রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর সফরে কিশোরগঞ্জে দিনভর উৎসবের আমেজ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
প্রধানমন্ত্রীর সফরে কিশোরগঞ্জে দিনভর উৎসবের আমেজ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কিশোরগঞ্জ সফর ঘিরে রোববার (১৬ আগস্ট) দিনভর জেলার বিভিন্ন স্থানে ছিল উৎসবের আমেজ। জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে পাকুন্দিয়া, কটিয়াদী ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় ধারাবাহিক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে পথে পথে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যানবাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। পোনা অবমুক্তকরণ শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনসাধারণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। এ সময় মৎস্যসম্পদের গুরুত্ব ও দেশের উন্নয়ন নিয়ে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের চলমান বিদ্যুৎ সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে আগামী ১০ বছরের একটি পরিকল্পনা জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে।

এ সময় পাকুন্দিয়াবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি মুনিয়ারিকান্দি-গফরগাঁও দত্তেরবাজার সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

নারী শিক্ষার প্রসারে অনার্স পর্যন্ত নারীদের শিক্ষা অবৈতনিক করার পাশাপাশি উপবৃত্তির আওতায় আনার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া এক কোটি ২০ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ দেওয়ার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।

পাকুন্দিয়ার কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী কটিয়াদীর উদ্দেশে রওনা হন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি কটিয়াদী কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।

কার্প হ্যাচারি পরিদর্শন শেষে দুপুর ১টার দিকে কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন মাঠে আয়োজিত জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

‘রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় দেশের মৎস্য খাতের উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

পরে দেশের বিভিন্ন জেলার শ্রেষ্ঠ মৎস্য উদ্যোক্তা, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ১৩টি ক্যাটাগরিতে জাতীয় মৎস্য পদক (স্বর্ণ পদক) দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিজয়ীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পদক তুলে দেন।

কটিয়াদীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জ শহরের উদ্দেশে রওনা হন। শহরে প্রবেশের সময় জেলখানা মোড়ে তাঁকে স্বাগত জানান হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।

প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর জেলখানা মোড়ে পৌঁছালে হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম মবিনের নেতৃত্বে প্রায় পাঁচ হাজার নেতাকর্মী একই রঙের গেঞ্জি পরে সড়কের পাশে অবস্থান নেন।

প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান ও করতালির মাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গাড়ি থেকে হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের অভিবাদনের জবাব দেন। এতে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

বিকেল ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জ জেলা সার্কিট হাউসে পৌঁছান। সেখানে কিছু সময় অবস্থান ও বিরতি নেন তিনি।

বিকেল ৪টার দিকে কিশোরগঞ্জ পৌরসভার পুরাতন স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, বিভিন্ন অনুদান প্রদান এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।

এ সময় কিশোরগঞ্জের প্রতিবন্ধী আনিসের হাতে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন আনিস। এ সময় উপস্থিত মানুষের মধ্যেও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

দিনভর কর্মসূচির অংশ হিসেবে সন্ধ্যা ৬টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে পৌঁছে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।

পরে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হয়। ঈদগাহ মাঠের উন্নয়নে ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার কথাও জানানো হয়।

দিনভর বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে কিশোরগঞ্জ ত্যাগ করেন।

পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত এবং জুনিয়র বৃত্তি-২০২৬ অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট, পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নাচ, গান ও অভিনয়সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। তাদের মনোজ্ঞ পরিবেশনায় অনুষ্ঠানস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, মাসুদা ইসলাম, শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম খান, নির্বাহী প্রকৌশলী, কিশোরগঞ্জ এবং কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ভালো ফলাফল অর্জনকারীদের পাশাপাশি যারা প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি, তাদেরও হতাশ না হয়ে আরও বেশি পরিশ্রম করতে হবে। নিয়মিত অধ্যবসায় ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতা বিকাশে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শুধু ভালো ফলাফল অর্জনই নয়, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থীদের নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করাই শিক্ষার্থীদের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে নিজেদের একজন যোগ্য ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার চর্চার ওপর গুরুত্ব দেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শেষ হয়।

কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্র থেকে জনসাধারণ বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ভূমিসেবা নিতে পারবেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, স্থানীয় সরকার উপপরিচালক (উপসচিব) জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুস সাকিব খান, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) নিলুফা আক্তার রূপা এবং জেলার ১৩টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)।

উদ্বোধন শেষে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলামকে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। তিনি কেন্দ্রটির মাধ্যমে নাগরিকদের কী ধরনের ভূমিসেবা দেওয়া হবে এবং কীভাবে এসব সেবা পাওয়া যাবে, সে বিষয়ে সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, জেলার নাগরিকদের ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে এ ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের একটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ। কেন্দ্রটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে জেলা প্রশাসন।

তিনি জানান, নাগরিকরা সরাসরি জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা নিতে পারবেন। এর মাধ্যমে প্রতিদিন ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়া, নামজারি ও জমাখারিজ, খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি এবং মৌজা ম্যাপ বা নকশা প্রাপ্তির আবেদনসহ বিভিন্ন ধরনের ভূমিসেবা পাওয়া যাবে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্রের মাধ্যমে এক জায়গা থেকেই নাগরিকরা প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এতে ভূমিসেবা গ্রহণে নাগরিকদের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি সেবা প্রদানের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব হবে।

কিশোরগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হত্যার হুমকি, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

রোববার দুপুরে শহরের সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বর থেকে এনসিপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

এর আগে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আহনাফ সাঈদ খান, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবীর, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ইকরাম হোসেন, ফয়সাল প্রিন্সসহ দলের অন্যান্য নেতাকর্মী।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হয়রানির ঘটনা ঘটছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ চাপে রয়েছে।

বক্তারা অবিলম্বে দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও নির্যাতন বন্ধের দাবি জানান। পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

সমাবেশ শেষে একই দাবিতে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন এনসিপির নেতাকর্মীরা।