মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩

দুবাইয়ে ১ হাজার ট্যাক্সিচালক নেবে কোম্পানি, এ মাসেই সাক্ষাৎকার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
দুবাইয়ে ১ হাজার ট্যাক্সিচালক নেবে কোম্পানি, এ মাসেই সাক্ষাৎকার

বাংলাদেশ থেকে ১ হাজার ট্যাক্সিচালক নিয়োগ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইভিত্তিক একটি ট্যাক্সি কোম্পানি। এ লক্ষ্যে আগামী ২৯ ও ৩০ আগস্ট রাজধানীর বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রার্থীদের সরাসরি সাক্ষাৎকার ও বাছাই অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সি আল আনাস ওভারসিজ (আরএল-২৭৩৫) এ নিয়োগ কার্যক্রমের স্থানীয় আয়োজন ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে। যোগ্য প্রার্থীদের সরাসরি সাক্ষাৎকার ও বাছাই করতে দুবাইয়ের ওই কোম্পানির একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসবে।

বাংলাদেশিদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে কোম্পানি

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ মে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে দুবাইয়ের ট্যাক্সি কোম্পানিটির একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ থেকে চালক নিয়োগের আগ্রহের কথা জানায়।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদলটি জানায়, বর্তমানে বিশ্বের ২৭টি দেশ থেকে প্রায় ১৫ হাজার কর্মী তাদের প্রতিষ্ঠানে ট্যাক্সি ও লিমোজিন চালক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৮ হাজারই বাংলাদেশি।

প্রতিনিধিদলের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি কর্মীরা পরিশ্রমী হওয়ায় তাদের নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।

আবেদনের যোগ্যতা

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রার্থীদের ন্যূনতম এসএসসি পাস হতে হবে। আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ২৩ থেকে ৪৯ বছরের মধ্যে

চাকরির মেয়াদ দুই বছর। তবে মেয়াদ শেষে তা নবায়নের সুযোগ থাকবে। নির্বাচিত কর্মীরা প্রতিষ্ঠানটির নীতিমালা অনুযায়ী কমিশনভিত্তিক আয় করার সুযোগ পাবেন।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় ড্রাইভিং লাইসেন্স, মেডিকেল পরীক্ষা এবং এমিরেটস আইডি-সংক্রান্ত ব্যয় কোম্পানি বহন করবে। পাশাপাশি কর্মীদের আবাসনের ব্যবস্থাও করবে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে গাড়ি পাওয়ার তিন মাস পর আবাসন ও সংশ্লিষ্ট সুবিধার জন্য নির্ধারিত অর্থ প্রতি মাসে বেতন থেকে কেটে নেওয়া হবে বলে নিয়োগের শর্তে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যান্য শর্ত ও সুযোগ-সুবিধা সংযুক্ত আরব আমিরাতের শ্রম আইন এবং নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।

সাক্ষাৎকারে যেসব কাগজপত্র লাগবে

সরাসরি সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে আনতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—

  • মূল পাসপোর্ট;
  • পাসপোর্টের রঙিন ফটোকপি;
  • সাদা পটভূমির পাসপোর্ট সাইজের ছবি;
  • ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এর রঙিন ফটোকপি;
  • জীবনবৃত্তান্ত (সিভি);
  • শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের রঙিন ফটোকপি।

আগামী ২৯ ও ৩০ আগস্ট রাজধানীর বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ সাক্ষাৎকার ও বাছাই অনুষ্ঠিত হবে।

বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগকে সামনে রেখে আগ্রহী প্রার্থীদের নিয়োগের শর্ত, বেতন-ভাতা, কমিশন কাঠামো, আবাসন সুবিধা এবং অন্যান্য ব্যয় সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে ও যাচাই করে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের খসড়া আইনে মন্ত্রিসভার অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের খসড়া আইনে মন্ত্রিসভার অনুমোদন

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ (এসআরবি) নামে নতুন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিধান রেখে প্রস্তাবিত ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে খসড়াটি চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৭তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়াটি লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

