বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩

ভৈরবে এবি ব্যাংক পিএলসি’র ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ভৈরবে এবি ব্যাংক পিএলসি’র ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এবি ব্যাংক পিএলসি’র ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে ভৈরব বাজার শাখা প্রাঙ্গণে শাখা কর্তৃপক্ষের আয়োজনে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

উদযাপন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভৈরব রিপোর্টার্স ক্লাব ও ইউনিটি’র সভাপতি এবং সাপ্তাহিক ‘অবলম্বন’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক তাজুল ইসলাম তাজ ভৈরবী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী আসাদুজ্জামান জামান, হাজী সুমন মিয়া, ইব্রাহিম খলিল, জাহাঙ্গীর হোসেন, বাছির উদ্দিন, লন্ডনপ্রবাসী সালমা বেগমসহ আরও অনেকে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবি ব্যাংক পিএলসি’র ভৈরব বাজার শাখার ব্যবস্থাপক শাহনূর আলম। এছাড়া ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কেক কাটা এবং গ্রাহকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

আমন্ত্রিত অতিথিরা তাদের বক্তব্যে ব্যাংকটির দীর্ঘ পথচলা, সেবামূলক কার্যক্রম ও গ্রাহকসেবার মানের প্রশংসা করেন। তারা বলেন, বর্তমান সময়েও ব্যাংকটির কার্যক্রম এবং শাখা ব্যবস্থাপকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক আচরণ গ্রাহকদের আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সভাপতির বক্তব্যে শাখা ব্যবস্থাপক শাহনূর আলম বলেন, “এবি ব্যাংক দীর্ঘ ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গ্রাহকদের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও আমরা আধুনিক ও উন্নত ব্যাংকিং সেবা দিয়ে গ্রাহকদের পাশে থাকতে চাই।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত গ্রাহকরাও ব্যাংকের সাফল্য কামনা করেন এবং দীর্ঘদিনের সম্পর্ক নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি ও অতিথিদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন শেষ হয়।

রেলওয়ের জমি বেহাতের অভিযোগ; পুনরুদ্ধার-সংস্কারের আশ্বাস জেলা পরিষদ প্রশাসকের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
রেলওয়ের জমি বেহাতের অভিযোগ; পুনরুদ্ধার-সংস্কারের আশ্বাস জেলা পরিষদ প্রশাসকের

কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের সরকারি জমিকে কৃষি জমি হিসেবে দেখিয়ে অবৈধভাবে লিজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, এই জমি কখনোই কৃষি জমির শ্রেণিভুক্ত ছিল না; বরং এটি রেলওয়ের সরকারি সম্পত্তি হিসেবেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

২০০৬ সালের ৭ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কিশোরগঞ্জ সফরকালে নবনির্মিত রেলওয়ে স্টেশন ভবনের উদ্বোধন করেন। তবে বর্তমানে স্টেশন চত্বরের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী ফলকসহ পুরো স্টেশন এলাকা চরম অবহেলায় পড়ে আছে। গেটসংলগ্ন একসময়ের দৃষ্টিনন্দন বাগান এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। রাস্তা, ফুটপাত ও রেলওয়ের বাগানের মধ্যে কোনো ডিভাইডার বা সীমানা প্রাচীর না থাকায় এবং নিয়মিত পরিচর্যার অভাবে সর্বত্র ঝোপঝাড় গজিয়ে উঠেছে, যা স্থানটির সৌন্দর্য নষ্ট করে বেমানান পরিবেশ তৈরি করেছে।

এছাড়া, রাতের অন্ধকার ও নীরবতার সুযোগে এলাকাটি মাদকসেবীদের আড্ডাখানা এবং অপরাধীদের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্টেশন মাস্টার মোঃ খলিলুর রহমান জানান, স্টেশন এলাকার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে ইতোমধ্যে আবেদন করা হয়েছে।

গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) থেকে জেলা পরিষদ, রেড ক্রিসেন্ট ও কিশোরগঞ্জ পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত কিশোরগঞ্জ রেলস্টেশনের সামনের অবহেলিত চত্বরটি পরিষ্কার করে পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বিগত সরকারের আমলে কীভাবে সরকারি জমিকে কৃষি জমি দেখিয়ে লিজ দেওয়া হয়েছে, তা দ্রুত খতিয়ে দেখা হবে। সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে সম্পদ বেহাতের বিষয়গুলো জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে।”

স্টেশনের সার্বিক উন্নয়নে তিনি কয়েকটি পরিকল্পনার কথা জানান-  স্টেশন চত্বরে স্থায়ী বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ; ব্যাপক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজায়ন; প্ল্যাটফর্মে আধুনিক বসার বেঞ্চ স্থাপন; অবকাঠামোগত সার্বিক উন্নয়ন।

তিনি বলেন, “কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন আমাদের জেলার প্রবেশদ্বার। এর সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সবার দায়িত্ব। যাত্রীদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি স্টেশন গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”

এদিকে রেলওয়ের জমি বেহাত ও পরিবেশ বিনষ্টের বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। একই বিষয়ে রেলওয়ে মন্ত্রীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তবে জেলা পরিষদ প্রশাসকের এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে কিশোরগঞ্জের সচেতন নাগরিক সমাজ তা স্বাগত জানিয়েছে।

