রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রতিষ্ঠিত সন্তানদের মা নুরজাহান বেগমের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
প্রতিষ্ঠিত সন্তানদের মা নুরজাহান বেগমের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার

সংগ্রহীত ছবি

রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকার একটি বাসা থেকে নুরজাহান বেগম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধার পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যুর অন্তত সাত থেকে আট দিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (১ জুন) রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশনের সি-ব্লকের একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পল্লবী থানা পুলিশ। পরে সেখান থেকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির জানান, নুরজাহান বেগম তাঁর মেয়ের বাসায় বসবাস করতেন। তবে তিনি বাসার একটি পৃথক কক্ষে থাকতেন। কয়েকদিন ধরে কোনো সাড়া-শব্দ না পাওয়ায় তাঁর মেয়ে একজন নার্সকে ডেকে আনেন। ওই নার্স কক্ষে প্রবেশ করে নুরজাহান বেগমকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে মরদেহ পড়ে থাকায় এতে পচন ধরেছিল এবং পুরো কক্ষে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল। যে কক্ষে তিনি থাকতেন, সেটি ছিল অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন, অগোছালো এবং বিভিন্ন ধরনের আবর্জনায় পরিপূর্ণ। ঘটনাস্থলের সামগ্রিক অবস্থা দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে যথাযথ পরিচর্যা ও নজরদারির বাইরে ছিলেন।

ওসি হাসান বাসির বলেন, “বৃদ্ধার মৃত্যুর সময় ও কারণ সম্পর্কে পরিবারের কাছ থেকে সন্তোষজনক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ কারণে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।”

পুলিশের অনুসন্ধানে জানা গেছে, নুরজাহান বেগমের তিন ছেলে সমাজে প্রতিষ্ঠিত অবস্থানে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন সরকারের একজন যুগ্ম সচিব, একজন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক এবং অন্যজন কানাডাপ্রবাসী। এছাড়া তাঁর মেয়ের স্বামীও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।

তবে পুলিশ বলছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। পাশাপাশি মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ঘটনাটি স্থানীয় এলাকাসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে একজন বৃদ্ধা দীর্ঘ সময় মৃত অবস্থায় পড়ে থাকার বিষয়টি পরিবার, সমাজ ও প্রবীণদের যত্ন-আত্তি সম্পর্কে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ডিজেল-কেরোসিন-পেট্রোল-অকটেনের দাম বাড়ল ২০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ
ডিজেল-কেরোসিন-পেট্রোল-অকটেনের দাম বাড়ল ২০ টাকা

দেশের বাজারে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে নতুন দাম নির্ধারণের তথ্য জানানো হয়েছে। পুনর্নির্ধারিত দাম সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৬৫ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ চার ধরনের জ্বালানি তেলের প্রতিটির দাম লিটারে ২০ টাকা করে বেড়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। ফলে রোববার দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে অর্থাৎ সোমবারের শুরু থেকেই ভোক্তারা নতুন দামে জ্বালানি তেল কিনবেন।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে গত মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থে এতদিন দেশে পুরোপুরি সমন্বয় করা হয়নি বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় না করায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদর অনুযায়ী, ডিজেলে বিপিসির লিটারপ্রতি লোকসান প্রায় ৮৯ টাকা এবং এতে দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকা হচ্ছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, শুধু ডিজেলেই বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত লোকসান হতে পারে। লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ালে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের তুলনায় পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে জ্বালানি তেলের দাম বেশি থাকায় সীমান্ত দিয়ে তেল পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের ক্ষেত্রে বিপিসির লোকসান কমানো, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং পাচারের ঝুঁকি কমানোর বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসের জন্য ৩১ আগস্ট নির্ধারিত দামে প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা ও পেট্রোল ১৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই দামই এক সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর ছিল।

নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে এসে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম একসঙ্গে লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল। সোমবার থেকে নতুন নির্ধারিত দামেই দেশের বাজারে এসব জ্বালানি তেল বিক্রি হবে।

পরিবেশ ও জনবলের অভাবে হাসপাতালগুলো বাজে অবস্থায় আছে: ফজলুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
পরিবেশ ও জনবলের অভাবে হাসপাতালগুলো বাজে অবস্থায় আছে: ফজলুর রহমান

সংগ্রহীত ছবি

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেছেন, পরিবেশ ও জনবলের অভাবে হাসপাতালগুলো বাজে অবস্থায় আছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এ সময় সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। তিনি চিকিৎসাসেবা, হাসপাতালের পরিবেশ, জনবলসহ সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ফজলুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালগুলো পরিবেশ ও জনবলের অভাবে বাজে অবস্থায় আছে।’

স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, ইটনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস. এম. কামাল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মনির উদ্দিন চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী এনামুল হক মোল্লা, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আজাদুর রহমান সুজনসহ আরও অনেকে।

ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখানে জরুরি বিভাগে ২৪ ঘণ্টা সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

তবে স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও জনবলের সংকটে হাসপাতালটির চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে।

হোসেনপুরে খাল খননে ভাঙা ভবনের অংশ পড়ে আছে রাস্তায়, দেখার কেউ নেই

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৯ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে খাল খননে ভাঙা ভবনের অংশ পড়ে আছে রাস্তায়, দেখার কেউ নেই

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুর থেকে লাখুহাটি হয়ে পানান বিল পর্যন্ত খাল পুনঃখননের কাজ প্রায় শেষের দিকে। তবে খাল খননের জন্য ভেঙে ফেলা একটি পাকা ভবনের পরিত্যক্ত অংশ এক মাসের বেশি সময় ধরে গাংগাটিয়া বাজারের রাস্তায় পড়ে থাকায় যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বরাদ্দকৃত ৭০ লাখ ৮৫ হাজার ১৩১ টাকা ব্যয়ে ইজিপিপি কর্মসূচির আওতায় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খালটির পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সৈয়দপুর থেকে লাখুহাটি হয়ে পানান বিল পর্যন্ত খালটির খনন দৈর্ঘ্য ২.৩৬০ কিলোমিটার।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গাংগাটিয়া বাজারের ক্ষুদিরাম রবী দাসের বাড়িসংলগ্ন স্থানে খালের ওপর বেশ কিছু দোকানপাট গড়ে উঠেছিল। এর মধ্যে কয়েকটি দোকান ছিল পাকা ভবনে। খাল খননের কাজের প্রয়োজনে এসবের মধ্যে একটি পাকা ভবন ভেঙে ফেলা হয়। তবে ভেঙে ফেলা ভবনের পরিত্যক্ত অংশ এক মাসের বেশি সময় ধরে বাজারের রাস্তায় পড়ে আছে। এতে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

গত ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম খালটির পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন। ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে খননকাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও গাংগাটিয়া বাজার এলাকায় প্রায় ৩০০ ফুট খননকাজ এখনো অবশিষ্ট রয়েছে।

খননকাজ চলমান থাকা খালটি ঘুরে দেখা যায়, আব্দুল আজিজ উচ্চ বিদ্যালয়ের দক্ষিণ দিকে শত শত মানুষের চলাচলের একমাত্র কাঁচা রাস্তাটি ভেঙে খালে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

ডাংরি গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে রিয়াদ জানান, ভেকু দিয়ে খাল খননের সময় রাস্তার পাশে পর্যাপ্ত পরিমাণ মাটি ভরাট না করায় রাস্তাটি ধসে পড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল হক জানান, ভেঙে ফেলা দোকানের পাকা ভবনের পরিত্যক্ত অংশ রাস্তায় পড়ে থাকায় যানবাহন ও পথচারীদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। দ্রুত এসব অংশ অপসারণের দাবি জানিয়ে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

গাংগাটিয়া বাজারের ব্যবসায়ী মাসুদ জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় ভেঙে ফেলা ভবনের অংশ রাস্তায় পড়ে থাকায় চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। বাজারের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে রাস্তার ওপর পড়ে থাকা ভবনের অংশবিশেষ অপসারণের দাবি জানান তিনি।

অটোরিকশাচালক সবুজ মিয়া জানান, রাস্তার ওপর ভেঙে ফেলা পাকা ভবনের অংশ পড়ে থাকায় যানবাহন নিয়ে চলাচল করতে খুবই সমস্যা হচ্ছে।

খাল খনন প্রকল্পের সভাপতি ও গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তাঁর মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা আক্তার জানান, “আমি নতুন এসেছি, খোঁজ নিয়ে দেখছি।”