প্রস্তাবিত আইনের অন্যতম প্রধান বিষয় হলো—বিদ্যমান র‌্যাব বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে এসআরবি নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা। নতুন বাহিনীটি র‌্যাবের স্থলাভিষিক্ত হবে এবং আইন অনুযায়ী এর কাঠামো, পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার বিধান নির্ধারিত হবে।

খসড়ায় নাগরিকদের অভিযোগ এবং এসআরবির সদস্যদের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য একটি বহুপক্ষীয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে নতুন বাহিনীর কার্যক্রমে অভিযোগ নিষ্পত্তি ও জবাবদিহির একটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা তৈরির প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ ছাড়া র‌্যাবের জনবল, আদেশ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধা, তহবিল, সম্পত্তি, হিসাব, রেকর্ডসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সম্পদ এসআরবির কাছে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে। অর্থাৎ নতুন আইন কার্যকর হলে বিদ্যমান র‌্যাবের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদের ধারাবাহিকতা নতুন বাহিনীর মাধ্যমে বজায় রাখার ব্যবস্থা থাকবে।

খসড়া আইনে নতুন বিধিমালা প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত র‌্যাব-সংক্রান্ত বিদ্যমান বিধি ও বিভাগীয় কার্যধারার বিধান প্রয়োজনীয় অভিযোজনসহ বহাল রাখার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ফলে নতুন আইন কার্যকর হওয়ার পরপরই প্রশাসনিক ও বিভাগীয় কার্যক্রমে যাতে কোনো ধরনের শূন্যতা তৈরি না হয়, সে জন্য অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, এসআরবি বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। খসড়া আইনে র‌্যাবের বিদ্যমান জনবল ও সম্পদের পাশাপাশি চলমান কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার বিধানও রাখা হয়েছে।

এর আগে গত ৬ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রকাশের তথ্য জানা যায়। প্রস্তাবিত আইনে এসআরবিকে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে গঠনের কথা বলা হয়। খসড়া অনুযায়ী, বাহিনীটির প্রধান হবেন অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক।

খসড়া আইনে মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ, বিস্ফোরক, সন্ত্রাসবাদ, মানবপাচার, সংঘবদ্ধ অপরাধ, সাইবার অপরাধ এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযান পরিচালনা, তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের মতো ক্ষমতার বিধানও রাখা হয়েছে। আদালত, সরকার বা পুলিশ মহাপরিদর্শকের নির্দেশে ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত করার সুযোগও প্রস্তাবিত আইনে রয়েছে।

নতুন বাহিনীর ক্ষেত্রে অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিষয়টিকে খসড়া আইনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নতুন সংযোজন হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় নাগরিকদের অভিযোগ গ্রহণ, তা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করার সুযোগ থাকবে।

এখন লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। এরপর প্রস্তাবিত আইনটি সংসদে বিল আকারে উত্থাপন ও পাস হওয়ার পর আইন হিসেবে কার্যকর হলে র‌্যাবের বিদ্যমান আইনি কাঠামোর পরিবর্তে এসআরবির নতুন কাঠামো কার্যকর হবে।

ফলে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের মধ্য দিয়ে র‌্যাব বিলুপ্ত করে নতুন নামে ও কাঠামোয় বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগোল। তবে চূড়ান্তভাবে এসআরবি প্রতিষ্ঠা ও র‌্যাব বিলুপ্তি কার্যকর হতে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন।

দুই পা হারিয়েও থামেননি শাহিন, চাকরির লড়াইয়ে মিলল আশার বার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
দুই পা হারিয়েও থামেননি শাহিন, চাকরির লড়াইয়ে মিলল আশার বার্তা

সড়ক দুর্ঘটনায় দুই পা হারিয়েও থেমে থাকেননি কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের তরুণ শাহিন খান। শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে একের পর এক চাকরির লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও নিয়োগ না পাওয়ার দীর্ঘ সংগ্রামের গল্প নিয়ে সম্প্রতি প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে এসেছে নীতিনির্ধারকদের। এরই ধারাবাহিকতায় শাহিনের বিষয়ে যোগাযোগ করেছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমের কার্যালয়।

