মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩

নিকলীতে কৃষি উপসহকারীর আচরণে বিতর্ক, তথ্য সংগ্রহে বাধার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নিকলীতে কৃষি উপসহকারীর আচরণে বিতর্ক, তথ্য সংগ্রহে বাধার অভিযোগ

সাংবাদিকের উপরে মারমুখী কৃষি উপ-সহকারী

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে এক সাংবাদিকের সঙ্গে কৃষি বিভাগের এক উপসহকারীর বাক্‌বিতণ্ডা ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস প্রাঙ্গণে স্থানীয়দের মাঝে ফলজ ও বনজ গাছের চারা এবং খুঁটি বিতরণকালে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগকারী নিকলী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক আমাদের সময়-এর নিকলী প্রতিনিধি শেখ উবাইদুল হক জানান, চারা বিতরণ কার্যক্রম চলাকালে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, এমন একটি সরকারি কর্মসূচির বিষয়ে আগে থেকে প্রচার-প্রচারণা করা হলে আরও বেশি মানুষ উপকৃত হতেন।
তার দাবি, এ কথা বলার পরই কৃষি উপসহকারী শফিকুল ইসলাম মামুন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং তাঁর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। একপর্যায়ে তিনি অশালীন ভাষায় গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলেও অভিযোগ করেন সাংবাদিক উবাইদুল হক।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় উপস্থিত লোকজন পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণের চেষ্টা করা হলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়।
ঘটনার সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুস সামাদ কিছুটা দূরে অবস্থান করছিলেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে এসে উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।
সাংবাদিক উবাইদুল হকের অভিযোগ, তিনি বিষয়টি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে উপস্থাপন করলে সংশ্লিষ্ট উপসহকারীর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের তথ্য দিতে বাধ্য নন- এমন মন্তব্য করা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কৃষি উপসহকারী শফিকুল ইসলাম মামুনের বিরুদ্ধে অতীতেও কৃষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে সাংবাদিক শেখ উবাইদুল হক বলেন, শফিকুল ইসলাম মামুন দীর্ঘদিন ধরে তার স্ত্রীসহ একই উপজেলায় একই বিভাগে কর্মরত থাকায় বিভিন্ন প্রকল্প ও কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে। অতীতে তাঁর আচরণ নিয়ে অভিযোগ তোলার কারণেই নিজের প্রতি বিরূপ মনোভাব থেকে এ ধরনের আচরণ করা হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুস সামাদ বলেন, “ঘটনার সময় আমি কিছুটা দূরে ছিলাম। বিশৃঙ্খলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উপসহকারী এবং সাংবাদিক- দুজনকেই শান্ত করার চেষ্টা করেছি। মঙ্গলবার উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে বিষয়টি আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।”
সাংবাদিকদের তথ্য দিতে বাধ্য নন- এমন বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি এ ধরনের কোনো মন্তব্য করিনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছুটা কঠোরভাবে কথা বলেছি। পরিস্থিতির কারণে হয়তো কেউ ভুল বুঝতে পারেন।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কৃষি উপসহকারী শফিকুল ইসলাম মামুনের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তাড়াইলে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় বিশেষ অভিযানে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মাদকের বিরুদ্ধে ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে জেলা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে তাড়াইল থানার একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, তাড়াইল উপজেলার জাওয়ার ইউনিয়নের পশ্চিম জাওয়ার এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি মাদক কেনাবেচার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকার হাদিছ মিয়ার মুদি দোকানের পূর্ব পাশের পাকা সড়কে অভিযান চালায় তাড়াইল থানা পুলিশ।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করলে অভিযানকারী দল তাদের মধ্যে দুইজনকে হাতেনাতে আটক করে। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তল্লাশি চালিয়ে তাদের হেফাজত থেকে ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে তাড়াইলসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় গোপনে বিক্রি করে আসছিল বলে স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানায়।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুইজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাড়াইল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং মাদক কারবারিদের আইনের আওতায় আনতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নেইমার–রোনালদোর অশ্রুর পর আজ কী মেসির পালা?

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
নেইমার–রোনালদোর অশ্রুর পর আজ কী মেসির পালা?

ফুটবলে অতীতের অর্জন, ব্যক্তিগত রেকর্ড কিংবা কোটি ভক্তের ভালোবাসা—কোনোটিই বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নিশ্চিত নিরাপত্তা দেয় না। কয়েক দিনের ব্যবধানে সেই নির্মম বাস্তবতার শিকার হয়েছেন দুই মহাতারকা নেইমার জুনিয়রক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। দুজনেরই শেষ বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে চোখের জলে। এখন গোটা ফুটবল বিশ্ব তাকিয়ে আছে আরেক কিংবদন্তি লিওনেল মেসির দিকে। আজ আর্জেন্টিনা জিতবে, নাকি বিশ্বমঞ্চে আরেকটি অশ্রুসিক্ত বিদায়ের সাক্ষী হবে ফুটবল?

বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব বরাবরই অনিশ্চয়তার অন্য নাম। একটি ভুল, একটি মিস কিংবা একটি মুহূর্ত বদলে দিতে পারে ইতিহাস। সেই কারণেই এবার ব্রাজিল ও পর্তুগালের বিদায় ফুটবলপ্রেমীদের মনে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—তবে কি এবার মেসিরও শেষ বিশ্বকাপ এমন করেই শেষ হবে?

মেটলাইফেই শুরু, মেটলাইফেই শেষ নেইমারের আন্তর্জাতিক অধ্যায়

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। বদলি হিসেবে নেমে যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে গোল করলেও দলের হার ঠেকাতে পারেননি নেইমার।

শেষ বাঁশি বাজতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। পরে ব্রাজিলিয়ান গণমাধ্যমে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় ইঙ্গিত দেন, জাতীয় দলের জার্সিতে এটাই ছিল তার শেষ ম্যাচ।

বিশেষ এক কাকতালীয় ঘটনাও জড়িয়ে রইল তার বিদায়ে। ২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ঠিক এই মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই ব্রাজিলের হয়ে অভিষেক হয়েছিল নেইমারের। ১৬ বছর পর একই মাঠেই শেষ হলো তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার।

সংখ্যার হিসেবে নেইমারের ক্যারিয়ার ঈর্ষণীয়—

  • ম্যাচ: ১৩০
  • গোল: ৮০ (ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ)
  • অ্যাসিস্ট: ৫৮

কিন্তু শিরোপার তালিকায় রয়েছে কেবল ২০১৩ সালের কনফেডারেশন্স কাপ। অলিম্পিক স্বর্ণ জিতলেও বিশ্বকাপের ট্রফি অধরাই থেকে গেল।

বিশ্বকাপ ছুঁতে পারলেন না রোনালদোও

স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে পর্তুগাল। শেষ বাঁশির পর অশ্রু লুকাতে পারেননি ৪১ বছর বয়সী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

এটাই ছিল তার ষষ্ঠ ও শেষ বিশ্বকাপ।

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্লাব ফুটবলে প্রায় সবকিছু জয় করা রোনালদোর ক্যারিয়ারে অপূর্ণ থেকে গেল একমাত্র বিশ্বকাপ।

তবে বিদায়বেলায়ও রেখে গেলেন ইতিহাস।

রোনালদোর বিশ্বকাপ রেকর্ড

  • ২৭ ম্যাচে ১১ গোল।
  • ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল।
  • ৪১ বছর ১৪৭ দিন বয়সে নকআউট পর্বে গোল করে নতুন রেকর্ড।
  • ২০১৮ সালে স্পেনের বিপক্ষে ঐতিহাসিক হ্যাটট্রিক এখনো বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স।

পর্তুগালের সাবেক কোচ রবার্তো মার্টিনেজ বলেন,

“বিশ্বকাপ জেতাই ছিল তার স্বপ্ন। অধিনায়ক হিসেবে নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েছেন। ফুটবলের ইতিহাসে তিনি চিরকাল একজন আইকন হয়ে থাকবেন।”

