বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

গান-কবিতায় জুলাইয়ের চেতনা, ‘পরিবর্তন যুব সংগঠন’-এর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

রেজাউল হক প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
গান-কবিতায় জুলাইয়ের চেতনা, ‘পরিবর্তন যুব সংগঠন’-এর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

 

“মুক্তির মন্দির সোপানতলে, কত প্রাণ হলো বলিদান…”—দেশাত্মবোধের এই চিরন্তন আহ্বানের সুর যেন প্রতিধ্বনিত হলো কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজ মুক্তমঞ্চে। গান, কবিতা, নৃত্য আর স্মৃতিচারণে উদযাপিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক চর্চার বার্তা ছড়িয়ে দিতে কিশোরগঞ্জে ব্যতিক্রমধর্মী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করেছে ‘পরিবর্তন যুব সংগঠন’

বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় গুরুদয়াল সরকারি কলেজ মুক্তমঞ্চে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, তরুণ-তরুণী, শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সুধীজনের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। উদ্বোধক ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, কিশোরগঞ্জের উপপরিচালক রফিকুল ইসলাম শামীম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুদয়াল সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের জেলা লাইব্রেরিয়ান আজিজুল হক সুমন এবং পরিবর্তন যুব সংগঠনের উপদেষ্টা ফয়সাল প্রিন্স।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মদানকারী শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে দেশাত্মবোধক গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য পরিবেশনা এবং আলোচনা পর্বের মধ্য দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, আত্মত্যাগ ও চেতনাকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা হয়।

বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুধু একটি রাজনৈতিক অধ্যায়ের নাম নয়; এটি স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। শহীদদের আত্মত্যাগকে ধারণ করে বৈষম্যহীন, মানবিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।

অনুষ্ঠানে পরিবেশিত দেশাত্মবোধক গান ও কবিতা দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে তোলে। শিল্পীদের পরিবেশনায় মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, দেশপ্রেম এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা এক সুতোয় গাঁথা হয়ে ওঠে। নৃত্য পরিবেশনাও দর্শকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।

আয়োজকরা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও শহীদদের আত্মত্যাগকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করার পাশাপাশি তরুণ সমাজের মধ্যে দেশপ্রেম, সামাজিক সম্প্রীতি ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার প্রসার ঘটাতেই এই আয়োজন করা হয়েছে। সংস্কৃতির শক্তিকে সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই তাদের লক্ষ্য।

উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে সারা দেশের মতো কিশোরগঞ্জেও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি পালিত হয়। তারই অংশ হিসেবে ‘পরিবর্তন যুব সংগঠন’-এর এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা দিনটির তাৎপর্যকে ভিন্নমাত্রা দিয়েছে।

‘জামায়াতের অধঃপতনের কারণ তাদের ইতিহাস’- কাদের সিদ্দিকী

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
‘জামায়াতের অধঃপতনের কারণ তাদের ইতিহাস’- কাদের সিদ্দিকী

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক ইতিহাসই দলটির বর্তমান অধঃপতনের প্রধান কারণ। তাঁর দাবি, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের শেষ পর্যায় পর্যন্ত দলটি ব্রিটিশদের পক্ষে অবস্থান নেয় এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ও স্বাধীনতার পক্ষে না দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের পক্ষ নেয়। এ কারণেই দলটি আজকের অবস্থায় এসেছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম তারেকের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, “জামায়াতে ইসলামী একটি দুর্ভাগা দল। তাদের রাজনৈতিক ইতিহাসই তাদের অধঃপতনের প্রধান কারণ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের হৃদয়। যে দল মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, ইতিহাস তাদের সেই অবস্থানের মূল্যায়ন করেছে।”

দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি। এ সময় তিনি সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কঠোর সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, ড. ইউনূস দেশের যে ক্ষতি করেছেন, তা অত্যন্ত গুরুতর। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই দিবসে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ড. ইউনূসকে যে সম্মান দেখিয়েছেন, সেটি রাজনৈতিক শিষ্টাচারের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

বর্তমান সরকারের কার্যক্রম প্রসঙ্গে কাদের সিদ্দিকী বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারকে একই সঙ্গে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এরপরও তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার অধ্যাপক ইউনূসের সময়ের তুলনায় অনেক ভালোভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে।

তিনি বলেন, “জাতীয় সংকট তো আছেই, আন্তর্জাতিক সংকট তার চেয়েও বড়। তারপরও বর্তমান সরকার পরিস্থিতি ভালোভাবে সামাল দিচ্ছে।”

