বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কটিয়াদীতে নেশার টাকা জোগাতে ৫ শিশু তুলে দেওয়ার অভিযোগ

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কটিয়াদীতে নেশার টাকা জোগাতে ৫ শিশু তুলে দেওয়ার অভিযোগ

মাদকের ভয়াল ছোবল ও দারিদ্র্যের চাপে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে চার পরিবারের পাঁচ শিশু সন্তানকে টাকার বিনিময়ে অন্যের কাছে তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নেশার টাকা জোগাড় করতে এসব শিশুকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে অন্যের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে এমন অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কটিয়াদী উপজেলার উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে মাদকের বিস্তার ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। তাঁদের দাবি, গ্রামের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নারী-পুরুষ মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছেন। কেউ কেউ নেশার টাকা জোগাড় করতে নিজেদের ঔরসজাত সন্তানদেরও টাকার বিনিময়ে অন্যের হাতে তুলে দিচ্ছেন। সন্তানদের বিনিময়ে পাওয়া অর্থ মাদক কেনা ও সেবনে ব্যয় করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামের চার পরিবারের পাঁচ শিশুকে পৃথক সময়ে বিভিন্ন অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অন্যের কাছে তুলে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে দুলাল মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন ও তাঁর স্ত্রী ফারজানার নবজাতক সন্তানকে গত ২ সেপ্টেম্বর ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে অন্যের কাছে তুলে দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

জজ মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেনের দুই স্ত্রীর গর্ভে জন্ম নেওয়া দুই শিশুকে যথাক্রমে ১ লাখ ৫০ হাজার ও ২০ হাজার টাকায় এবং আসাদ মিয়ার ছেলে জাকির হোসেনের একটি সন্তানকে ৭৭ হাজার টাকার বিনিময়ে তুলে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে আসাদ মিয়ার একটি সন্তানকে ২ লাখ টাকার বিনিময়ে অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের আরও দাবি, এসব শিশুর মধ্যে যাদের প্রথমে অন্যের কাছে দেওয়া হয়েছিল, তাদের কেউ কেউ পরবর্তী সময়ে আরও বেশি টাকার বিনিময়ে অন্যত্র তুলে দিয়েছেন। ফলে শিশুদের বর্তমান অবস্থান, পরিচয় ও নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

চরপুক্ষিয়া গ্রামের জয়নাল মিয়া, বকুল মিয়া, বাবুল মিয়া, জামাল মিয়া, কালাচান, সখিনা, কালুমিয়া, নুরুন্নাহার ও গ্রাম পুলিশ দুলাল মিয়াসহ কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেন, মাদকের বিস্তার রোধে স্থায়ী কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। তাঁদের দাবি, মাদকাসক্তদের একটি অংশ নেশার টাকা জোগাড় করতে পরিবারের শিশু সন্তানদের পর্যন্ত অন্যের হাতে তুলে দিচ্ছে।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, মাদকাসক্তদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস তাঁদের নেই। প্রতিবাদ করলে হামলা, হয়রানি কিংবা নানা ধরনের চাপের আশঙ্কা থাকে। তাঁদের নিজেদেরও ছোট ছোট সন্তান রয়েছে। তাই সবকিছু দেখেও অনেক সময় নীরব থাকতে হয়।

তাঁদের অভিযোগ, শুধু বড়রাই নন, শিশুদেরও মাদকের সংস্পর্শে আনা হচ্ছে। প্রায় পাঁচ-ছয় বছর বয়সী একটি শিশুকে মাদক সেবন করানোর অভিযোগও করেছেন তাঁরা। কোনো কোনো পরিবারে স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানরা একসঙ্গে মাদক সেবন করে বলেও দাবি করেন কয়েকজন বাসিন্দা। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সামাজিকভাবে হেয় হওয়ার আতঙ্কও তৈরি হয়েছে। কটিয়াদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ ও কষ্ট প্রকাশ করে বলে, উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামের পরিচয় দিতে গেলেই অনেকের কাছ থেকে কটূক্তি শুনতে হয়। গ্রামের বদনামের কারণে সামাজিকভাবে নানা বিড়ম্বনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাদের। ওই শিক্ষার্থী জানায়, তারা মাদকমুক্ত ও সুন্দর পরিবেশে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে চায়।

এলাকাবাসী দ্রুত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা, মাদকসেবী ও মাদক কারবারিদের শনাক্তকরণ এবং শিশুদের অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে যেসব পরিবারের বিরুদ্ধে শিশু সন্তানকে টাকার বিনিময়ে অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, তাদের সদস্যরা সাংবাদিক আসার খবর পেয়ে অন্যত্র চলে যান। ফলে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম রফিক বলেন, উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে মাদকের ছোবল ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বিভিন্ন সময়ে পাঁচটি শিশু সন্তানকে টাকার বিনিময়ে অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার কথা তিনি শুনেছেন। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সামাজিকভাবে উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়া হবে।

কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, জালালপুর ইউনিয়নের উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে দারিদ্র্য ও মাদকের টাকা জোগাড়ের জন্য ঔরসজাত সন্তানদের টাকার বিনিময়ে অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাদক নির্মূলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

কিশোরগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজাসহ নারী আটক

রেজাউল হক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজাসহ নারী আটক

কিশোরগঞ্জে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ ফাতেমা খাতুন (৪৫) নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ মডেল থানাধীন বিন্নাটি বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ শোয়েব ইবনে রেজার নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় কিশোরগঞ্জ এবং কিশোরগঞ্জ লাইন পুলিশের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স এ অভিযান পরিচালনা করে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত বিন্নাটি বাজার এলাকার ঈসাখা ট্রান্সপোর্ট অফিসের পশ্চিম পাশে সড়কে অভিযান চালিয়ে ফাতেমা খাতুনকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

আটক ফাতেমা খাতুন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামের মৃত শামসুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী। তাঁর বাবার নাম মহিবুল্লাহ এবং মায়ের নাম আছিয়া খাতুন।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ওবায়দুল্লাহ খান বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট ধারায় কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা করেছেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কিশোরগঞ্জের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনায়েত হোসেন এসব তথ্য সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশি আটকের অভিযোগ, সক্রিয় রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
পুলিশি আটকের অভিযোগ, সক্রিয় রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের

রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রায় ১২ ঘণ্টা পুলিশি ‘হেনস্থা’ ও আটকের অভিযোগ তুলে সক্রিয় রাজনীতি থেকে স্বেচ্ছাবসরের ঘোষণা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। বুধবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে কান্নায় ভেঙে পড়ে এ ঘোষণা দেন তিনি।

হুমায়ুন কবীর বলেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আমলে তিনি আর কোনোদিন রাজ্য বিধানসভার অধিবেশনে অংশ নেবেন না। একই সঙ্গে বিধানসভা সম্পূর্ণ বয়কটের ঘোষণাও দেন তিনি।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘যে গণতান্ত্রিক নিয়মে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই একজন বিধায়ককে পুলিশ জোর করে তুলে নিয়ে ১২ ঘণ্টা আটকে রাখতে পারে, সেই গণতন্ত্রকে আমি ঘৃণা করি। শুভেন্দু অধিকারীর মতো পুলিশমন্ত্রীর অধীনে আমি রাজনীতি করতে চাই না।’

মঙ্গলবার রেজিনগর উপনির্বাচন শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে ‘আইন ভঙ্গের’ অভিযোগে পুলিশ তাঁকে আটক করে। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর রাত ৮টার দিকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হেনস্থা দাবি করে হুমায়ুন কবীর অভিযোগ করেন, পুলিশি সহায়তায় নির্বাচনে অবাধে ভোট লুট চালানো হয়েছে।

২০২৬ সালের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে নওদা ও রেজিনগর—দুটি আসন থেকেই জয়ী হয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। পরে রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

হুমায়ুন কবীর জানান, নওদার ভোটারদের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি এলাকায় জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ মানুষের সেবা করে যাবেন। তবে বিধায়ক পদ থেকেও স্থায়ীভাবে সরে দাঁড়াবেন কি না, সে বিষয়ে শিগগিরই এলাকার মানুষের মতামত নেবেন।

এ ছাড়া বিধানসভার সব সংসদীয় কমিটি, যার মধ্যে মাইনরিটি অ্যাফেয়ার্স, হাউস কমিটি ও বিজনেস অ্যাডভাইজরি কমিটি রয়েছে, সেগুলো থেকেও সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি। একই সঙ্গে স্পিকারের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকেও আর অংশ নেবেন না বলে জানান।

ডেঙ্গুতে আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৬০

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৬০

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮৯ জনে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ১ হাজার ৮৬০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুজন, রাজশাহী বিভাগে দুজন, সিলেট বিভাগে একজন এবং বরিশাল বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৪৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে বরিশাল বিভাগে ২০০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১৬, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২১২, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭১, খুলনা বিভাগে ৩৭৬, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১০, রাজশাহী বিভাগে ১৭৬, রংপুর বিভাগে ৩৮ এবং সিলেট বিভাগে ১৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে বুধবার পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই সিটি করপোরেশনসহ শুধু ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১২৯ জন।

এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ৫৭ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৩, বরিশাল বিভাগে ২৫, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫, রাজশাহী বিভাগে ২১, রংপুর বিভাগে ছয় এবং সিলেট বিভাগে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।