রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

পিডিবির নীরবতায় গুরুদয়াল মুক্তমঞ্চে অবাধে চলছে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
পিডিবির নীরবতায় গুরুদয়াল মুক্তমঞ্চে অবাধে চলছে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ

কিশোরগঞ্জ পৌর শহরের নরসুন্দা লেকসিটির গুরুদয়াল মুক্তমঞ্চ ঘিরে গড়ে উঠেছে শতাধিক দোকানপাট ও রেস্তোরাঁ। এসব স্থাপনার কারণে মুক্তমঞ্চের হাঁটাচলা ও বসার জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। দর্শনার্থীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এসব দোকানপাট গড়ে তোলা হয়েছে। এতে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের বিনোদন ও অবসর কাটানোর পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাব, পরিবেশদূষণ এবং বখাটে ও কিশোর গ্যাংয়ের উপদ্রব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে এ পরিস্থিতি চললেও উচ্ছেদের আশ্বাসের পরও জনদুর্ভোগের অবসান হচ্ছে না।

প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নির্মল বাতাস ও নরসুন্দা নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে মুক্তমঞ্চে ভিড় করেন বিভিন্ন বয়সের মানুষ। পরিবার-পরিজন নিয়ে অবসর কাটানো, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো কিংবা খোলা পরিবেশে কিছুক্ষণ বসার জন্যও অনেকে এখানে আসেন। তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, মুক্তমঞ্চের চারপাশে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে দর্শনার্থীদের চলাচলের জায়গা অনেকটাই সংকুচিত হয়েছে। বসার বেঞ্চ ও হাঁটার পথের কিছু অংশও দোকানপাটের দখলে চলে গেছে। ফলে খাবার বা পানীয় কেনার সুযোগ থাকলেও পরিবার নিয়ে স্বস্তিতে বসা কিংবা স্বাভাবিকভাবে ঘোরাফেরা করার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ীর অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে কতিপয় ব্যক্তি দোকানপ্রতি প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছেন। তাঁদের দাবি, দোকান পরিচালনার পাশাপাশি বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্যও অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। মিটার ছাড়াই বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে বাল্বপ্রতি দৈনিক ২০ থেকে ৫০ টাকা এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির জন্য অতিরিক্ত ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, নতুন করে দোকান বসাতে এককালীন ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা অগ্রিম দিতে হয়। এসব অভিযোগ সত্য হলে দোকানপাট ঘিরে নিয়মিত অর্থ আদায় ও অবৈধ বাণিজ্যের একটি বড় পরিসর তৈরি হয়েছে। তবে এসব অর্থ কারা আদায় করছেন, তাঁদের পরিচয় এবং আদায়ের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

মুক্তমঞ্চের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীরা। স্থানীয় বাসিন্দা শরীফুল ইসলাম বলেন, “এখানে দর্শনার্থীর চেয়ে দোকানের সংখ্যা বেশি। হাঁটার কোনো উপায় নেই।”

শিক্ষক আকিব শিকদারের অভিযোগ, দোকানগুলোর বর্জ্য সরাসরি নরসুন্দা নদী ও কলেজ মাঠে ফেলা হচ্ছে। এতে পরিবেশ দূষিত হওয়ার পাশাপাশি পুরো এলাকাটি অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠছে। এ ছাড়া বখাটে ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যে দর্শনার্থীরা প্রায়ই ছিনতাই ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। ফলে পরিবার নিয়ে মুক্তমঞ্চে আসা মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঞা জানান, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ সংযোগের বিষয়ে পিডিবি কিশোরগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বলেন, মুক্তমঞ্চের দোকানগুলোতে দেওয়া বিদ্যুৎ সংযোগ বৈধ। তবে স্থাপনাগুলো অবৈধ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান বলেন, “অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলীকে বলা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বিষয়টি জেলা সমন্বয় কমিটির মিটিংয়েও আলোচনা হয়েছে। বিদ্যুৎ অফিসের কোনো স্বার্থ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।”

কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিনের অনিয়মের কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক নাম ভাঙিয়ে এসব অপকর্ম চলছে। মুক্তমঞ্চের বিশৃঙ্খলা রোধে দোকানপাট নিয়ন্ত্রণ ও সমাধানকল্পে আমরা কাজ করছি।”

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানিয়েছেন, গুরুদয়াল মুক্তমঞ্চে গড়ে ওঠা স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণ অবৈধ। এর আগে এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল। তবে নতুন করে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার আগে ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের জন্য তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের বিষয়টিও বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধান করা হবে বলে জানান তিনি।

কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে উচ্ছেদ ও পুনর্বাসনের আশ্বাস দেওয়া হলেও মুক্তমঞ্চের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগের অপেক্ষায় রয়েছেন দর্শনার্থীরা। তাঁদের প্রত্যাশা, জনসাধারণের বিনোদন ও অবসর কাটানোর এ স্থানটি দোকানপাটের দখলমুক্ত করে চলাচল, বসার জায়গা, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

করিমগঞ্জে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
করিমগঞ্জে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বিশেষ অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবাসহ কাঞ্চন মিয়া (৪৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে উপজেলার গাঙ্গাইল এলাকার পাঠানপাড়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গাঙ্গাইলের পাঠানপাড়া এলাকায় মাদক কেনাবেচা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের একপর্যায়ে ঘটনাস্থল থেকে কাঞ্চন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর কাছ থেকে ৭০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার কাঞ্চন মিয়া করিমগঞ্জ উপজেলার গাঙ্গাইল এলাকার পাঠানপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত শাজাহান ওরফে ইসমাইলের ছেলে।

জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া জানান, মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ ঘটনায় করিমগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের জন্য এজাহার তৈরির প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও জানান, মাদকবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তাড়াইলে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় জাতীয় সমবায় দিবস পালন

রুহুল আমিন প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় জাতীয় সমবায় দিবস পালন

‘করব সমবায়, গড়ব দেশ- সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমবায় কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সমবায় সমিতির সদস্য, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

শোভাযাত্রা শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শামছুল আলমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিসান আলী।

সভায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিকাশ রায়, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সারওয়ার হোসেন লিটন এবং সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার আলমসহ অন্যরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সমবায়ের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, বেকারত্ব দূর করা এবং স্বাবলম্বী বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের জীবনমান পরিবর্তনে সমবায় কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্য সমবায় সমিতিগুলোকে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে পরিচালনা করতে হবে।

বক্তারা সমবায় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে সমবায় সমিতির সদস্যদের পারস্পরিক সহযোগিতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে সমবায় আন্দোলনকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান

কিশোরগঞ্জে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন, অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় সমবায়ের গুরুত্বারোপ

রেজাউল হক প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন, অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় সমবায়ের গুরুত্বারোপ

‘করব সমবায়, গড়ব দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যে কিশোরগঞ্জে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) জেলা প্রশাসন ও জেলা সমবায় বিভাগের যৌথ আয়োজনে শহরের খরমপট্টি এলাকার সমবায় কমিউনিটি সেন্টারে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও পিপি অ্যাডভোকেট মো. শরীফুল ইসলাম শরীফ, জেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. নবীউল ইসলাম এবং জেলা সমবায় কার্যালয়ের উপসহকারী নিবন্ধক শাহানারা হাসিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সমবায় শুধু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়, এটি পারস্পরিক সহযোগিতা, ঐক্য ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার একটি কার্যকর মাধ্যম। সমবায়ের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব। দেশের সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে সমবায় আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বক্তারা আরও বলেন, সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সমবায় সমিতিগুলোর স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।

অনুষ্ঠানে সমবায়ের আদর্শ ও চেতনা সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।