১৭ বছর পর ভাঙল প্রতিজ্ঞা, ইনু মিয়াকে ভাত খাওয়ালেন প্রতিমন্ত্রী

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
১৭ বছর পর ভাঙল প্রতিজ্ঞা, ইনু মিয়াকে ভাত খাওয়ালেন প্রতিমন্ত্রী

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার প্রবীণ কৃষক ইনু মিয়া রাজনৈতিক বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত প্রতিজ্ঞার এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় না আসা পর্যন্ত ভাত না খাওয়ার শপথ নিয়ে দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর ভাত পরিহার করে আসছিলেন। অবশেষে পহেলা বৈশাখে প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম নিজ হাতে তাকে ভাত খাইয়ে সেই দীর্ঘ প্রতিজ্ঞার ইতি টানেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ভোটকেন্দ্র এলাকায় এক প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার পর ইনু মিয়া ক্ষোভ ও প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে ভাত না খাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর থেকে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এবং স্থানীয় নেতাদের একাধিক অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি তার অবস্থান পরিবর্তন করেননি। সামাজিক ও পারিবারিক কোনো অনুষ্ঠানেও তিনি ভাত গ্রহণ করেননি।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার রামদী ইউনিয়নের পশ্চিম জগৎচর গ্রামে ইনু মিয়ার বাড়িতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে ভাত খাওয়ান। এ সময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন পর ভাত গ্রহণ করে ইনু মিয়া হাসিমুখে তা গ্রহণ করেন। এতদিন তিনি কলা, রুটি, বিস্কুটসহ বিভিন্ন শুকনো খাবার খেয়ে জীবনযাপন করছিলেন বলে জানা যায়।

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে গত ১২ জানুয়ারি এক স্থানীয় কর্মীসভায় বিষয়টি আলোচনায় এলে প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম প্রতিশ্রুতি দেন, দল ক্ষমতায় এলে তিনি নিজ হাতে ইনু মিয়াকে ভাত খাওয়াবেন। সেই প্রতিশ্রুতিরই বাস্তবায়ন ঘটল পহেলা বৈশাখের দিনে।

ভাত খাওয়ানোর পর প্রতিমন্ত্রী বলেন, দলের প্রতি এমন ভালোবাসা ও ত্যাগ বিরল। ইনু মিয়া আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা। তিনি তার পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং একটি নতুন ঘর নির্মাণ ও বয়স্ক ভাতার ব্যবস্থা করার ঘোষণা দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইনু মিয়া বর্তমানে শারীরিকভাবে দুর্বল এবং কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। কয়েক বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর থেকে তিনি লাঠিতে ভর দিয়ে চলাফেরা করেন। আগে কৃষিশ্রমিক হিসেবে কাজ করলেও বর্তমানে তিনি অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল।

ইনু মিয়া বলেন, দলের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তিনি এতদিন ভাত পরিহার করেছিলেন। আজ ভাত খেয়ে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছাও প্রকাশ করেন।

তার স্ত্রী জোছনা খাতুন জানান, বহুবার চেষ্টা করেও তাকে ভাত খাওয়ানো যায়নি। আজ এতদিন পর তাকে ভাত খেতে দেখে পরিবারে স্বস্তি ও আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় নেতৃবৃন্দ মনে করেন, ইনু মিয়ার এই দীর্ঘ প্রতিজ্ঞা রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

হোসেনপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণে আনন্দ, ঐতিহ্য ও বাঙালিয়ানার অপূর্ব এক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপনকে ঘিরে পুরো উপজেলায় উৎসবমুখর ও প্রাণচঞ্চল পরিবেশ সৃষ্টি হয়, যেখানে বয়স, পেশা ও মতভেদের সীমা অতিক্রম করে সবাই অংশ নেন এক আনন্দযাত্রায়।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন, মুখোশ ও ঐতিহ্যবাহী সাজে সজ্জিত শোভাযাত্রাটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। এতে অংশ নেন সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

পরে আসাদুজ্জামান খান অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীদের গান, নৃত্য ও পরিবেশনায় ফুটে ওঠে বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহসী মাসনাদ, হোসেনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম মবিনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা। তাঁদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আরও বর্ণিল ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।

দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন দলীয় ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে আয়োজন করা হয় গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা ও কনসার্ট। উপজেলার বিভিন্ন বাজারে বসে বৈশাখী মেলা, যেখানে শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবাই অংশ নেন কেনাকাটা ও আনন্দ-উল্লাসে।

এর আগে সকালে আয়োজিত পান্তা-ইলিশ ভোজে অংশ নেন আমন্ত্রিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীরা। গ্রামীণ ঐতিহ্যের স্বাদ ও সৌহার্দ্যের আবহে উৎসবের আনন্দ আরও গভীর হয়ে ওঠে। সব মিলিয়ে হোসেনপুরে পহেলা বৈশাখ কেবল একটি দিন নয়, বরং ছিল হৃদয়ের মিলন, সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ এবং নতুন স্বপ্নের অনন্য সূচনা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভা বলেন, “নববর্ষ বাঙালি সংস্কৃতির চিরন্তন উৎসব, যা সব ভেদাভেদ ভুলে মানুষকে এক কাতারে দাঁড় করায়।” তিনি হোসেনপুরবাসীকে আন্তরিক নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান।