বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

এক মাসের ব্যবধানে সভাপতি পরিবর্তন

আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার ভাগলপুরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি পদে এক মাসের ব্যবধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। গত জুলাইয়ে মনিরুজ্জামান মনিরকে সভাপতি হিসেবে অনুমোদন দেওয়ার পর তাঁর মনোনয়ন বাতিল করে ২৩ আগস্ট ওই পদে মোস্তাফিজুর রহমান (মন্টু)কে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির প্রশ্ন তুলে বিষয়টির সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা ও তদন্ত দাবি করেছেন।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মুন্সী হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত ২৩ আগস্টের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি পদটি শূন্য ঘোষণা করে অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য মোস্তাফিজুর রহমানকে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট আদেশের ভিত্তিতে গত ২৩ জুলাই মনিরুজ্জামান মনিরকে এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ফলে এক মাসের ব্যবধানে সভাপতি পরিবর্তনের ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

সভাপতি পদ থেকে বাদ পড়ার বিষয়ে গত ২৯ আগস্ট সংবাদ সম্মেলন করেন মনিরুজ্জামান মনির। তাঁর অভিযোগ, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র এক মাসের মধ্যে কোনো বৈধ ও সন্তোষজনক কারণ না জানিয়ে কমিটি ভেঙে নতুন এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টির সুষ্ঠু ব্যাখ্যা, প্রয়োজনীয় তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে পরিষ্কার অবস্থান জানানোর দাবি করেন সাবেক এই সভাপতি।

তবে মনিরুজ্জামান মনিরের এসব অভিযোগের বিষয়ে নতুন সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের কোন বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এদিকে এডহক কমিটির নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান (মন্টু)। তিনি ইসলাম পরিবারের সদস্য। ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার সঙ্গেও ইসলাম পরিবারের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। ১৯৮৬ সালে বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবী মরহুম জহুরুল ইসলাম বাজিতপুরের ভাগলপুরে তাঁর পিতা আফতাব উদ্দিনের নামে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দিয়ে আসছে।

সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইসলাম পরিবারের বিভিন্ন সদস্য অতীতে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মোস্তাফিজুর রহমানের পরিবারও শিক্ষা ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত।

তাঁর বাবা মোখলেসুর রহমান এবং দাদা হাফেজ আব্দুর রাজ্জাক। বাজিতপুরের হাফেজ আব্দুর রাজ্জাক পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের নামকরণের সঙ্গেও তাঁর দাদার নাম জড়িত বলে পরিবারটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

মোস্তাফিজুর রহমান আরমানিটোলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে ঢাকা কলেজে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে অধ্যয়ন করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। শিক্ষা বিস্তার ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি ভূমিকা রাখছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

এদিকে আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি সাম্প্রতিক এসএসসি ফলাফলও সন্তোষজনক।

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির ৩২৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ৩২২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এ বছর ৮৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের দাবি, ফলাফলের দিক থেকে এটি কিশোরগঞ্জ জেলার অন্যতম ভালো ফলাফল। সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

স্থানীয় শিক্ষানুরাগী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, নতুন সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে শৃঙ্খলা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশা করছেন তাঁরা।

তবে এক মাসের ব্যবধানে এডহক কমিটির সভাপতি পরিবর্তনের কারণ নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে জমে উঠেছিল ‘সগড়া ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। বুধবার সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে ‘লিজেন্ড অব সগড়া’ ও ‘কেজি টপ ওয়ান’ দল মুখোমুখি হয়।

সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১ নম্বর রশিদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর থানা বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক মুর্শিদ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল খান। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ফেরদৌস আহম্মেদ নেভিন।

টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মো. আব্দুল আহাদ রঞ্জু মিয়া। ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এলাকার গণ্যমান্য মুরুব্বিদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক উপস্থিত থেকে ফাইনাল খেলা উপভোগ করেন।

