মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

“নো হাংকি পাংকি” রাজনৈতিক ভাষা হতে পারে না: এ্যানি

রেজাউল হক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:০৪ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
“নো হাংকি পাংকি” রাজনৈতিক ভাষা হতে পারে না: এ্যানি

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, “‘নো হাংকি পাংকি’—এটা কোনো রাজনৈতিক ভাষা হতে পারে না। জনগণ এই বক্তব্য পছন্দ করেননি।”

তিনি বলেন, “রাজনৈতিক ভাষা এমন হওয়া উচিত নয়, যা সাধারণ মানুষ উপহাস বা অবজ্ঞা করে। রাজনীতি হলো জনগণের হৃদয়ের ভাষায় কথা বলা।”

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা শ্রমিক দলের নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহরের গোডাউন রোড এলাকার বশির ভিলা হলরুমে এ সভার আয়োজন করা হয়।

এ্যানি আরও বলেন, “আমরা সাধারণ মানুষের পালস বুঝি, গ্রামে গ্রামে যাচ্ছি। বিএনপি সাধারণ মানুষের দল, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের দল। আমরা আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে রাজনীতি শিখেছি এবং শিখিয়েছি। কিন্তু গতকাল জামায়াতে ইসলামীর নেতার ভয়েসটি আমাদের ভালো লাগেনি, পছন্দ হয়নি।”

সভায় জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাহীনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাব উদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাসিবুর রহমান, বাফুফের সহসভাপতি ও বিএনপি নেতা ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, বিএনপি নেতা হাফিজুর রহমান, নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, জেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল আলীম হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রশিদুল হাসান লিংকন এবং জেলা কৃষক দলের সভাপতি মাহবুব আলম মামুন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বিএনপি জনগণের দল—যে দলের রাজনীতি জনগণের ভাষায়, জনগণের স্বার্থে। তাই রাজনীতিতে ভাষা ও আচরণে সংযম ও শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখা জরুরি।

গোবিন্দপুরে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
গোবিন্দপুরে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে গোবিন্দপুর ইউনিয়নের আমান সরকার বাজারে এ ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও হোসেনপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া হিমেল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য ও বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. মাসুদ আলম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মাসুদ আলম বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেত্রী এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক আলোকবর্তিকা। তাঁর অবদান এ দেশের মানুষ চিরকাল শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।” তিনি আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন এবং এলাকার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ইফতারের আগে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের উন্নয়নে তাঁর অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরে তাঁর আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সহসভাপতি ইসমাইল হোসেন মধু, হোসেনপুর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে আলম এরশাদ, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন জিয়া, জেলা যুবদলের সদস্য আজহারুল ইসলাম স্বপন, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিক হোসেন মেম্বার, হোসেনপুর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রিকচন খান নাঈম, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি সোহেল রানা, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন নবীনদলের সভাপতি মাজহারুল ইসলাম, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি শরিফ আহমেদ শরিফ, সাবেক ছাত্রনেতা মামুন মিয়া, বুলবুল আহমেদ, ছাত্রনেতা সাগর আহমেদ এবং গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফকরুল ইসলাম শরিফসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মাহফিলে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সর্বস্তরের কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। ইফতারের আগে উপস্থিত সকলের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

বক্তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করাই হবে তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন।

ঈদ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে ৪ লাখ ৫৫ হাজার ৫৬ পরিবার পাবে ভিজিএফের চাল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ঈদ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে ৪ লাখ ৫৫ হাজার ৫৬ পরিবার পাবে ভিজিএফের চাল

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে গরিব, দুস্থ ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির আওতায় ৪ লাখ ৫৫ হাজার ৫৬টি পরিবারকে বিনামূল্যে চাল বিতরণ করা হবে। এ জন্য সরকার মোট ৪ হাজার ৫৫০ দশমিক ৫৬ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে। প্রতিটি পরিবার ঈদের আগেই ১০ কেজি করে চাল পাবে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের ১৩টি উপজেলা ও ৮টি পৌরসভার হতদরিদ্র পরিবারগুলো ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় এই চাল পাবে। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এ খাদ্য সহায়তা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সরকার প্রতি বছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় সারা দেশের হতদরিদ্র ও দুস্থ পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে চাল বিতরণ করে থাকে। এ লক্ষ্যে ঈদের আগেই জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে ভিজিএফের চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়, যাতে গ্রামের গরিব ও অসহায় পরিবারগুলো ঈদের সময় খাদ্য সংকটে না পড়ে।

কিশোরগঞ্জের জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. বদরুদ্দোজা জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জেলার ১৩টি উপজেলা ও ৮টি পৌরসভায় মোট ৪ লাখ ৫৫ হাজার ৫৬টি হতদরিদ্র ও দুস্থ পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে চাল বরাদ্দসংক্রান্ত চিঠি ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের কাছে পৌঁছেছে।

তিনি আরও জানান, জেলার ১৩টি উপজেলার ১০৮টি ইউনিয়ন এবং ৮টি পৌরসভার মাধ্যমে ঈদের আগেই ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হবে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভাগুলোর মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করে এই খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হবে।

পৌরসভার শ্রেণিভেদ অনুযায়ী চাল বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। পৌরসভার প্রশাসক ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করবেন এবং উপজেলা কমিটির মাধ্যমে তা বিতরণ করা হবে।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে খাদ্য সংকটে থাকা মানুষ, দিনমজুর, গৃহহীন পরিবার এবং অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এ সহায়তা পাবেন।

ইতোমধ্যে জেলার হোসেনপুর উপজেলায় ইউনিয়নভিত্তিক চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গোবিন্দপুর ইউনিয়নে ৭ হাজার ৪৪৪ জনের জন্য ৭৪.৪৪ মেট্রিক টন, জিনারী ইউনিয়নে ৪ হাজার ৬৮১ জনের জন্য ৪৬.৮১ মেট্রিক টন, সিদলা ইউনিয়নে ৬ হাজার ৩৪৭ জনের জন্য ৬৩.৪৭ মেট্রিক টন, আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নে ২ হাজার ৪৭ জনের জন্য ২০.৪৭ মেট্রিক টন, শাহেদল ইউনিয়নে ৩ হাজার ৭৬৭ জনের জন্য ৩৭.৬৭ মেট্রিক টন এবং পুমদী ইউনিয়নে ৫ হাজার ৯৫৪ জনের জন্য ৫৯.৫৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া হোসেনপুর পৌরসভায় ৩ হাজার ৮৫ জনের জন্য ৩০.৮৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।

হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী নাহিদ ইভা জানান, ভিজিএফের চাল বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম, কারচুপি বা মাপে কম দেওয়া বরদাশত করা হবে না। প্রত্যেক কার্ডধারী হতদরিদ্র পরিবার সঠিক মাপে ১০ কেজি করে চাল পাবে বলে তিনি জানান।

কিশোরগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মহড়া অনুষ্ঠিত

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মহড়া অনুষ্ঠিত

“দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্প বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের গুরুদয়াল সরকারি কলেজ মাঠে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হয়।

কর্মসূচির শুরুতে গুরুদয়াল সরকারি কলেজ মাঠ থেকে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি কলেজ প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ পরিস্থিতিতে করণীয় বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক মহড়া প্রদর্শন করা হয়।

মহড়ায় কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা দুর্যোগকালীন উদ্ধার কার্যক্রম, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন কৌশল প্রদর্শন করেন। এতে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অংশগ্রহণকারীরা দুর্যোগ মোকাবিলার বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত, জেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. বদরুদ্দোজা, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম এবং কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল মালেক চৌধুরী।

এছাড়া জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

আয়োজকরা জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আগাম প্রস্তুতি জোরদার করাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। বিশেষ করে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি দুর্যোগ-সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।