মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ ১৪৩২

করিমগঞ্জে ইউএনওর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে মানববন্ধন

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩:৩৪ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
করিমগঞ্জে ইউএনওর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে মানববন্ধন


কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তারের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন উপজেলা ও পৌরসভার সচেতন নাগরিকরা।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় করিমগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন করিমগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের দুইবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর সুমন মোড়ল, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে আলেম রাসেল, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি বজলুর রহমান, সমাজসেবক বায়েজিদ হোসেন হৃদয়সহ আরও অনেকে।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর করিমগঞ্জে যোগদানের পর থেকেই ইউএনও তাহমিনা আক্তার উপজেলা ও পৌরসভাকে দুর্নীতি ও অনিয়মের কেন্দ্রে পরিণত করেছেন। সরকারি বিধি-বিধান ও টেন্ডার প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।

পৌর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় শুরু থেকেই নাগরিকদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। বক্তারা বলেন, পৌরসভার নিজস্ব সিএনজি স্ট্যান্ড না থাকলেও গোপনে অবৈধ ইজারা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রায় ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

মানববন্ধনে আরও অভিযোগ করা হয়, পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে নির্ধারিত ড্রেন নির্মাণ না করেই বরাদ্দের সম্পূর্ণ অর্থ লোপাট করা হয়েছে। এক বছরের বেশি সময় ধরে পৌরসভার সড়কবাতি অচল থাকায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। পাশাপাশি পানি সংযোগ সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। অথচ পৌরসভার প্রায় ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ জন টিসিবি কার্ডধারী নিয়মিত পণ্য পাচ্ছেন না।

বক্তারা আরও বলেন, পৌরসভা থেকে বিভিন্ন প্রত্যয়নপত্র প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত ২০ ও ৫০ টাকা ফি উপেক্ষা করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ২০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে, যা চরম স্বেচ্ছাচার ও জনভোগান্তির সৃষ্টি করেছে।

মানববন্ধনে অভিযোগ করা হয়, ইউএনও ফ্যাসিবাদী মনোভাবাপন্ন কয়েকজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও তাদের সহযোগীদের সঙ্গে আঁতাত করে উপজেলা ও পৌরসভার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। নিয়মিত সভায় অনুপস্থিত থেকেও অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে কিছু চেয়ারম্যান পদে বহাল রয়েছেন। এমনকি প্রকল্পের অর্থ থেকে চেয়ারম্যান ও সচিবদের বিলাসী ভ্রমণ এবং দামী রিসোর্টে অবস্থানের খরচ বহন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে।

বক্তারা দাবি করেন, এডিপি ও এলজিএসপিসহ বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমিশন বাণিজ্য, ঘুষ ও ক্ষমতার অপব্যবহার চলছে। পছন্দের ঠিকাদার ও ব্যক্তিদের মধ্যে কাজ বণ্টনের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করা হচ্ছে।

এ সময় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা করিমগঞ্জ ইউনিটের সভাপতি হাবিবুর রহমান বিপ্লব অভিযোগ করেন, গণমাধ্যমকর্মীরা বিভিন্ন প্রকল্পের তথ্য চাইলেও তা দেওয়া হচ্ছে না। দুর্নীতি আড়াল করতে তথ্য গোপন করা হচ্ছে এবং কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী সাংবাদিকদের সহযোগিতা করলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বদলি করা হচ্ছে।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা অবিলম্বে ইউএনও তাহমিনা আক্তারের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং করিমগঞ্জে সুশাসন প্রতিষ্ঠার দাবি জানান। দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।

মারিয়ায় জমি দখলের বিরোধে ভাই-ভাবীর হামলায় নারী ও শিশুসহ আহত তিন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
মারিয়ায় জমি দখলের বিরোধে ভাই-ভাবীর হামলায় নারী ও শিশুসহ আহত তিন

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মারিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কাতিয়ারচর এলাকায় পারিবারিক জমি বিরোধের জেরে সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ তিনজন আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই ঘটনায় বসতঘর ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

আহতরা হলেন মো. শিপন মিয়া (৪০), তাঁর স্ত্রী নূরুন্নাহার (৩৫) এবং তাঁদের মেয়ে সোনালী (১০)। গুরুতর আহত স্ত্রী ও কন্যা বর্তমানে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ভুক্তভোগী শিপন মিয়া কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে জানান, তাঁর দুই ভাই মো. খোকন (৪৫), মো. সাদেক (২২) এবং ভাবি মোছা তানজিনাসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তানজিনা ইট দিয়ে শিপন মিয়ার পায়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় স্ত্রী নূরুন্নাহার বাধা দিতে গেলে তাঁর চুল ধরে ফেলে দিয়ে লোহার রড দিয়ে চোখের পাশে আঘাত করা হয়। তাঁদের কন্যা সোনালী এগিয়ে এলে মো. সাদেক ধারালো দা দিয়ে কোপ দিলে শিশুটির গালে গুরুতর জখম হয়।

একপর্যায়ে হামলাকারীরা দা, লাঠি ও লোহার রড দিয়ে বসতঘরের দরজা, জানালা ও টিনের বেড়া ভাঙচুর করে এবং ঘরের আসবাবপত্র নষ্ট করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে শিপন মিয়া থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা এখনো তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

ভুক্তভোগী শিপন মিয়া বলেন, তাঁর পৈতৃক সম্পত্তির পরিমাণ কম হওয়ায় তা বিক্রি করার ইচ্ছা প্রকাশ করলে বড় ভাই খোকন ওই জমি নেওয়ার আগ্রহ দেখান। পরে টাকা না দিয়েই জমি দখলের চেষ্টা করেন। টাকা ছাড়া জমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভাই ও ভাবি তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও নির্যাতন করতে থাকেন। তিনি আরও জানান, একমাত্র কন্যা সোনালীর নামে জমি লিখে দেওয়ার কথা বলার পর থেকে তাঁর অনুপস্থিতিতে স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে খারাপ আচরণ শুরু হয়। আগেও দুই দফা হামলার ঘটনা ঘটলেও সর্বশেষ ঘটনায় তারা মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হয়েছেন।

তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেন।

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তারেক রহমানের ভালোবাসার প্রমাণ ভোটের মাঠে দেখতে চান আব্দুস সালাম

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের ভালোবাসার প্রমাণ ভোটের মাঠে দেখতে চান আব্দুস সালাম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রচারণা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, তারেক রহমানকে ভালোবাসলে ভোটের মাঠে তার প্রমাণ দিতে হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে ঢাকা-১৭ আসন বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে সিএনজি ও অটোরিকশা চালকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুস সালাম বলেন, তারেক রহমানই বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য সবচেয়ে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নেতা। দেশ ও জনগণের কল্যাণে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনা ছাড়া বিকল্প নেই। শুধু মনে মনে চাইলে হবে না, মাঠে কাজ করতে হবে। কাজ না করলে ফল পাওয়া যাবে না। যারা সত্যিকার অর্থে তারেক রহমানকে ভালোবাসেন, তাদের ভোটের মাঠেই তা প্রমাণ করতে হবে।

সিএনজি, অটোরিকশা, রিকশা ও প্রাইভেটকার চালকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে। আপনারা নিজ নিজ গাড়িতে আমাদের স্টিকার ও লিফলেট লাগান, কিংবা নিজ হাতে লিখে লিখে লাগান ‘তারেক রহমানের জন্য ভোট চাই’। ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।

তিনি আরও বলেন, একটি মহল অর্থের বিনিময়ে ভোট নষ্ট করার জন্য প্ররোচনা দিচ্ছে। টাকার লোভে পড়ে ঈমান নষ্ট করবেন না। তারা এক বা দুইটি আসনে ভোট নষ্ট করে বিএনপির অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিতে চায়। এ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে।

ঢাকা-১৭ আসনের চারটি থানার প্রতিটি এলাকায় পরিকল্পিতভাবে প্রচারণা চালানোর নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, বস্তি এলাকা, শ্রমজীবী মানুষ এবং সিএনজি ও রিকশা শ্রমিকদের আবাসিক এলাকাগুলোতে অবশ্যই যেতে হবে। এটি দলের পক্ষ থেকে বাধ্যতামূলক দায়িত্ব।

তিনি বলেন, বিএনপি সবসময় দুঃসময়ে মানুষের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে। তারেক রহমান ছাড়া এই দেশে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মতো যোগ্য নেতা আর কেউ নেই।

প্রতারকদের হাতে দেশ তুলে দেওয়া হবে না: মির্জা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
প্রতারকদের হাতে দেশ তুলে দেওয়া হবে না: মির্জা আব্বাস

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, দেশ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ। তবে কোনো প্রতারক, ধান্দাবাজ ও কসাইদের হাতে দেশকে তুলে দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিএনপি।

সভায় দুইটি দলের নেতাকর্মীদের প্রতি ইঙ্গিত করে মির্জা আব্বাস বলেন, “ওরা যেভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে, আমি ধৈর্য ধরে রাখতে পারছি না। আমার বাড়ি ঢাকা ও শাহজাহানপুরে। আমার ঠিকানা আছে। যারা ঠিকানাবিহীন, তারা বলে আমার বাড়ি অমুক জায়গায়। আমি ঠিকানাবিহীন লোক নই, এটা মাথায় রাখতে হবে।”

দেশের প্রয়োজনে রাজপথে থাকার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, “আমি এই দেশের একজন কর্মী। দেশকে স্বাধীন করা থেকে শুরু করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যা কিছু করা প্রয়োজন, সবকিছু করেছি এবং জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত করব, ইনশাআল্লাহ। তবে কোনো প্রতারক, ধান্দাবাজ ও কসাইদের হাতে এই দেশকে পড়তে দেব না।”

নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমরা কলেজে পড়েছি, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি, কিন্তু লোভ করিনি। তোমরা আজ লোভ করছো। এত পাগল হওয়ার কী আছে? বয়স কম, রাজনীতি শেখো। ধীরে ধীরে রাজনীতি করো, দেশের উন্নতি করো, এটাই আমরা চাই। রাজনীতি করার জন্য তোমাদের রাস্তায় ফুল বিছিয়ে দেব। কিন্তু অপকর্ম করলে তার জবাব দিতে আমরা সক্ষম, ইনশাআল্লাহ।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ দলের শীর্ষ নেতারা।