রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

গোলশূন্য ৯০ মিনিট, টাইব্রেকারে নাটকীয় জয়-ভারতকে হারিয়ে প্রতিশোধ ও টানা শিরোপা

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৬ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
গোলশূন্য ৯০ মিনিট, টাইব্রেকারে নাটকীয় জয়-ভারতকে হারিয়ে প্রতিশোধ ও টানা শিরোপা

মালদ্বীপের রাজধানী মালের জাতীয় স্টেডিয়ামে রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে টাইব্রেকারে ভারতকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত সময়ের গোলশূন্য ড্রয়ের পর ভাগ্য নির্ধারণী টাইব্রেকারে জয় নিশ্চিত করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

ফাইনালের শেষ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ফুটবলার রোনান সুলিভান টাইব্রেকারের নির্ণায়ক শট নিতে দাঁড়ালে গ্যালারিতে থাকা হাজারো প্রবাসী বাঙালির হৃদস্পন্দন যেন থমকে যায়। তার নিখুঁত শটে বল জালে জড়াতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে পুরো স্টেডিয়াম।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। শুরুতেই ভারতের ঋষি সিংয়ের শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন। এরপর বাংলাদেশ ও ভারত পাল্টাপাল্টি গোল করতে থাকে। বাংলাদেশের হয়ে মোর্শেদ, চন্দন ও বদলি নামা রিয়াদ ফাহিম সফলভাবে গোল করেন।

চতুর্থ শটে বাংলাদেশের স্যামুয়েল রাকসাম ক্রসবারে বল লাগালে স্কোর ৩-৩ সমতায় ফিরে আসে। তবে নাটকীয়তার শেষ ছিল পঞ্চম শটে—ভারতের ওমাং দোদাম বল পোস্টের ওপর দিয়ে পাঠালে বাংলাদেশের সামনে শিরোপা জয়ের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়। শেষ শটে রোনান সুলিভান নির্ভুলভাবে গোল করে শিরোপা নিশ্চিত করেন।

পুরো ম্যাচে বাংলাদেশই ছিল তুলনামূলক বেশি আক্রমণাত্মক। প্রথমার্ধেই কয়েকটি নিশ্চিত সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি দলটি। ১৩ মিনিটে রোনানের ফ্রি-কিক থেকে অধিনায়ক মিঠু চৌধুরীর হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ১৯ মিনিটে মানিকের বাড়ানো বলেও গোলের সুযোগ নষ্ট হয়।

ম্যাচ শেষে উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশ দল জাতীয় পতাকা নিয়ে উদযাপনে মেতে ওঠে। দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অধিনায়ক মিঠু চৌধুরী বলেন, “দেশের হয়ে শিরোপা জিততে পেরে গর্ব হচ্ছে। দর্শকদের সমর্থন আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।”

এদিকে, অনূর্ধ্ব-২০ দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই কোচ মার্ক কক্সের প্রথম টুর্নামেন্ট এবং প্রথম শিরোপা। তিনি বলেন, “এই ফুটবলাররা হার মানতে জানে না। তারা শেষ পর্যন্ত লড়াই করে এবং দেশের জন্য খেলতে গর্ববোধ করে।”

অন্যদিকে, পুরো টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ৯ গোল করা ভারত ফাইনালে ভালো লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারের ভাগ্যে হার মানতে হয়। ম্যাচ শেষে হতাশায় ডুবে থাকে ভারতীয় খেলোয়াড়রা।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে একই প্রতিপক্ষ ভারতের কাছে ফাইনালে হারের বেদনা থাকলেও এবার সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিল বাংলাদেশের তরুণরা। বয়সভিত্তিক ফুটবলে ধারাবাহিক এই সাফল্য দেশের ফুটবলে নতুন আশার সঞ্চার করছে।

হোসেনপুরে খাল খননে ভাঙা ভবনের অংশ পড়ে আছে রাস্তায়, দেখার কেউ নেই

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৯ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে খাল খননে ভাঙা ভবনের অংশ পড়ে আছে রাস্তায়, দেখার কেউ নেই

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুর থেকে লাখুহাটি হয়ে পানান বিল পর্যন্ত খাল পুনঃখননের কাজ প্রায় শেষের দিকে। তবে খাল খননের জন্য ভেঙে ফেলা একটি পাকা ভবনের পরিত্যক্ত অংশ এক মাসের বেশি সময় ধরে গাংগাটিয়া বাজারের রাস্তায় পড়ে থাকায় যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বরাদ্দকৃত ৭০ লাখ ৮৫ হাজার ১৩১ টাকা ব্যয়ে ইজিপিপি কর্মসূচির আওতায় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খালটির পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সৈয়দপুর থেকে লাখুহাটি হয়ে পানান বিল পর্যন্ত খালটির খনন দৈর্ঘ্য ২.৩৬০ কিলোমিটার।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গাংগাটিয়া বাজারের ক্ষুদিরাম রবী দাসের বাড়িসংলগ্ন স্থানে খালের ওপর বেশ কিছু দোকানপাট গড়ে উঠেছিল। এর মধ্যে কয়েকটি দোকান ছিল পাকা ভবনে। খাল খননের কাজের প্রয়োজনে এসবের মধ্যে একটি পাকা ভবন ভেঙে ফেলা হয়। তবে ভেঙে ফেলা ভবনের পরিত্যক্ত অংশ এক মাসের বেশি সময় ধরে বাজারের রাস্তায় পড়ে আছে। এতে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

