বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কটিয়াদীতে বিএনপি নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কটিয়াদীতে বিএনপি নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান সিরাজীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি শফিকুর রহমান বাদলের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করতে গিয়েও মামলা করতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। তবে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন শফিকুর রহমান বাদল। একই সঙ্গে হামলার ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে দলীয় যেকোনো শাস্তি মেনে নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন তিনি।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুরে কটিয়াদী পৌর বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিজের ওপর হামলার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান সিরাজী। সংবাদ সম্মেলনে তিনি হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

শাহজাহান সিরাজী বলেন, গত ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার তেলিচাড়া এলাকায় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি শফিকুর রহমান বাদলের বাড়িতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের একটি গোপন বৈঠক চলছিল। খবর পেয়ে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় পৌর সদরের ভোগপাড়া এলাকার টিটু মিয়া নামের ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

শাহজাহান সিরাজীর দাবি, ওই গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁকে সন্দেহ করতে থাকেন গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির স্বজনেরা। এরপর থেকে তাঁকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৯ সেপ্টেম্বর বাড়ি থেকে কটিয়াদী আসার পথে উপজেলার কাহেতেরটেকী এলাকায় পৌঁছালে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি শফিকুর রহমান বাদলের নির্দেশে উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি এমদাদুল হক রাতুল, ছাত্রলীগ নেতা মো. নাছিম, হাবিবুর রহমান সন্দেশ, আল আমিন, শামীমসহ ১০ থেকে ১২ জন ওই হামলায় জড়িত ছিলেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা তাঁকে মাথায় আঘাত করে হত্যার চেষ্টা করেন। এতে তিনি আহত হন।

শাহজাহান সিরাজী আরও অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি শফিকুর রহমান বাদলের নাম উল্লেখ করে কটিয়াদী মডেল থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। বাদলের নাম থাকায় পুলিশ মামলা গ্রহণে গড়িমসি করছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে শাহজাহান সিরাজীর এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি শফিকুর রহমান বাদল। তিনি বলেন, পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সিরাজীর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি এ অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

শফিকুর রহমান বাদল বলেন, শাহজাহান সিরাজীর ওপর হামলার সঙ্গে তাঁর কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে দলের যেকোনো শাস্তি তিনি মেনে নিতে রাজি। আর তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা না থাকলে কেন তাঁকে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে, তারও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের মাধ্যমে সত্য প্রকাশ এবং মিথ্যা অভিযোগ থেকে তাঁকে দায়মুক্ত করার দাবি জানান তিনি।

এদিকে হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কটিয়াদী পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন এবং সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল সরকার। তাঁরা বলেন, শাহজাহান সিরাজীর ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। তদন্তে দলীয় কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁকেও আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তাঁরা।

অন্যদিকে, থানায় মামলা না নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলামের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি শফিকুর রহমান বাদল ও পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সিরাজীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। শাহজাহান সিরাজীর ওপর হামলার অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ওসি আরও বলেন, এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনসহ জেলা পুলিশ সুপার অবগত আছেন।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। একদিকে হামলার বিচার ও জড়িতদের শাস্তির দাবি উঠেছে, অন্যদিকে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবিও রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক বিরোধ যা-ই থাকুক, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং নির্দোষ কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

কিশোরগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজাসহ নারী আটক

রেজাউল হক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজাসহ নারী আটক

কিশোরগঞ্জে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ ফাতেমা খাতুন (৪৫) নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ মডেল থানাধীন বিন্নাটি বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ শোয়েব ইবনে রেজার নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় কিশোরগঞ্জ এবং কিশোরগঞ্জ লাইন পুলিশের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স এ অভিযান পরিচালনা করে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত বিন্নাটি বাজার এলাকার ঈসাখা ট্রান্সপোর্ট অফিসের পশ্চিম পাশে সড়কে অভিযান চালিয়ে ফাতেমা খাতুনকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

আটক ফাতেমা খাতুন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামের মৃত শামসুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী। তাঁর বাবার নাম মহিবুল্লাহ এবং মায়ের নাম আছিয়া খাতুন।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ওবায়দুল্লাহ খান বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট ধারায় কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা করেছেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কিশোরগঞ্জের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনায়েত হোসেন এসব তথ্য সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশি আটকের অভিযোগ, সক্রিয় রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
পুলিশি আটকের অভিযোগ, সক্রিয় রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের

রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রায় ১২ ঘণ্টা পুলিশি ‘হেনস্থা’ ও আটকের অভিযোগ তুলে সক্রিয় রাজনীতি থেকে স্বেচ্ছাবসরের ঘোষণা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। বুধবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে কান্নায় ভেঙে পড়ে এ ঘোষণা দেন তিনি।

হুমায়ুন কবীর বলেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আমলে তিনি আর কোনোদিন রাজ্য বিধানসভার অধিবেশনে অংশ নেবেন না। একই সঙ্গে বিধানসভা সম্পূর্ণ বয়কটের ঘোষণাও দেন তিনি।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘যে গণতান্ত্রিক নিয়মে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই একজন বিধায়ককে পুলিশ জোর করে তুলে নিয়ে ১২ ঘণ্টা আটকে রাখতে পারে, সেই গণতন্ত্রকে আমি ঘৃণা করি। শুভেন্দু অধিকারীর মতো পুলিশমন্ত্রীর অধীনে আমি রাজনীতি করতে চাই না।’

মঙ্গলবার রেজিনগর উপনির্বাচন শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে ‘আইন ভঙ্গের’ অভিযোগে পুলিশ তাঁকে আটক করে। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর রাত ৮টার দিকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হেনস্থা দাবি করে হুমায়ুন কবীর অভিযোগ করেন, পুলিশি সহায়তায় নির্বাচনে অবাধে ভোট লুট চালানো হয়েছে।

২০২৬ সালের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে নওদা ও রেজিনগর—দুটি আসন থেকেই জয়ী হয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। পরে রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

হুমায়ুন কবীর জানান, নওদার ভোটারদের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি এলাকায় জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ মানুষের সেবা করে যাবেন। তবে বিধায়ক পদ থেকেও স্থায়ীভাবে সরে দাঁড়াবেন কি না, সে বিষয়ে শিগগিরই এলাকার মানুষের মতামত নেবেন।

এ ছাড়া বিধানসভার সব সংসদীয় কমিটি, যার মধ্যে মাইনরিটি অ্যাফেয়ার্স, হাউস কমিটি ও বিজনেস অ্যাডভাইজরি কমিটি রয়েছে, সেগুলো থেকেও সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি। একই সঙ্গে স্পিকারের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকেও আর অংশ নেবেন না বলে জানান।

ডেঙ্গুতে আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৬০

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৬০

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮৯ জনে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ১ হাজার ৮৬০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুজন, রাজশাহী বিভাগে দুজন, সিলেট বিভাগে একজন এবং বরিশাল বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৪৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে বরিশাল বিভাগে ২০০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১৬, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২১২, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭১, খুলনা বিভাগে ৩৭৬, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১০, রাজশাহী বিভাগে ১৭৬, রংপুর বিভাগে ৩৮ এবং সিলেট বিভাগে ১৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে বুধবার পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই সিটি করপোরেশনসহ শুধু ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১২৯ জন।

এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ৫৭ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৩, বরিশাল বিভাগে ২৫, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫, রাজশাহী বিভাগে ২১, রংপুর বিভাগে ছয় এবং সিলেট বিভাগে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।