রবিবার, ৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

১৯ দিনের মাথায় রায়, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামী সোহেল রানা-স্বপ্নার ফাঁসি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১:৩৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
১৯ দিনের মাথায় রায়, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামী সোহেল রানা-স্বপ্নার ফাঁসি

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আদালতে উপস্থিত হয়ে রায় পাঠ শুরু করেন। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে রায় পাঠ শেষে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তিনি এ বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার আগে সকালে কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে দুই আসামিকে আদালতে আনা হয়। প্রধান আসামি সোহেল রানাকে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে এবং স্বপ্না আক্তারকে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। শুনানি শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন। গত ১৯ মে সংঘটিত ওই মর্মান্তিক ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় মামলার রায় ঘোষণা হলো।

মামলার শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন। একই সঙ্গে অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা ও প্রতিরোধে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধেও সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানান। এ সময় তিনি আদালতে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা-মায়ের সাক্ষ্যও উপস্থাপন করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯ মে পল্লবীর একটি আবাসিক ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসা আক্তারের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার কিছু সময় আগেই ওই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে একই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ঘটনার পর শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরদিন ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পরবর্তী সময়ে ১ জুন ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এরপর দ্রুত সাক্ষ্যগ্রহণ, আত্মপক্ষ সমর্থন, যুক্তিতর্ক ও অন্যান্য বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে আদালত রায়ের দিন নির্ধারণ করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আইন অনুযায়ী এ মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানিয়েছিলাম। আদালত সেই আবেদন বিবেচনায় নিয়ে রায় প্রদান করেছেন।”

আদালতের এ রায়ের মাধ্যমে আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের বিচারিক প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটলেও রায় কার্যকরের পরই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা মনে করছেন।

দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৮৭

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৮৭

দেশে হামের প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত) হামের উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ২৮৭ শিশু।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হালনাগাদ হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে এক হাজার ২২১ শিশুর। এছাড়া পরীক্ষার মাধ্যমে ৬৬ শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে। ফলে একদিনেই হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৮৭ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ঢাকায় চার শিশু, চট্টগ্রামে এক শিশু, ময়মনসিংহে এক শিশু এবং খুলনা বিভাগে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫২৯ জনে। একই সময়ে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে আরও ৯১ শিশু। ফলে হাম ও হামের উপসর্গজনিত মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৬২০ জনে পৌঁছেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, ১৫ মার্চ থেকে দেশে মোট ৭৯ হাজার ১২ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে ৬৪ হাজার ২৬৩ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের মধ্যে ৬০ হাজার ৮৪ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। তবে এখনও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিশু বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের বিস্তার রোধে শিশুদের সময়মতো টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া এবং রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, শিশুদের জ্বর, শরীরে লালচে দানা, কাশি, সর্দি কিংবা চোখ লাল হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। একই সঙ্গে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির আওতায় সব শিশুর পূর্ণ টিকাদান নিশ্চিত করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিএনপি কার্যালয় নির্মাণে ভূমি দখলের অভিযোগ ভিত্তিহীন: সাধারণ সম্পাদক সজু

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ
বিএনপি কার্যালয় নির্মাণে ভূমি দখলের অভিযোগ ভিত্তিহীন: সাধারণ সম্পাদক সজু

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির কার্যালয় নির্মাণকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ওঠা ভূমি দখলের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন অষ্টগ্রাম সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সজু মিয়া।

রোববার (৭ জুন) দুপুরে কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে সজু মিয়া বলেন, অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদ এবং তার বিরুদ্ধে যে ভূমি দখল, কবরস্থানের জায়গা দখল এবং দলীয় কার্যালয় নির্মাণসংক্রান্ত অভিযোগ আনা হয়েছে, তার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।

তিনি অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিকভাবে তাকে এবং দলের নেতাদের হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং তাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

সজু মিয়া বলেন, বিএনপির কার্যালয় নির্মাণের জন্য কোনো ব্যক্তির জমি, বসতভিটা কিংবা পারিবারিক কবরস্থান দখল করা হয়নি। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং বৈধ কাগজপত্রের ভিত্তিতেই দলীয় কার্যালয়টি নির্মাণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগকারীদের বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দলিল, কাগজপত্র ও মালিকানার নথি সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করেন। একই সঙ্গে প্রকৃত তথ্য যাচাই-বাছাই করে দায়িত্বশীল সংবাদ প্রকাশের জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘সত্য গোপন করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে। আমরা চাই, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত ও যাচাই করা হোক। প্রকৃত সত্য প্রকাশ পেলে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হবে না।’

এ সময় তিনি সাধারণ জনগণকে গুজব ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় কান না দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সত্য তথ্য ও আইনগত নথিপত্রের ভিত্তিতে বিষয়টি মূল্যায়নের অনুরোধ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বকেয়া বিলের কারণে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

জান্নাতুল মাওয়া প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৩:০৯ অপরাহ্ণ
বকেয়া বিলের কারণে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

১০ মাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় কিশোরগঞ্জ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে কিশোরগঞ্জ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। এতে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন রোগী, বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, নবজাতক ও শিশুদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় রোগী ও তাদের স্বজনরা চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন। প্রচণ্ড গরমে অনেককে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতে দেখা যায়। বিদ্যুৎ না থাকায় হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সেবাগ্রহীতারা।

রোগীদের স্বজনরা জানান, সকাল থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় ওয়ার্ডগুলোতে অসহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, প্রসূতি ও শিশু রোগীরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট ভোগ করছেন। অনেকে উন্নত সেবা পাওয়ার আশায় অন্য হাসপাতালে যাওয়ার কথাও ভাবছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল একটি চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছিল। তবে ২০২৫ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় ১০ মাসের বকেয়া জমে যায়। বর্তমানে বকেয়া বিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫০৮ টাকা। সংশ্লিষ্ট গ্রাহক নম্বর ০৭৫৪০৫৮৮।

মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ক্লিনিক অফিসার ডা. মো. শহিদুল হাসান বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে দুই থেকে তিনবার বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য নোটিশ ও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও বাজেট সংকটের কারণে নির্ধারিত সময়ে বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও জানান, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় রোগীসেবা কার্যক্রমে কিছুটা সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত বকেয়া বিল পরিশোধ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যুৎ না থাকায় ওয়ার্ডগুলোতে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। রোগীদের অভিযোগ, সকাল ৭টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় চিকিৎসা ও অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রউফ বলেন, “বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে একাধিকবার নোটিশ ও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ ১০ মাস ধরে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় বিধি অনুযায়ী সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। বকেয়া বিল পরিশোধ করা হলে পুনরায় সংযোগ চালু করা হবে।”

একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। রোগী, স্বজন ও স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বকেয়া বিল পরিশোধের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।