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্ভাব্য দেশে ফেরা নিয়েও মন্তব্য করেন কাদের সিদ্দিকী। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা যদি পরিকল্পিতভাবে দেশে ফেরার ঘোষণা দিতেন, তাহলে দেশের ভেতরে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নতুন করে সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পেতেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন কর্মসূচির ঘোষণার ফলে উল্টো সাধারণ ও নিরীহ নেতাকর্মীরাই বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, যারা কোনো ধরনের অনিয়ম বা অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন, তাঁদের অনেকেই এসব ঘোষণার কারণে আইনি জটিলতায় পড়ছেন এবং কারাগারে যেতে হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, এ ধরনের পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবে দলের জন্য ইতিবাচক নয়।

তাড়াইলের ২ এইচএসসি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীপিছু দায়িত্বে ১৭ জন

তাড়াইল প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
তাড়াইলের ২ এইচএসসি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীপিছু দায়িত্বে ১৭ জন

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দুটি এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) অনুষ্ঠিত ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা প্রথম পত্র পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন মাত্র দুজন পরীক্ষার্থী। তবে শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি কেন্দ্রে পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে দায়িত্ব পালন করেছেন ১৭ জন করে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। ফলে দুটি কেন্দ্রেই দেখা গেছে ব্যতিক্রমী চিত্র।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, তাড়াইল মুক্তিযোদ্ধা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ৭০৫ জন। তবে এদিন ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা প্রথম পত্র পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন মাত্র একজন পরীক্ষার্থী। তিনি হাজী মোমতাজ উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নীলগঞ্জের শিক্ষার্থী রাকিব মিয়া। তাঁর বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ এলাকায়।

একজন পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্র করেই শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত বিধি অনুসরণ করে পরীক্ষা পরিচালনা করা হয়। এ কেন্দ্রে হল সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আনেয়ার হোসেন। এছাড়া ছিলেন দুইজন সহকারী হল সুপার, দুইজন কক্ষ পরিদর্শক, পাঁচজন সহায়ক কর্মচারী, তিনজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা আখতার এবং ট্যাগ অফিসার হিসেবে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।

অন্যদিকে তাড়াইল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রেও একই বিষয়ে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশ নেন মাত্র একজন পরীক্ষার্থী। তিনি প্রিয় রঞ্জন বর্মন। তাঁর বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার দামসুর এলাকায়।

এ কেন্দ্রেও শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী একজন পরীক্ষার্থীর জন্য ১৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। পরীক্ষা গ্রহণ, নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের শিথিলতা রাখা হয়নি।

পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার দুটি কেন্দ্রই পরিদর্শন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিসান আলী। তিনি কেন্দ্রগুলোর সার্বিক পরিবেশ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পরীক্ষা পরিচালনার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কম হলেও শিক্ষা বোর্ডের বিধি-বিধান অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কম হওয়ায় কেন্দ্র পরিচালনার নিয়মে কোনো ব্যত্যয় ঘটানো হয়নি।

কুলিয়ারচরে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
কুলিয়ারচরে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাও জব্দ করা হয়। তবে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে অটোরিকশার চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সকাল ৯টার মধ্যে উপজেলার ষোলরশি ও বড় ছয়সূতী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তি মো. সজিব মিয়া (৩৫)। তিনি ভৈরব থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যাত্রী হিসেবে আসছিলেন। পলাতক চালকের নাম মো. জিলানী মিয়া (৩৪)।

কুলিয়ারচর থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওয়ারেন্ট তামিল ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, ভৈরব থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বিপুল পরিমাণ গাঁজা ময়মনসিংহে নেওয়া হচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল উপজেলার ষোলরশি কবরস্থানসংলগ্ন সড়কে অবস্থান নেয়।

সকাল আনুমানিক ৮টা ৫০ মিনিটে সন্দেহভাজন সিএনজিচালিত অটোরিকশাটিকে থামানোর সংকেত দেওয়া হলে চালক নির্দেশ অমান্য করে দ্রুত বড় ছয়সূতীর দিকে পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ ধাওয়া করলে বড় ছয়সূতী এলাকার আরব আলী চক বাজারে অটোরিকশাটি রেখে চালক ও এক যাত্রী পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

এ সময় স্থানীয় লোকজন মো. সজিব মিয়াকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। তবে চালক মো. জিলানী মিয়া পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে অটোরিকশার পেছনের অংশে তল্লাশি চালিয়ে আটটি পৃথক পুটলায় রাখা মোট ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত কিশোরগঞ্জ-থ-১১-০৫১৪ নম্বরের সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, জব্দ করা গাড়িটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক সজিব মিয়া উদ্ধার হওয়া গাঁজা বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের হেফাজতে রাখার কথা স্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে তিনি পলাতক চালক মো. জিলানী মিয়ার সম্পৃক্ততার বিষয়েও তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীন বলেন, এ ঘটনায় আটক ও পলাতক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় কুলিয়ারচর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মাদক নির্মূলে কুলিয়ারচর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41