শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

প্রচণ্ড তাপে বিপর্যয়ের পথে বাংলাদেশ, বলছে অক্সফোর্ডের গবেষণা

ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
প্রচণ্ড তাপে বিপর্যয়ের পথে বাংলাদেশ, বলছে অক্সফোর্ডের গবেষণা

উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ছয়টি দেশের তালিকায় স্থান পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তালিকায় থাকা অন্য দেশগুলো হলো—ভারত, নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও ফিলিপাইন। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণাটি সোমবার নেচার সাসটেইনেবিলিটি জার্নালে প্রকাশিত হয়।

গবেষণায় বলা হয়েছে, বৈশ্বিক তাপপ্রবাহের সংকট দ্রুত তীব্র রূপ ধারণ করছে, যা মানুষের দৈনন্দিন জীবন, অর্থনীতি এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলছে।

জীবাশ্ম জ্বালানির বর্তমান ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে প্রচণ্ড তাপের মধ্যে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে যেতে পারে।

গবেষকরা জানান, শিল্প-পূর্ব সময়ের তুলনায় বৈশ্বিক উষ্ণতা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি বিশ্বের প্রায় ৪১ শতাংশ মানুষ—অর্থাৎ প্রায় ৩৭৯ কোটি মানুষ—চরম তাপের মধ্যে বসবাস করবে। তুলনামূলকভাবে, ২০১০ সালে এ হার ছিল ২৩ শতাংশ বা প্রায় ১৫৪ কোটি।

গবেষণায় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন জলবায়ু ও জনসংখ্যাভিত্তিক মডেল ব্যবহার করে তাপপ্রবাহের ঝুঁকি নির্ধারণ করা হয়েছে ‘কুলিং ডিগ্রি ডেজ’ (সিডিডি) সূচকের মাধ্যমে। এই সূচক নির্দেশ করে, মানুষের জন্য নিরাপদ ঘরোয়া তাপমাত্রা বজায় রাখতে বছরে কতটা শীতলীকরণ প্রয়োজন। বছরে ৩ হাজারের বেশি সিডিডি থাকা অঞ্চলগুলোকে ‘চরম তাপপ্রবণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

গবেষণার প্রধান লেখক ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. জেসুস লিজানা বলেন, বাংলাদেশের গড় জাতীয় তাপমাত্রা প্রকৃত ঝুঁকি আড়াল করতে পারে। তার মতে, দেশের অধিকাংশ মানুষ এমন এলাকায় বসবাস করছে, যেখানে বছরে শীতলীকরণের চাহিদা ৩ হাজার সিডিডির বেশি। এর অর্থ দীর্ঘমেয়াদি ও বিপজ্জনক তাপের মধ্যে জীবনযাপন, যা মানুষের জীবিকা, উৎপাদনশীলতা ও স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বর্তমান জলবায়ু পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। আগে আলোচনার মূল কেন্দ্র ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা। তবে নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, এসব ঝুঁকির পাশাপাশি প্রবল তাপও সমানভাবে প্রাণঘাতী হুমকিতে পরিণত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাপপ্রবাহে হিটস্ট্রোক, হৃদরোগজনিত চাপ ও কিডনি রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। বিশেষ করে বয়স্ক, শিশু ও নিম্ন আয়ের মানুষের ঝুঁকি বেশি, যাদের শীতলীকরণ সুবিধা সীমিত।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, উষ্ণ ও উপউষ্ণ অঞ্চলের নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে শীতলীকরণের চাহিদা সবচেয়ে দ্রুত বাড়বে। বিপরীতে, বৈশ্বিক উত্তরের ধনী দেশগুলোতে শীত নরম হওয়ায় ঘর গরম রাখার প্রয়োজন কমে আসবে।

ব্যক্তিপ্রতি সিডিডি সবচেয়ে বেশি বাড়বে যেসব দেশে, সেগুলো হলো—সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, নাইজেরিয়া, দক্ষিণ সুদান, লাওস ও ব্রাজিল। অন্যদিকে কানাডা, রাশিয়া, ফিনল্যান্ড, সুইডেন ও নরওয়েতে শীতের তীব্রতা কমায় গরমের চাহিদা কমে যাবে।

গবেষকরা সতর্ক করেছেন, চরম তাপপ্রবণ দেশগুলোতে এয়ার কন্ডিশনের ব্যবহার বাড়লে একটি ‘কুলিং ট্র্যাপ’ তৈরি হতে পারে। এতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহার বাড়বে এবং যদি তা জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভর হয়, তবে কার্বন নিঃসরণ আরও বৃদ্ধি পাবে—যা জলবায়ু পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করবে।

