা বিনোদনের আয়োজন নয়; এটি হাওরাঞ্চলের মানুষের জীবন ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। বর্ষায় হাওর পানিতে ভরে উঠলে নৌকা হয়ে ওঠে মানুষের চলাচলের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। সেই নৌকাকে ঘিরেই একসময় গ্রাম বাংলার বিভিন্ন এলাকায় জমে উঠত নৌকা বাইচ।

আয়োজক কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম বলেন, “মানুষের বিনোদনের পাশাপাশি গ্রাম বাংলার হারিয়ে যেতে বসা নৌকা বাইচের ঐতিহ্য ধরে রাখাই ছিল আমাদের অন্যতম উদ্দেশ্য। মানুষের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এমন আয়োজন করা হবে।”

প্রতিযোগিতা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ দলের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন আয়োজক কমিটির সদস্যরা। বিজয়ীদের পুরস্কার দেওয়ার সময়ও ছিল আনন্দঘন পরিবেশ। দর্শকরাও করতালি দিয়ে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানান।

হাওরের জলরাশি, মাঝিদের ছন্দময় বৈঠা আর দর্শকদের উচ্ছ্বাস—সব মিলিয়ে নিকলী হাওরে দিনভর ছিল উৎসবের আবহ। ঐতিহ্যবাহী এই নৌকা বাইচের মধ্য দিয়ে হাওরাঞ্চলের লোকজ সংস্কৃতির প্রাণবন্ত এক রূপই যেন নতুন করে সামনে আসে।

পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত এবং জুনিয়র বৃত্তি-২০২৬ অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট, পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নাচ, গান ও অভিনয়সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। তাদের মনোজ্ঞ পরিবেশনায় অনুষ্ঠানস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, মাসুদা ইসলাম, শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম খান, নির্বাহী প্রকৌশলী, কিশোরগঞ্জ এবং কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ভালো ফলাফল অর্জনকারীদের পাশাপাশি যারা প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি, তাদেরও হতাশ না হয়ে আরও বেশি পরিশ্রম করতে হবে। নিয়মিত অধ্যবসায় ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতা বিকাশে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শুধু ভালো ফলাফল অর্জনই নয়, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থীদের নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করাই শিক্ষার্থীদের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে নিজেদের একজন যোগ্য ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার চর্চার ওপর গুরুত্ব দেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শেষ হয়।

কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্র থেকে জনসাধারণ বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ভূমিসেবা নিতে পারবেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, স্থানীয় সরকার উপপরিচালক (উপসচিব) জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুস সাকিব খান, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) নিলুফা আক্তার রূপা এবং জেলার ১৩টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)।

উদ্বোধন শেষে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলামকে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। তিনি কেন্দ্রটির মাধ্যমে নাগরিকদের কী ধরনের ভূমিসেবা দেওয়া হবে এবং কীভাবে এসব সেবা পাওয়া যাবে, সে বিষয়ে সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, জেলার নাগরিকদের ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে এ ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের একটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ। কেন্দ্রটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে জেলা প্রশাসন।

তিনি জানান, নাগরিকরা সরাসরি জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা নিতে পারবেন। এর মাধ্যমে প্রতিদিন ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়া, নামজারি ও জমাখারিজ, খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি এবং মৌজা ম্যাপ বা নকশা প্রাপ্তির আবেদনসহ বিভিন্ন ধরনের ভূমিসেবা পাওয়া যাবে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্রের মাধ্যমে এক জায়গা থেকেই নাগরিকরা প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এতে ভূমিসেবা গ্রহণে নাগরিকদের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি সেবা প্রদানের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব হবে।

কিশোরগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হত্যার হুমকি, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

রোববার দুপুরে শহরের সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বর থেকে এনসিপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

এর আগে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আহনাফ সাঈদ খান, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবীর, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ইকরাম হোসেন, ফয়সাল প্রিন্সসহ দলের অন্যান্য নেতাকর্মী।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হয়রানির ঘটনা ঘটছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ চাপে রয়েছে।

বক্তারা অবিলম্বে দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও নির্যাতন বন্ধের দাবি জানান। পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

সমাবেশ শেষে একই দাবিতে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন এনসিপির নেতাকর্মীরা।