দুই কিংবদন্তির অশ্রু, এবার চোখ মেসির দিকে

নেইমার কাঁদলেন।

রোনালদো কাঁদলেন।

আজ মাঠে নামছেন লিওনেল মেসি।

বিশ্বকাপে মেসির নাম মানেই কোটি মানুষের আবেগ। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জিতে নিজের সবচেয়ে বড় অপূর্ণতা ঘুচিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু চার বছর পর আরেকটি বিশ্বকাপ অভিযানে আবারও অনিশ্চয়তার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা।

নকআউটে কোনো ফেভারিট নেই। অতীতে জার্মানি, স্পেন, ব্রাজিল কিংবা ফ্রান্স—সবাই এই বাস্তবতা দেখেছে।

তাই আজকের ম্যাচ ঘিরে একটাই প্রশ্ন-  শেষ হাসিটা কি মেসির হবে, নাকি বিশ্ব ফুটবল আরও একটি কিংবদন্তির অশ্রুসিক্ত বিদায় দেখবে?

ইতিহাস বলছে, বিশ্বকাপ কাউকে ছাড় দেয় না

বিশ্বকাপের সৌন্দর্যই হলো এর নিষ্ঠুরতা।

পেলে, মারাদোনা, জিদান, রোনালদো নাজারিও—প্রত্যেক কিংবদন্তির ক্যারিয়ারে বিশ্বকাপ লিখেছে গৌরব, আবার বেদনাও।

এবার সেই তালিকায় যোগ হয়েছে নেইমার ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নাম।

একজন বিদায় নিলেন নিজের শুরু হওয়া স্টেডিয়ামেই।

আরেকজন বিদায় নিলেন ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ছয়টি বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ড রেখে।

বিশ্বকাপের মঞ্চে এখন আর ব্যক্তিগত রেকর্ডের মূল্য নেই। বেঁচে থাকার লড়াই।

আজ জিতলে আর্জেন্টিনা এগিয়ে যাবে আরেক ধাপ।

হারলে শেষ হয়ে যাবে মেসির বিশ্বকাপ অধ্যায়ও।

দুই কিংবদন্তির চোখের জল ইতোমধ্যেই বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের আবেগে ভাসিয়েছে।

এখন পুরো ফুটবল বিশ্বের দৃষ্টি এক মানুষকে ঘিরে-  লিওনেল মেসি কি হাসিমুখে কোয়ার্টার ফাইনালের পথে হাঁটবেন, নাকি বিশ্বকাপ আরেকটি অশ্রুসিক্ত বিদায়ের গল্প লিখবে?

হোসেনপুরে মৎস্য আইন বাস্তবায়নে বিশেষ অভিযান, নিষিদ্ধ জাল ধ্বংস

এস কে শাহীন নবাব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩১ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে মৎস্য আইন বাস্তবায়নে বিশেষ অভিযান, নিষিদ্ধ জাল ধ্বংস

দেশীয় মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং মৎস্য আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে বিশেষ মোবাইল কোর্ট ও ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে বিভিন্ন নদী ও উন্মুক্ত জলাশয় থেকে জব্দ করা নিষিদ্ধ জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী নাহিদ ইভা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাবিকুন নাহার, হোসেনপুর উপজেলা মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক মো. রফিকুল ইসলাম অর্জুন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে উপজেলার বিভিন্ন নদী ও উন্মুক্ত জলাশয় থেকে মৎস্য সম্পদের জন্য ক্ষতিকর নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, চায়না দুয়ারি জাল ও সুতি জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

এ সময় পোনা মাছ ও প্রজনন মৌসুমে মা মাছ নিধন রোধে বিশেষ নজরদারি চালানো হয়। পাশাপাশি মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অমান্য করে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার এবং অবৈধভাবে মাছ শিকারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী জরিমানা ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

অভিযান চলাকালে স্থানীয় জেলে, মৎস্যজীবী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে মৎস্য আইন, দেশীয় মাছ সংরক্ষণের গুরুত্ব এবং নিষিদ্ধ জালের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতামূলক প্রচারণাও চালানো হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় জানিয়েছে, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দেশীয় মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের মোবাইল কোর্ট ও ঝটিকা অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে মাছ শিকার এবং নিষিদ্ধ জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।



Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41