সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার: রাষ্ট্রপতি

দেশের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনের তুলনায় দেশে চিকিৎসকের সংখ্যা অত্যন্ত কম। এ সংকট দূর করতে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগের পাশাপাশি হাসপাতালগুলোতে নার্সের ঘাটতি পূরণে জরুরি ভিত্তিতে উদ্যোগ নিতে হবে।

রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সোসাইটি অব অটোল্যারিঙ্গোলজিস্টস অ্যান্ড হেড-নেক সার্জনস অব বাংলাদেশের বার্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন ও এজিএম-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, হাসপাতালে আধুনিক যন্ত্রপাতি আনা হলেও সেগুলো পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল থাকে না। ডায়ালিসিসের মেশিন কেনা হলেও লোকবলের অভাবে সেগুলো অব্যবহৃত পড়ে থাকে। এ অবস্থার পরিবর্তন করতে হবে। চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার পাশাপাশি সেগুলো পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবল নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য খাতে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে অতীতেও অনেক চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হয়েছে, যার বেশ কিছু এখনো বিভিন্ন স্থানে বাক্সবন্দি অবস্থায় পড়ে রয়েছে। যন্ত্রপাতি কেনার পর সেগুলো পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল না থাকলে প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া যাবে না।

রাষ্ট্রপতি বলেন, চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিচালনার জন্য টেকনিশিয়ান ও মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা দ্রুত করতে হবে। অন্যথায় আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকা সত্ত্বেও মানুষ কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হবে।

তিনি বলেন, গ্রামের মানুষ প্রকৃত অর্থে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। জেলা সদরের হাসপাতালগুলোতেও অব্যবস্থাপনা, অবহেলা ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছেন না। এসব মৌলিক সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। তাই দরিদ্র ও সাধারণ মানুষের জন্য যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে একটি উপযুক্ত স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে চিকিৎসকদের আরও মানবিক ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি। দেশের সব নাগরিকের জন্য যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

বক্তব্যে দেশের চিকিৎসা খাতের উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানের শুরুতে রাষ্ট্রপতিকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।

সংগঠনটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মো. মাজহারুল শাহীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সদস্যসচিব অধ্যাপক ডা. হাসান জাফর।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নারী ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার এবং সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বাড়াতে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বাড়াতে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ বাস্তবায়নে ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে এ অর্থ বরাদ্দ চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

গতকাল রবিবার (১ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে অর্থ বিভাগের সচিবের কাছে চিঠিটি পাঠানো হয়।

তবে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এ বিষয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, শিক্ষাসচিব ও তিন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের (ডিজি) পক্ষ থেকে এখনো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অর্থ বিভাগের সচিবকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, শিক্ষা খাতের উন্নয়নে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবদান অপরিসীম। সারা দেশের শিক্ষকদের চাকরির সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, তাঁদের কল্যাণ এবং সার্বিক সেবার মান উন্নয়নে বর্তমান সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যেই শিক্ষা খাতে আনুপাতিক বাজেট বাড়ানো হচ্ছে। নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়িত হলে শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান ও পেশাদারত্ব বৃদ্ধি পাবে।

চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী বেতন-ভাতা দিতে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর জন্য অতিরিক্ত ২ হাজার ৫৩১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা এবং বেসরকারি কলেজগুলোর জন্য ৭৩৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। সব মিলিয়ে অতিরিক্ত অর্থের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

এ অবস্থায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে এই অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার জন্য চিঠিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন বেতন স্কেলের জন্য অর্থ বরাদ্দ চেয়ে পাঠানো চিঠির বিষয়টি ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া। তিনি লিখেছেন, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। শিক্ষকদের সব দাবি পূরণে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন।

এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব ও বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সভাপতি দেলাওয়ার হোসেন আজিজীও ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট দিয়েছেন। তিনি জানান, এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের নবম পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, অর্থ মন্ত্রণালয় দ্রুত প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

সাজেকে ১২ দিনের অবরোধ, খাদ্যসংকটে বিপাকে বাসিন্দারা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৪০ অপরাহ্ণ
সাজেকে ১২ দিনের অবরোধ, খাদ্যসংকটে বিপাকে বাসিন্দারা

রাঙামাটির সাজেকে ইউপিডিএফ সমর্থিত দুই সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ১২তম দিন অতিবাহিত হচ্ছে। রবিবার ১২ ঘণ্টার জন্য অবরোধ শিথিল করা হলেও আজ সোমবার সকাল থেকে আবারও সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে ও আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করছেন অবরোধকারীরা।

টানা ১২ দিনের অবরোধে পুরো সাজেকজুড়ে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। তৈরি হয়েছে তীব্র খাদ্যসংকট। গত ১১ দিনে ‘সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি’ ও ‘কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন’-এর পাঁচ দফা দাবি পূরণ না হওয়ায় সংকটের সমাধান হয়নি।

এদিকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটির সভাপতি বাবুধন চাকমা। রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার কথা জানান।

অবরোধের পাশাপাশি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত দুই দিনে সাজেকের কলাবুনিয়া ও দূরদুরিছড়ায় জেএসএস এবং ইউপিডিএফের মধ্যে দুই দফায় তীব্র বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এলাকাটি পাহাড়ি ও দুর্গম হওয়ায় হতাহতের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানাতে পারেননি তিনি।

স্থানীয়রা জানান, টানা অবরোধ ও গোলাগুলির ঘটনায় সাজেকে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সংঘাত ও অবরোধের কারণে রিসোর্ট ও কটেজ মালিকদের পাশাপাশি চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ বাসিন্দারাও। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

তাঁরা আরো জানান, পাহাড়ে উৎপাদিত ফলমূল পরিবহন ও বাজারজাত করতে না পারায় সেগুলো পচে যাচ্ছে। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ারও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। ফলে চরম অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

সাজেক থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন বলেন, অবরোধের ১২তম দিন চলছে। বেশ কয়েকটি স্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করা হয়েছে। তবে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসন সর্বাত্মক সতর্ক রয়েছে।

পোশাকশিল্পের পরিস্থিতি নিয়ে মালিকদের সঙ্গে বৈঠক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১:২৬ অপরাহ্ণ
পোশাকশিল্পের পরিস্থিতি নিয়ে মালিকদের সঙ্গে বৈঠক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

পোশাকশিল্পের চলমান অস্থিরতা নিরসনে আজ সোমবার বিকেলে শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৈঠকে শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন ও ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা হবে।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ১১টার পর সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। এ ছাড়া তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও জীবনমান উন্নয়নের নির্দেশনা দিয়েছেন। শ্রমিকদের সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সহানুভূতির সঙ্গে ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। উভয় পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবতার নিরিখে মজুরি নির্ধারণ করা হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পতিত স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের কিছু পক্ষ নিরীহ শ্রমিকদের ব্যবহার করে অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।

শ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আজই বোর্ডের প্রথম সভা হতে পারে। তা না হলে শিগগিরই সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আলোচনা করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ ও ঘোষণা করা হতে পারে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, মজুরি নির্ধারণের সময়সীমা হিসেবে তিন বছর পূর্ণ হতে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, মজুরি বোর্ড সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করতে পারবে।