আজ প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তারা শাহিনের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার পারিবারিক অবস্থা, শিক্ষাজীবন, সড়ক দুর্ঘটনায় দুই পা হারানোর ঘটনা এবং পরবর্তী সময়ে নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে চাকরির পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেন।

প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে শাহিনকে জানানো হয়েছে, তার বিষয়টি গুরুত্ব ও সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে কোনো বিশেষ সুবিধা বা করুণার পরিবর্তে তার মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সহায়তার কথা বলা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে শাহিনকে যোগ্যতা অনুযায়ী আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

শাহিন খান বলেন, তিনি কোনো বিশেষ অনুগ্রহ চান না। তার শারীরিক প্রতিবন্ধকতা যেন মেধা ও যোগ্যতার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়—এটাই তার প্রত্যাশা।

প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে যোগাযোগ ও সহযোগিতার আশ্বাস পাওয়ায় শাহিন ও তার পরিবার নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। দীর্ঘদিন ধরে চাকরির জন্য চেষ্টা করে আসা শাহিনের প্রত্যাশা, যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে এবার একটি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও শাহিন যেভাবে চাকরির পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে আসছেন, তা অন্যদের জন্যও অনুপ্রেরণার। তার কর্মসংস্থানের বিষয়ে সরকারি পর্যায় থেকে উদ্যোগের খবরে কুলিয়ারচরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

তবে শাহিনের জন্য এখনো কোনো নির্দিষ্ট পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত বা নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী ভবিষ্যৎ নিয়োগে আবেদন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সহায়তার কথা বলা হয়েছে। ফলে দীর্ঘ সংগ্রামের পর শাহিনের চাকরির প্রত্যাশা শেষ পর্যন্ত কীভাবে বাস্তবে রূপ নেয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

পাকুন্দিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর পাশে উপজেলা প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০০ অপরাহ্ণ
পাকুন্দিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর পাশে উপজেলা প্রশাসন

সংগ্রহীত ছবি

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মিজান মিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ব্যবসা পুনরায় চালু করতে তাকে নগদ অর্থ, ঢেউটিনসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আরও সহযোগিতার জন্য তার আবেদন জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার সুখিয়া বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত মিজান মিয়ার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. আবদুল মান্নান।

পরিদর্শন শেষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মিজান মিয়ার হাতে নগদ ১০ হাজার টাকা তুলে দেন ইউএনও রূপম দাস। এ ছাড়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটি পুনর্গঠনের জন্য তিন বান্ডিল ঢেউটিন ও আরও ৯ হাজার টাকা অনুদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে তাৎক্ষণিক সহায়তার পাশাপাশি তার আবেদন জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হবে। এর মাধ্যমে ব্যবসা পুনরায় চালু করতে আরও সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মিজান মিয়া বলেন, ‘আগুনে আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে আমি অনেকটা অসহায় হয়ে পড়েছিলাম। উপজেলা প্রশাসন আমার পাশে দাঁড়িয়ে নগদ অর্থ, ঢেউটিন ও আরও অনুদানের ব্যবস্থা করেছে। ইউএনও স্যারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। প্রশাসনের এ সহযোগিতায় আবারও ঘুরে দাঁড়িয়ে নতুন করে ব্যবসা শুরু করার সাহস পাচ্ছি।’

ইউএনও রূপম দাস বলেন, ‘মিজানের পুড়ে যাওয়া দোকানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে আমি অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তাকে তাৎক্ষণিকভাবে নগদ ১০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তিন বান্ডিল ঢেউটিন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তার আবেদন জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠিয়ে আরও সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে তিনি দ্রুত ব্যবসা পুনরায় চালু করতে পারেন।’

প্রসঙ্গত, গত ১১ আগস্ট উপজেলার সুখিয়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে মিজান মিয়ার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মিজান মিয়া পাকুন্দিয়া উপজেলার আজলদী গ্রামের বাসিন্দা।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41