ফাইনাল খেলায় লিজেন্ড অব সগড়া ও কেজি টপ ওয়ান দলের মুখোমুখি লড়াই ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। খেলা শেষে আয়োজকরা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চলাচলের রাস্তায় বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে তিনটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। এতে গত পাঁচ দিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বাধ্য হয়ে তাদের অন্য বাড়ির রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সম্প্রতি পৌর শহরের চণ্ডিবের মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগে মাহমুদুল হাসান রনি (৩১), তাহের আলী (৫০), শফিক মিয়া (৪০), নুর মিয়া (৪০), আব্দুর রহিম (৫৫) ও মিজান মিয়া (৩০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িটির মাঝখানের চলাচলের উঠান বা রাস্তাটি টিন ও বাঁশ দিয়ে শক্তভাবে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বংশপরম্পরায় তিনটি পরিবারের সদস্যরা এই পথটি ব্যবহার করে আসছিলেন। হঠাৎ করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় তারা ঘরবন্দি হওয়ার উপক্রম হয়েছেন।

ভুক্তভোগী মিন্নাত আলী বলেন, “আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে আমরা ছয় ভাই ও আমাদের সন্তানরা বসবাস করছি। আমাদের ভাইদের মধ্যে এখনো কোনো বাটোয়ারা বা বণ্টননামা দলিল হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান রনিসহ একটি ভূমিদস্যু চক্র আমাদের পরিবারের দুই ভাই তাহের আলী মিয়া ও আরমান মিয়ার কাছ থেকে লিখিত পাওয়ার নিয়ে আমাদের বাড়ির স্থাপনা ও টয়লেট ভেঙে বসতবাড়ি দখল করে নেয়।”

তিনি আরও বলেন, “এরপর তারা আমার তিন ভাইয়ের ঘরের সামনে টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। যার কারণে আমাদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। আমাদের বাকি ভাইদের বাড়ির অংশ বিক্রি না করায় ঘরের সামনেই টিনের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে আমাদের দুর্ভোগে ফেলেছে। আমরা আমাদের নিজ পৈত্রিক ভিটায় স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারছি না। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”

আরেক ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান বলেন, “শফিকুল রহমানসহ একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গত পাঁচ দিন ধরে এই বেড়া দিয়ে আমাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তাদের কিছু বলতে গেলেই তারা ক্ষমতা দেখায় এবং বলে—আমাদের বিচার করার কেউ নেই। যারা জমি কিনেছেন বলে দাবি করছেন, দলিলেও তাদের নাম নেই।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ভূমিদস্যু মাহমুদুল হাসান রনির সঙ্গে যোগসাজশ করে শফিকুল ইসলাম, তাহের মিয়া ও নুরু মিয়ারা এই অপকর্ম চালাচ্ছে। আমরা এর দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার চাই এবং চলাচলের জন্য আমাদের জায়গা উন্মুক্ত চাই।”

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান রনি বলেন, “আমরা একজন ওয়ারিশ বাদে বাকি সবার কাছ থেকেই জমি কিনেছি। আমরা আমাদের ক্রয়কৃত জমিতেই বেড়া দিয়েছি এবং ভুক্তভোগীদের চলাচলের জন্য বিকল্প জায়গা করে দিয়েছি।”

এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, “ইদানীং ভৈরবে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার বেশ কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। চলাচলের রাস্তা একটি মৌলিক অধিকার। মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতা যাই থাকুক না কেন, চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। এটি অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে। বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ পুলিশের এলিট ফোর্স ‘এসআরবি’ দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসআরবি-১৪-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে বিজ্ঞ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জের একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ বিকেল আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সদর থানার মাদক মামলা নম্বর-৩২(১)১৯-এর আসামি মো. রাব্বি মিয়া (২৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রাব্বি মিয়া কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মো. ইসলাম উদ্দিনের ছেলে। সদর থানার মাদক মামলায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণি ১০(ক) ধারায় আদালত তাকে দুই বছরের সাজা প্রদান করেন। তিনি আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।

এসআরবি-১৪-এর আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করার পর অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।