গবেষণায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে পারলে প্রাণঘাতী তাপে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। বিজ্ঞানীদের মতে, সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। এখনই কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ এবং শহর ও আবাসন নকশায় তাপ সহনশীল ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। তা না হলে বাংলাদেশসহ ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে তাপপ্রবাহ বড় মানবিক ও স্বাস্থ্য সংকটে পরিণত হবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ জানান, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের তাপপ্রবাহ আরও বাড়বে এবং দেশের পশ্চিমাঞ্চলে প্রায় সারা বছরই তীব্র গরম বিরাজ করতে পারে। গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ না কমালে ২০৪১ থেকে ২০৭০ সালের মধ্যে তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। ২১০০ সালের মধ্যে এই বৃদ্ধি ১.৫ থেকে ৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। বিশেষ করে মার্চ-মে সময়ে তাপপ্রবাহ আরও ঘন ঘন ঘটবে।

তিনি জানান, ২০৭০ সালের মধ্যে দেশের পশ্চিমাঞ্চলে বর্ষার আগে প্রায় ২০ দিন তাপপ্রবাহ থাকতে পারে। এমনকি বর্ষা মৌসুমেও তাপপ্রবাহ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

২১০০ সালের মধ্যে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে বর্ষা শুরুর আগের ৯০ দিনের মধ্যে প্রায় ৭০ দিন তাপপ্রবাহ থাকার আশঙ্কা রয়েছে। রাজধানী ঢাকায় বছরে অন্তত দুইবার প্রবল তাপপ্রবাহ দেখা দিতে পারে—একবার বর্ষার আগে, আরেকবার বর্ষার পরে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মমিনুল ইসলাম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের গতি ক্রমেই বাড়ছে এবং পৃথিবীর উষ্ণায়ন এখন স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সাল ছিল ইতিহাসের অন্যতম উষ্ণ বছর। এছাড়া ২০২৫ সালের অক্টোবর ইতোমধ্যে বৈশ্বিক ইতিহাসের অন্যতম উষ্ণ অক্টোবর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠবে। পাশাপাশি তীব্র তাপ স্বাস্থ্য, কৃষি ও নিরাপদ পানির ওপর গুরুতর চাপ সৃষ্টি করবে। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা।

শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর আত্মত্যাগ স্মরণে কুলিয়ারচরে শ্রদ্ধা ও দোয়া

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর আত্মত্যাগ স্মরণে কুলিয়ারচরে শ্রদ্ধা ও দোয়া

জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের কৃতি সন্তান এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কবর জিয়ারত করা হয়েছে। এ সময় তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) কুলিয়ারচর উপজেলার সালুয়া ইউনিয়নের কবরস্থানে এ কর্মসূচির আয়োজন করেন স্থানীয় জুলাই যোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী এবং ছাত্রনেতারা।

কর্মসূচির শুরুতে শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে কবর জিয়ারত শেষে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও সার্বিক কল্যাণ কামনার পাশাপাশি জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা অটুট রাখার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত জুলাই যোদ্ধা ও ছাত্রনেতারা বলেন, “শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহসহ জুলাই বিপ্লবের সকল শহীদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও স্বৈরাচারমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের যে স্বপ্ন তাঁরা বুকে ধারণ করেছিলেন, সেই আদর্শ বাস্তবায়নে তরুণ প্রজন্ম ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।”

বক্তারা আরও বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং তাঁদের আদর্শকে ধারণ করাই হবে প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন। একই সঙ্গে দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তাঁরা।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জুলাই যোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তাড়াইলে প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময়, বৃক্ষরোপণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় ড. ওসমান ফারুক

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময়, বৃক্ষরোপণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় ড. ওসমান ফারুক

কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের সংসদ সদস্য ড. ওসমান ফারুক তাড়াইল উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়েছেন। এ সময় তিনি সরকারি সেবার মানোন্নয়ন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমন্বয় এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিলা আক্তার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আল আমিন

সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা নিজ নিজ বিভাগের চলমান কার্যক্রম, উন্নয়ন প্রকল্প, জনসেবার অগ্রগতি, বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন। তারা সেবার মানোন্নয়ন এবং উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয়ও তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. ওসমান ফারুক বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা, জবাবদিহিতা ও সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই। উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিকাশ রায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মেহেদী হাসান টিটু, তাড়াইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন লিটন, সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার আলম, সাবেক সভাপতি ছাইদু জামান মোস্তুফা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহারিয়ার খান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভা শেষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন সংসদ সদস্য। এ সময় তিনি পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

পরে ২০২৬ সালের পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেন ড. ওসমান ফারুক। এ সময় অতিথিরা শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে শিক্ষার মানোন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

জুলাই শহীদদের স্মরণে কুলিয়ারচর উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ
জুলাই শহীদদের স্মরণে কুলিয়ারচর উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬’ পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তারা জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার

সভায় বক্তারা বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই শহীদদের অবদান তুলে ধরা এবং তাঁদের আদর্শ ধারণ করার আহ্বানও জানান বক্তারা।

আলোচনা সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করা হয়। পরে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো একইভাবে উদযাপন করা হবে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41