গত ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম খালটির পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন। ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে খননকাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও গাংগাটিয়া বাজার এলাকায় প্রায় ৩০০ ফুট খননকাজ এখনো অবশিষ্ট রয়েছে।

খননকাজ চলমান থাকা খালটি ঘুরে দেখা যায়, আব্দুল আজিজ উচ্চ বিদ্যালয়ের দক্ষিণ দিকে শত শত মানুষের চলাচলের একমাত্র কাঁচা রাস্তাটি ভেঙে খালে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

ডাংরি গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে রিয়াদ জানান, ভেকু দিয়ে খাল খননের সময় রাস্তার পাশে পর্যাপ্ত পরিমাণ মাটি ভরাট না করায় রাস্তাটি ধসে পড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল হক জানান, ভেঙে ফেলা দোকানের পাকা ভবনের পরিত্যক্ত অংশ রাস্তায় পড়ে থাকায় যানবাহন ও পথচারীদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। দ্রুত এসব অংশ অপসারণের দাবি জানিয়ে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

গাংগাটিয়া বাজারের ব্যবসায়ী মাসুদ জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় ভেঙে ফেলা ভবনের অংশ রাস্তায় পড়ে থাকায় চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। বাজারের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে রাস্তার ওপর পড়ে থাকা ভবনের অংশবিশেষ অপসারণের দাবি জানান তিনি।

অটোরিকশাচালক সবুজ মিয়া জানান, রাস্তার ওপর ভেঙে ফেলা পাকা ভবনের অংশ পড়ে থাকায় যানবাহন নিয়ে চলাচল করতে খুবই সমস্যা হচ্ছে।

খাল খনন প্রকল্পের সভাপতি ও গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তাঁর মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা আক্তার জানান, “আমি নতুন এসেছি, খোঁজ নিয়ে দেখছি।”

কিশোরগঞ্জে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, কিশোরগঞ্জের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন।

সভায় জেলার চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, সরকারি দপ্তরগুলোর সেবামূলক কার্যক্রম এবং আন্তঃদপ্তর সমন্বয়ের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় নির্বাচন অফিস, তথ্য অফিস, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে নিজ নিজ কার্যক্রম ও অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।

সভায় নির্বাচন ও ভোটারসেবা, সরকারি তথ্যের প্রচার ও জনসচেতনতা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, প্রাণিসম্পদ সেবা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জনসেবার মানোন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (উপসচিব) জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান ও প্রতিনিধিরা।

কিশোরগঞ্জে অনলাইন জুয়া ও প্রতারণার বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার ২১

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে অনলাইন জুয়া ও প্রতারণার বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার ২১

অনলাইন জুয়া, অ্যাপভিত্তিক অর্থ লেনদেন ও প্রতারণার অভিযোগে কিশোরগঞ্জে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার পর জেলার বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

পুলিশ সুপার জানান, অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের স্মার্টফোন পরীক্ষা করে বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে অর্থনৈতিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে কোনো ব্যক্তির মোবাইলে অর্থ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেলেই তাকে অনলাইন জুয়াড়ি বা প্রতারক হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে না। লেনদেনের প্রকৃতি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে যোগাযোগ এবং অর্থের ব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয় যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক যাচাইয়ে গ্রেপ্তার ২১ জনের মধ্যে দুই থেকে তিনজনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বাকিদের ক্ষেত্রেও বিস্তারিত যাচাই-বাছাই চলছে। তদন্তে যারা অনলাইন জুয়া বা প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু অ্যাপ ব্যবহার করে অতিরিক্ত অর্থ বা ‘কয়েন’ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তরুণদের লেনদেনে যুক্ত করা হচ্ছে। যেমন, ১০০ টাকা দিলে ১০টি কয়েন এবং সেই কয়েনের বিপরীতে ১ হাজার টাকা পাওয়ার মতো অফার দেখানো হয়। পরে একই কৌশলে অন্যদের যুক্ত করার মাধ্যমে একটি চক্র বিস্তৃত হচ্ছে।

পুলিশ সুপার বলেন, স্মার্টফোন ও বিভিন্ন অ্যাপের সহজলভ্যতার কারণে তরুণদের একটি অংশ এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যরাও বিষয়টি বুঝতে পারছেন না। অনলাইন জুয়ার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টিও পুলিশের নজরদারিতে রয়েছে।

তিনি আরও জানান, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত জুয়া-সংক্রান্ত আইন এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারণা বা অর্থ আত্মসাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, তরুণ প্রজন্মকে অনলাইন জুয়ার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে রাখা এবং অ্যাপভিত্তিক প্রতারণা বন্ধ করাই অভিযানের অন্যতম উদ্দেশ্য। বিশেষ করে অভিভাবকদের অগোচরে কিংবা বিভিন্ন স্থানে গোপনে যারা এ ধরনের কার্যক্রম চালাচ্ছেন, তাদের আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই ও তদন্ত শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।